এখন এবং, সেই ফিরে আসা। বুকের মাঠ থেকে চালুনি করে দানা -বালি -দুঃখ বেছে ফেলি । অপরাহ্নের ছায়ায়, ঘনিয়ে নিই।
আপাত পৃথিবীর সবটাই, মৃতের চাহনি। গোপন ঝর্ণার জলের শব্দে আমাদের তৃষ্ণা মিটে যায়। জাফরিকাটা আলোর রম্বসে পা রেখে আমরা যাই গ্রহান্তরে। ফেরার আগে ছবিতে তুলে রাখি একা কলপাড়, শীতের ট্যাঞ্জারিনের ছোট্ট বীজ।
দূরত্ব। সে কতদূর। হাত বেগদা মাপতে মাপতে তার আঙুল ডগায় পৌঁছে যাই যতবার, আমার মানচিত্র ভেঙে যায়। সমস্ত মহাদেশীয় রেখা তার পর্ণমোচনের সাথে রেণু হয়ে ওড়ে।
সেই রাক্ষসকে চেন? যার এক চোখে রাগ ও অন্য চোখে হতাশা। তারা একত্রে পৃথিবীর ধ্বংস আনতে পারে। ইশ্বর এই দুই চোখ পৃথিবীর দুই প্রান্তে , একটা পাহাড়ের গায়ে ও অন্যটা মরুভূমির ভিতর রেখে দিলেন। তারা কোনোদিন একসাথে হতে পারে না।
আমাদের দূরত্বে এমন অজস্র উদাহরণে মিলে যায় পুঙ্খানুপুঙ্খ । অন্ধ রাক্ষস আর আমরা অন্ধকার কামড়ে বেঁচে থাকা আমাদের অভ্যেস
(মনি -দীপার উপন্যাসে সাপলুডো খেলা পর্ব )
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন