বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২১

সুবর্ণা (৯৯)

সুবর্ণা তোমার নামের পাশে চিরকাল অমলিন হাসি রেখে যেতে চেয়েছি ,
রেখে যেতে চেয়েছি খানিকটা রাত বেহাগ , খানিকটা গোলাপবর্ন ঘর  ,কিছুটা আকাশ ,

....অথচ তোমার কাঁচের দুচোখ থেকে   ঘুড়ি ভাসা উদাসীন মেঘেদের মিছিলের জট  ভীষন কঠিন ।
...এখন মায়া ও সংঘাতের এক একটি দিন  কুঁচিয়ে কুঁচিয়ে  শহরের মিনারের চূড়া থেকে ছিঁড়ে ফেলে দিই, 
তোমাকে ফুরিয়ে ফেলতে চাই ইদানিং.…. কিছুতেই 
শেষ গন্তব্যের যাওয়া  পথে আলোর বিন্দু ঠাহর করতে পারি না , নদীর জলে তোমার ছায়া অস্পষ্ট হয়ে আসে,,
....আসলে আমার চাওয়া বা না চাওয়ায়  মেঘেদের মিছিল ভাঙবে না, আমার চাওয়া বা না চাওয়ার হওয়া  মাইল ফলক পেরিয়ে তোমার ঠিকানায় পৌঁছনোর আগেই তিন প্রহরের প্রহরীর হাতে নিঃস্ব হয়ে যাবেই ।
চিরকাল তুমি আমার হৃদয়ের চাওয়া ইচ্ছাদের নিজের মতো শাসন করে গেলে , 
একবার ভাবলে না আমার ভেতর শত পদ্মের ঝিলে শান্ত ডিঙি থেকে বৈঠার শব্দ ধীরে ধীরে মৃদু হতে হতে  তোমার নাভিমূল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ।
একবারও বললে না  এসো তোমার ধুলো মাখা মন আমি নিজের হাতে ধুইয়ে দিই বুকের পটে রেখে ।
অথচ সুবর্ণা আমি চিরকাল তোমার সানিদ্ধ্যের বাতাসে সুগন্ধ ছড়িয়ে রাখতেই চেয়েছিলাম ,
তোমার মন যে প্রহেলিকা সে কথা আমার অজানা ছিল ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন