মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২১

মৌন কথা


শব্দরা  যখন অন্তিম পুঁঁজি  বাজি রেখে হেরে যায়,
মুুঠোবন্দী  মাটি মুুক্তি খোঁজে  .....খাঁচা  খুলে দিতে হয় সন্ন্যাসী

দেখে নিতে হয়...সে মাটিতে আশ্রয় ।কতটা শক্ত ।

 ফাঁকা ক্যানভাসে সারি সারি , একলা অন্তরমহল

কাঁদলেও কিচ্ছু করার থাকে না । 

 
অন্ধকার জমানো এই দেহ থেকে ঝরাপাতাদের
খুলে নিচ্ছে সময়,।সীমানা খুলে দিচ্ছে খরস্রোতা প্রবাহ ,,

 যারা সারাটা রাস্তা শোক ভাঙতে ভাঙতে এগিয়ে ,যাচ্ছিল তারা  ....নিজের  ভেতরে 

দীর্ঘ মাইল শীতকাল  পার হযে  ।

এখানে  তারা  সবাই ভীষণ একা  ,

 তুমি আসো বারংবার অথচ পাপ এঁকে 
পুনরায় হারাই তোমাকে।
যারা আঙুলে আঙুল ক্ষয়ে যাওয়া দেহজ সম্বল খুঁজে নিচ্ছে আমি যে তাদের মিছিলে হাঁটতে  শিখিনি আজও সন্ন্যাসী 


তাদের জলে থেমে আছে এই সম্পর্ক-নিরাকার।
 সিগারেটের ধোঁয়া ঘুরে ঘুরে ওঠা নামায়   অবসর যেমন ,

বিষাদ কেটে নাও খানিকটা গলা থেকে,দূরে ফেলে দাও অদাহ্য  পোশাকি  শব্দ সজ্জা ।

ছেঁড়া ছেঁড়া শূন্যতা ভর করে আছে পুরোনো সাক্ষাত,, 

ফুরিয়ে যাওয়ার আগে একবার।   ...... বল ফিরে এসো ,

 
মরসুুমি পাখিরা গোপন আকাশ পথ বেছে নিয়েছে ,,

বুকের ভেতরে সন্ধের পর যদিও বাড়ি ফেরেনা কিছুই, শুধু যেন  অন্ধকার এর।সাথে অন্ধকার কথা বলে ,

মেঘ নেমে আসা অবিকল কোনো ব্যথার কোলাজ
জুড়ে নগর জ্বলে ওঠে  দাউ দাউ আগুনে 

যারা পরিযায়ী  সময়ে সময়ে  মৃত প্রমাণিত হয় তারা  ,
ভাসমান স্তবির পালকে হাতছানি মোছে  নাটকের পর্দায় তারাই।

এ শহর আমার কাছে  পিছুটানহীন  এখন

কোথাও... হারানো চৌম্বক অপেক্ষা আর নেই ।
অথবা চুপ থাকা  সমীচীন বুঝে ভাগ করে রাখি নিস্তব্ধতা...

আয়নায় ধুলো  টুকু দুহাতে সরালে কাচা সন্ধের রঙ ফুটে ওঠে রেকর্ড প্লেয়ারে .....
সারা দেহে লেগে আছে  ফুরিয়ে আসা  পারিজাতীয় ওম ....... প্রেম চোখ মুছে নিতে নিতে

গাছে দের  কোটরে  ঘুম খোঁজে ,

যে গাছের শরীরে আমাদের প্রিয়নাম লেখা আছে... তার বুকে অতীত সংখ্যা থেকে আগামীও লেখা থাকবে সন্ন্যাসী ।


সন্ন্যাসী কথা 

--

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন