তুমুল একটা বৃষ্টির সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে
আমাদের গল্পটা এগোচ্ছে না জেনেও
রোজ রোজ তোমার বুকের মেঘেদের স্মৃতি আঁকড়ে
এক রাত জাগা পাঠক আমি কেবল মাত্র,
চাতকের মতো জলের ফোটার দিকে
তৃষ্ণা জমিয়ে রেখেছি আমরণ .....কারণ আমি অভিশপ্ত চিরাগ এর জীন ,
হাজারো অভিমানী স্পর্শে কেন নির্ঘুম রাত থেকে ভোর ভেঙে যায় আসে আরো একটা অভিশপ্ত দিন জানি না........ জানি না,
ইচ্ছে করে রাত পাখি হয়ে চুরি করি পৃথিবীর নিশ্চিন্ত ঘুম
তোমার ঘুমের কাছে গুঁড়ো গুঁড়ো কূজন ছড়িয়ে
রাখি
চোখের ভিতর কী তীব্র দহন কেউ বোঝে না
কাউকে বোঝাতে মারাত্মক রক্ত ক্ষরণে ঝাপসা দৃশ্য ,
নদী পারে যত সভ্যতা সব একা একা নিদারুন ভাঙাগড়া খেলায় মত্ত ।তারপর ভোরের আজান ভেসে আসে নিঃশব্দে শব্দ হয়ে "sound of silent"
ভোরের আজানে মন কাঁদে তুমি শুনছো ...? জানি আজকাল তুমি অনেক কিছু শুনতে পাওনা
কানের ভেতর অবিরাম চলন্ত ট্রেনের হুইসেল
লাইন বদলানোর আওয়াজে ব্যস্ত তুমি
আমাদের ভোরের আজান একসাথে
শোনা আর কখনওই হবে না , একসাথে ভুলে যাওয়া কথাদের পুনরায় মনে করায় কেবল টানেল জুড়ে বিস্মৃতির অন্ধকার যার দু পাশে আলো থাকলেও বুকের ভেতর চির অমাবস্যা ।
ঈশ্বরের সঙ্গে যার কোনো চাওয়া-পাওয়ার সম্পর্ক নেই, আমি নাস্তিক এর দলে আমি শুধুই
আগুনের দিকে ডানা মেলে ধরি আজকাল ...
বৃষ্টি জলের গভীরে ডুবে ডুবে পদ্মমঙ্গল লিখি...
অলক্ষী আর নাস্তিক বলেই তোমাকে এভাবে ভালোবাসতে পারি এও কী নিবেদন কম ?
ঘুম এসে পা ডুবিয়ে বসে থাকে আমার একান্ত দীঘির জলে রাতভর ,
পাঁচিলের ফাটল থেকে আলো খিড়কির কাচে কান পাতে, ভালো আছি কিনা খবরাখবর নেয় ।
পাগলের মতো হাসে দেওয়াল আঁচড়ায় অজানা কিছু গোপন আর্তি নিয়ে ।
যে বিষণ্ণ রাতের কোনো জাত হয় না সেও তো আমারই মতো ভবঘুরে বিনিদ্র কথোপকথন যেমনটা .......
বাইরে বৃষ্টি আমার বাড়ির ছাদে নিদারুন অধিকারে ছিদ্র করে ফেলে ।
আমি জলে ভেজা ধ্রুপদি আঙ্গিকে নিজেকে বোঝাই শামুকের ভেতর এক খান ঘর বাঁধার ,, ......তার পর জ্বলতে থাকি
নিভন্ত চাঁদের আগুনে, তুমুল বৃষ্টি সংবাদ
থাকে আমাদের সমস্ত গল্পের ধারাবাহিকতায় ।