রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

সুবর্ণা(১১৩)



সঙ্গত ছে‌ড়ে দি‌য়ে আবার 
 হাত বা‌ড়ি‌য়ে লু‌ফে নি‌তে চাইছো ! আমাকে ঠিক কতটা বোকা ভেবে তৃপ্ত হও এভাবে ?
আমার হৃৎ‌পি‌ণ্ডের পা‌শে ওৎ পে‌তে থাকা অন্ধকারে ঢাকা একটা গোটা আলোর দেশ জানো কিনা জানি না ! ,
সেদিন অন্ধকার ভেবে  ঠিক যে কটা  মুখ আমায় ফেলে গেছিলো অহেতুক কারণ দেখিয়ে 
তারা আর আ‌লোয় ফেরার যোগ্যতা রাখে না ....।

 ভীষণ আ‌লোর তৃষ্ণা নি‌য়ে বু‌কে তাদের মত তুমিও মাইলের পর মাইল হাঁটছো ......।
  জানো সুবর্ণা জীব‌নের উপসংহার আমি ঠকে যেতে চাইনা

তাই  ভালোবাসার আশ্রয়  সঙ্গত ছে‌ড়ে দি‌তেই
এক পাহাড় শূন‌্যতার  জন্মের পর নিজের ভেতর 
আশ্রয়  খুঁজতে
একান্ত ব‌্যথার না‌লিশগুলো মু‌ক্তি দিয়েছি প্রথম দফায় ..., তারপর
 নিজেকে  ব‌ন্দি রাখতে রাখতে কখন যেনো    প্রেমে প‌ড়ে গেলাম নিজস্ব অন্তরবর্তি মানুষটার,,

আর সেদিন  আকাশ ভা‌লো‌বে‌সে উড়িয়ে দিয়েছি সমস্ত নির্ভরশীল স্বপ্ন দের  ,,
তারপর থে‌কে প্রত্যেক‌টি বসন্ত, আমার ব‌্যথার কা‌ছে নতজানু হয়েছে সহজেই

তারপর থে‌কে আ‌মি প্রয়োজনবোধ ক‌রি‌নি-
আর কো‌নো ভালোবাসার মানুষের
তারপর থে‌কে আ‌মি প্রয়োজনবোধ ক‌রি‌নি-
পৃ‌থিবী‌র কোনো সম্পর্কের

শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

তোমার শব্দের অহংকার

কিসের এত অহংকার তোমার , আর কি এমন সময় খুঁজে ফিরছো!
সাবধান হতে হতে শুধু এতটুকুই একটা আগ্নেয়গিরির  তথাস্তু শব্দে ট্রেনে চেপে পাড়ি দেবে ভাবছো ?
ম তে মৃত্যু নয় সাদা ঘোড়ার পিঠে ঈশ্বর যেখানে দৌড়ে বেড়ায় সময়ের বুকে ।
আর  মানুষ মানে আমরা নই জানোই তো , 
অন্য একটা দিনে স্বপ্নের পাখিটা বলে ওঠে এয়সা দিন নেহি রেহেগা.....,,
এই সভ্যতার মা কে নিখোঁজ হতে দেখেও কিছুই বদলায়নি  কখনো ,বদলাবে না কোনদিন,,

ছায়ামানবী আর শীতের শহরে লাফিং বুদ্ধা হাসে অকারণে, ,
মুক্তির শব্দগুলো দূরে কোথাও দূরে দূরে ছড়িয়ে যায় বাতাস পেরিয়ে ।
একটা দিনের কবিতা ফুরিয়ে  গিয়ে একটা  খুনের কবিতা কাঠগড়ায় দাঁড়ায় উল্লাসে ....।
বলি শহরে একটা চেনা গল্পে এখন শুধু শব্দ আর কবিতায় বাঁচতে চায়  .... একটা নিয়মের কবিতা ফিরতি পথে  মিথ্যে অহংকারী হয়ে একা মাত্র ।
নিরুত্তর সময় পুনরাবৃত্তি .....যেন মূর্খ বোকামি 
বাজার এখন এক দিন অন্য দিনের  সুবাস বয়েই বেড়ায় না ।
অভিশাপ শুকনো মালায়  বলা না বলা কথারা আজ  নিষ্প্রয়োজন ।
অমরত্ব এখন কথার কথা  অসময়ের ডাইরির পাতায় যাক সব চুকে যাওয়ার উপাখ্যান,  তারপর ভালোবাসার শরীর পরিচিত বাড়ায় মঞ্চে.....
মানুষ বাঁচতে চায় সত্যি মিথ্যের গল্প গুলো রোদ চশমার আড়ালে রেখেই ।
প্রতিটা প্রমিস ডে তে সম্পর্কের হাত বদল হয় 
ভালোবাসার শহরে খালি পায়ে .....।।

মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

সই (৩৫)

ভালো থাকার জন্যে তুমি খুঁজে নাও নীল জ্যাকেটের পাশে কুমকুম রঙের আবেশ  চিরকাল ...
হাহাহা  তবুও মিথ্যে কিছু আফসোস  লালন করে থাকো জীবনভর ,,
যারা তোমায় কাছে রাখে তারা জানে তুমি নিজেকে যত্ন নিতে পারো দুনিয়ার পরোয়া না করেই ...
খুল কে জিও ছুপকে নেহি ......,জিন্দেগী হ্যায়
সচ কো দেখনা শিখলো জনাব ।
খরগোশ হয়ে লুকিয়ে থাকলেও তার কাছে যে কিছুই লুকোনো যায় না .....তৃতীয় চক্ষু যার নাম ।

#সই
আদুরে সংলাপ
------------------------------------

বসন্তের ভোরবেলায় ......
এই সবেমাত্র একপদ্ম শিশিরের কথা
লিখতে বসেছিলাম ঠিক তখনি একটা
জলপরি ভীষণ বায়নায় শর্ত রখলো----
আমার কথা লেখ আগে নইলে তোমার
চোখের বাইরে আমি ঝর্না খুঁজে নেবো,
আর নীল দিগন্তে নীলাদ্রির বুকে উপন্যাস হয়ে জন্ম নেবো নতুন করে !

সবে মাত্র আকাশের বুকে যন্ত্রণার রঙ
আঁকছিলাম  ঠিক তখনি একটা রামধনু
 রঙ মাখা ছেলে এসে আমার তুলি
কেড়ে নিয়ে বলল আগে আমার রঙএ
সময় আঁক নয়তো আমি ঈশানী মেঘে
আত্মগোপন করবো একজীবন ধরে, তুমি খুঁজলেও আর আমার ঠিকানা পাবে না কখনো ।

সবে মাত্র  দাবানলের আত্মকথা লিখতে
শুরু করেছি ঠিক তখনি এক দেশলাই 
কাঠির বারুদ বড্ড স্যতস্যতে অভিমানে
বলে উঠলো আগে যদি আমার কথা না
লেখ আমি তোমার বুকে আর  ঘর বাধঁবো না, জীবনের  দহন কাকে বলে তোমার অজানাই থেকে যাবে  তবে ।

সবে মাত্র চৌরাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা
আদ্যিকালের অভিজ্ঞ বটগাছটার কাছে
 এই শহরের  শৈশব  থেকে যৌবনের গল্প
শুনছিলাম ঠিক.... ঠিক তখনি কৃষ্ণচূড়া
চেঁচিয়ে বলল আমি এখন ভরা যৌবনে
আগে আমার সদ্য ভালোবাসার কবিতা
লেখ নীল খাতার প্রথম পাতায়... নইলে
ওখাতা কোনোদিন ভরবে না কোনো
লেখায়, ,।
 তাই আজ অনেক লেখা বকেয়া
থকলো শর্ত অভিমান আর টুকরো কিছু
আদুরে আব্দারের আবডালে,,

সই (৩৪)

বুকে আগুন রেখে কার জন্যে মেঘেদের গল্প লিখতে থাকি , 
কার প্রেমে সুখী মন  ক্যানভাসে আঁকে কার ব্জলছবি ...
তুমি তো বলনি ফিরবে কখনো ....!!
তবু মিছে মনে হয়না...  কখনো  সফরের হয়রানি ,
জীবন জানে কিছু ছবি মূল্যবান হয়েও  পরে থাকে 
অন্ধকার গুমঘরে ,
যেদিন বেলাশেষে দেখবে অসীমে ঢাকছে ধোঁয়ায় ধোঁয়ায়... 
জানবে এতদিন যে তোমার ছবি আঁকছিলো 
....এবার তার ছবি আঁকতে হবে  বুকের দেওয়ালে।

#সই 

সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

সুবর্ণা(১১২)

মন ভাঙতে চাওয়া ঘাতক চিহ্নরাও কি মনের ভেদাভেদ বোঝে ! ফুরোনো বেলার হাতে হাত রাখা দৃশ্যে রা কারণের নিশান খুঁজে পরিযায়ী হতে শিখলেই স্মৃতিরা বয়স্ক হতে শুরু করে ।
দেখাহীন মন্দ -বাসায় রাখা থাকে অলীক অপেক্ষা ....নতুন কোনো জন্মের।

যেদিন শহরে সবুজ বাতাস ছিলো না তুমি আমি মুখোমুখি শ্বাস প্রশ্বাস বদল করতাম  তখন নিয়মিত ...,,
এখন দলে দলে বাতাস তোমার  ছাদ ছুঁয়ে ড্রইং রুমে বসে অদূরে গলায় বলতে শিখে গেছে...., "যারা কাছে আছে তারা কাছে থাক ...তারা তো পারে না জানিতে তাদের থেকে তুমি কাছে আছো আমার হৃদয়খানিতে"",
আমাদের দেখাহীন নীরবতায় কত নাটক মঞ্চস্ত
হলো সুবর্ণা তুমি আমি হিসেব রাখিনি কেউ ....
তাই না বলা অসুখ এই গঙ্গার বুকে স্রেফ থার্ড স্টেজে ভেসে বেড়ায় চোরা স্রোতের খোঁজে।
আর একে অপরের বুকের ঘরে একটা না হওয়া সংসার আলুথালু হয়ে ছড়িয়ে রইলো।

.......সুবর্ণা প্রিয় স্মৃতি

বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

সই(৩৩)

একজন সত্যিকারের মানুষ দরকার  ছিল যে খুব যত্ন করে  আমায় ভালোবাসবে ......
...........এত বড় জীবনে অজস্র  চরিত্রের মুখোমুখি হলাম ...অথচ একজন  নিতান্ত ভালোবাসাটুকু দেবার মানুষ পেলাম না!!
#সই

জমাট বুনন

শব্দগুলো গুটি গুটি পায়ে জমাট বাঁধে সম্পর্কের জটে, 
....কাঁচের বয়ামে রাখা ভালোবাসার মনগুলো তখনো দারুন অহংকারে আকাশের মালিকানা  খোঁজে কিসের জন্যে জানা নেই ।

অথচ অমরত্বর দাবি করে  হাতে হাত রেখে 
ভালোবাসা দিন খুঁজি মুখো মুখি নীরব হই যতবার,
যতবার ভাবি এবার থামবো কোনো অপেক্ষাশালায় নয় .... একটা নিজস্ব ছই এর নিচে ,,
 ততবার অজস্র মরীচিকা তাড়িয়ে বেড়ায় শহর থেকে বন্দরে ,। 
বন্দর থেকে  জল  থেকে তল ..তবু মন যেনো বারো ঘর এক উঠোন ,
উড়ে আসা ধূসর চাউনি দুফোঁটা ভালোবাসা রাখে না ,, গালে লেগে থাকা রুপোর বালি .....মন বলে যাকে চিনি তাকে চেনাটাই শেষমেশ মিথ্যে প্রমান হয় ।
যে বসন্তে কিছু মৃত্যু রং ছড়িয়ে যায় ,সেখানে সাবধান হতে  গুপ্ত হত্যার সংবাদ বাতাসে ছড়ায় পলাশের রেনু সাথে  ,,
ভাঙা সভ্যতায় জন্ম ....মৃত্যু দুই লেখা থাকে আমরা জানি,  তবু জন্মের আনন্দের থেকে মৃত্যুর শোককে আমরা দামি মানতে ভালোবাসি।
সুখকে ভালোবাসি ক্ষনিকের জন্যে ....শোক কে বুকের মাঝে যত্ন করে লালন করি গভীর প্রেমে ।

রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

ভ্যালেন্টাইন ডে

তুমিl আমি কেবল তীব্র পাগলামির কারণ হতেই পারো, তাই তোমায়  লিখতে লিখতে কখনো কালি ফুরিয়ে গেলে টের পাই না ...
ভালোবাসা শব্দটা একটা তীব্র খিদে বুঝলে ,
আর তাই সমস্ত মৃত্যুর চোখে চোখ রেখেও 
খুব সহজে জীবনকে ধন্যবাদ দেওয়া যায়।
চলে যাওয়া সুখের দিন গুলোকে জাবর কেটে
ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসিতে বলা যায় দিন গুলো বড় ভালো ছিলো ।।

আসলে প্রতিটা দিন ভালোবাসার দিন হতেই পারে যদি নিয়মিত তোমাকে লিখতে বসা যায় , 
জানতো তীব্র প্রেম আর খিদেতে মানুষ একফালি নিজস্ব হেমলক কিনে ফেলে ...... অথচ এই প্লাস্টিকের শহরে ফি বছর ভালোবাসার  বিশেষ দিনে   টকটকে লাল কলজে বিকয় কালোবাজারি দরে ।
আমার বড় সাধ এমন কলজে ছুঁয়ে দেখি ....তাতে
ঠিক কতটা প্রেমের আঁতাত থাকে ....তবু যতবারই
প্লাসটিকেই শহরে ভালোবাসার দিনের জন্মদিন আসে আমার ঘুম পায় সারা দিন রাত , 
ঘুম ভেঙে দেখি টকটকে লাল কলজে কিনবো বলে যে পুঁজি জমিয়ে ছিলাম তারা শব্দের বাজারে নিলাম হয়ে গেছে।
এমনি ভালোবাসার আয়োজনে  প্লাস্টিক এর শহর সাজুক ভালোবাসাহীন প্রেমের জন্য,,
আমার শব্দের ভেতর রোজ কিছু  অহেতুক ভালোবাসা ঘুমিয়ে থাকুক .......তোমায় জন্যে।
"HAPPY VALENTINE DAY TO UNIVERSE"









 



প্রমিস ডে

প্রমিস ডে
**********

#promise

To all the promises that were made,
Kept , not kept ...., The fact we are all here, alive, breathing and safe is greater then all the broken promises ......

কথা রাখা মুহূর্ত রা কেবল বহতা সময়ে  থাক ,
নিঃশ্বাসে বিশ্বাসী হোক সময় ,,
যারা ফিরে যায় তারা সময় নয় কেউ ... যারা বয়ে
 যায়  তারা বন্ধু নগরে বইতে থাকুক বৈতরণীর ঘাট পর্যন্ত ,, 
যা হয়েছে ভালোর জন্যে ,, যা হচ্ছে ভালোর জন্যেই ... যা হবে ভালোর জন্যেই ,, 
রিটার্ন টিকিট কেটে রাখা সকলের বুক পকেটে 
চিরন্তন কথাটা শুধুমাত্র বড় মিথ্যে এ গ্রহে ,
সমস্ত ভেঙে ফেলা প্রতিশ্রুতিরা মুহূর্ত বেঁচে থাকার থেকে বড় নয় ....বড় নয় ঘুম থেকে উঠে নিজেকে জীবিত দেখার থেকে ।
যেটুকু পাওয়া গেলো চেটে পুটে নিজেকে শিবানন্দ
ভাবতে পারলেই এমন প্রমিস ডের সার্থকতা।
"HAPPY PROMISE DAY TO UNIVERSE"

#সই

শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

ভালো সময়ের বয়স বাড়ে না

যে সময়ের বয়স বাড়েনি কখনো সেই সময়ে তোমাকে গুছিয়ে রাখি,,
সেখানেই একনিষ্ঠ মন্দ বাসার  সিলমোহর।।

___________ অজস্র  খেলাঘর তোমার পৃথিবীতে,,
 তবু ক্ষণজন্মা মেধাবী মনন্তিকার দাবি রাখতে পারি একমাত্র আমিই।
______________________ নির্বাণ অন্ধকার দিয়ে শুধু আলো ছাড়া অন্য কিছু হাঁটতে পারে না সবাই জানে ,, ..........অথচ খবরে....
শুনেছি তোমার পাশে তোমার ছায়াও দাঁড়ায় না আজকাল,,  ....শুনেছি নিকোটিনের আগুনে চেয়েও  প্রখর কিছু আজকাল তোমার আয়নায় তোমায় ধূসর বর্ন করে দেয় ।
 
শুনেছি স্নান সেরে কাকভোরে তুমি নিজেকে খিস্তি মারো নিয়মিত।
 
আমি কিন্তু আজও বৈষ্ণবীধ্যানে বসে  জীবন কে
ধন্যবাদ দিতে ভুলিনা,,,

নতুন পাতার শব্দ খেলা করছিলো কাল তোমার
আনকোরা হাসির সাথে

যে  লয়ে  আমার শ্বাস ফুরিয়ে যাচ্ছে সে লয়ে তুমি
আমার উদ্দেশ্য আসবেই একদিন জানি।

জমিয়ে রাখা আমাদের নিজস্ব কিছু গন্ধে প্যাস্টেল ঘষে কাল একফালি সূর্যাস্ত বলে গেল বছর কুড়ি
পরও সময় বৃদ্ধ হবে না .....কারণ আমরা আমাদের ভাঙা ঘর নিজেরাই গুছিয়ে নেবো।


শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

তুমি ও আমির তফাৎ

আমি খালি চোখেই তোমায় দেখি আমার দিকে এগিয়ে আসতে ....
তুমি দূরবীন চোখ রাখো ভালোবাসা খুঁজে নিতে ...।
আমি রূপ রেখার ছেনিতে তোমায় ঈশ্বর রূপে গড়ি।   তুমি  ...তুমি সমস্ত ভাঙচুর করে কেবলি শূন্যতা হাতড়ে বেড়াও চিরটাকাল।

আমি গরম ভাতে ঘি মাখিয়ে  তোমায় আসন পেতে বসতে দিই  ....বলি এসো হে তোমার খিদে তোমাকে  আমার ভগবান করে তুলেছে ....,

তুমি  তখনও ডাস্টবিনের এটো খাওয়া অভ্যেসটা থেকে নিজেকে সামলে রাখতে পারো না।

তবু  দু চারটে ভুলকে.. একবার ভুল বলেই ধরে নেওয়া  গেলেও অভ্যেস কে ভুল বলবে কি করে !

 আমি মৃত্যুর ফরমান হাতে নিয়েও হাসি মুখে কথা রাখার জন্ম দিনে উৎসবে মেতে উঠি উপাসনার মতো  করে ,,
তুমি প্রতিটা জন্ম দিনে আমায় একটা করে  গাড় কান্না  উপহার দাও ।
তবু মরশুমের সাথে  আমার গলার মালায় একটাও ফুল খয়েরী হয়নি কখনো ......,,
অথচ তোমার প্রতিটা শব্দেরা রাত পোহালেই 
বাসি দুর্গন্ধ এবং অ-পাচক হয়ে যায়  ভীষণ রকম।

দিন বদলায় না আসলে   বর্ন -বিদ্বেষ সীলমোহর
তার ছাপ কে গাড় করে স্রেফ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় 
আলো আর অন্ধকারের দিকে ,
জিত আর হারের দিকে ,
দৃশ্য আর  স্রষ্টার দিকে ,
তুমি যত বার   ধ্বংস করবে  তার থেকে অযুত বার বেশি আমি তোমায় গড়ে নেবো হে  …...।

সই(৩১)

শব্দের বয়ান সম্পূর্ণতা দিতে পারে না তাই শব্দহীন
সময় নিয়ে আসে এগারোই ফেব্রুয়ারি ......
আসে অসময়ের সুখ বৃষ্টি চোখের পরিসরের,
আসে এমন পরিচয় হীন জন্মদিন ....,,
সময়ের প্রবিষ্ট কারাগারে কিছু নামহীন সম্পর্কে
জিয়ন কাঠি লুকিয়ে রেখে ...হাসি মুখে কান্নাটুকু ঢোক গিলে ফেলার নাম অন্তর্বর্তী গল্প.....

#সই৩২

সই(৩১)

শব্দের বয়ান সম্পূর্ণতা দিতে পারে না তাই শব্দহীন
সময় নিয়ে আসে এগারোই ফেব্রুয়ারি ......
আসে অসময়ের সুখ বৃষ্টি চোখের পরিসরের,
আসে এমন পরিচয় হীন জন্মদিন ....,,
সময়ের প্রবিষ্ট কারাগারে কিছু নামহীন সম্পর্কে
জিয়ন কাঠি লুকিয়ে রেখে ...হাসি মুখে কান্নাটুকু ঢোক গিলে ফেলার নাম অন্তর্বর্তী গল্প.....

#সই৩২

সই(৩২)

শব্দের বয়ান সম্পূর্ণতা দিতে পারে না তাই শব্দহীন
সময় নিয়ে আসে এগারোই ফেব্রুয়ারি ......
আসে অসময়ের সুখ বৃষ্টি চোখের পরিসরের,
আসে এমন পরিচয় হীন জন্মদিন ....,,
সময়ের প্রবিষ্ট কারাগারে কিছু নামহীন সম্পর্কে
জিয়ন কাঠি লুকিয়ে রেখে ...হাসি মুখে কান্নাটুকু ঢোক গিলে ফেলার নাম অন্তর্বর্তী গল্প.....

#সই৩২

রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

মেরে আওয়াজ হি পেহচান হ্যায়

অমৃতস্যঃ কন্যা তুমি চললে অনন্তের পথে , 
জাতি ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে তোমার কণ্ঠে শব্দ 
কেবল মাত্র ঈশ্বর ছুঁয়ে যেত ...হয়তো ঈশ্বরের 
অধিবাস তোমার  কণ্ঠে ছিল ,
নাম গুম জ্যায়েগে ...চেহারা ভি ধুন্দলা হতে হতে
সময় মে খো জায়গা ... তেরে আওয়াজ হি পেহচান তেরি ।
সপ্ত সুরে স্বরস্বতী আর সেই বন্দীস তোমার কোমল মধুর কন্ঠে ,
সব মানুষ গান বোঝে কিনা জানা নেই শুধু জানি সব মানুষ ঈশ্বর অনুভূতি চায় ...তুমি শব্দকে লয় দিয়ে সুর সাম্রাজ্যে অসুর দামিনী হয়ে উঠেছ নিজস্ব মননে .....এমন গুনীনি সুর সম্রাজ্ঞী তুমিই ..তাই তো তুমিই অমূল্য রতন ভারত রত্ন ।
ইয়ে দুনিয়া জব কভি সুর কে সাথ হোগা তেরা সায়া সাথ সাথ হোগা ।
অমৃতস্যঃ কন্যা তুমি কোকিল কন্ঠি লতা জি
অনন্তের পথে তোমার যাত্রায় শান্তি ছড়িয়ে পড়ুক ....,
তুমি চিরন্তন তোমার পরিচয় তুমিই ...তোমার উপমা কেবল তুমি লতা-জী।

শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

সই(৩০)

রেখা গুলোও জমিয়ে রাখে স্মৃতি দের ধুলো
মনে পড়ে না আজ কবে কোন তিথি এঁকেছিলো
ছবি গুলো
#সই

শব্দহীন প্রতিশ্রুতি

শব্দের কাছেই না হয় হোক এবার শব্দহীন হওয়ার প্রতিশ্রুতি,
ভেঙে যাওয়া সঙ্গম আসর থেকে না হয় এবার বাসী গল্পেরা গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে ঝরে পড়ুক।
তোমার যেদিন  হৃদয়ের খোঁজে নগর-পরিক্রমন  শেষ হবে... .......সেদিন একটা ক্রান্তিয় উপন্যাস থেকে আমার কলম চিরকালীন নিস্কৃতি  পেয়ে  শেষমেশ আহুতি দেবে নিজেকে ।

আসলে একলা হওয়ার দায় নিজের কাঁধে সকলকেই নিতে হয় ,,
তবু কেউ কেউ ভিখারীপন ঢেকে ফেলে তাসের সাম্রাজ্যে থুতু চিটিয়ে কাগুজে প্রাসাদে ।
তিলোত্তমার সমস্ত প্রেমের আখড়ায় কেবল অনাত্মীয়র বাস যে  ..... সে কথা ভুলে যাই কেমন করে।
এসব ভাবতে ভাবতে নদী ছুঁয়ে দাঁড়ালে বুঝি....
নুড়ি ছুঁড়ে মারা গঙ্গার ঢেউ গুলোয় এক সময় আর কোনো দোষারোপের ঘোষণা করে না ,, অস্তিত্ব জুড়ে যেনো অনস্তিত্বের বয়ান মিলিয়ে যায় অনন্তে ।
সমস্ত মরশুমি পদাবলী গুলো কখন যেন প্রথম , দ্বিতীয় ,তৃতীয় ...জন্মদিন হেঁটে পার করে ফেলে ,,।

ভেতর থেকে ভাঙা মানুষ গুলোর মুখের হাসি আরো সুন্দর বর্নময় হয়ে যায় এ শহরে ,,
......একদিন যে শব্দের কাছে শব্দ-ঋণ বাড়তেই থাকতো ইদানিং সেই শব্দের কাছেই শব্দহীন হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হয় ওই হাসতে থাকা মুখের কাঁদতে থাকা হৃদয়গুলোকে ।

বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

সই(২৯)

ভেবে দেখেছি এই যে এত আয়োজন ...
আসলে সবটুকু বে-মতলব ...
সবটুকু সুখ কেবল ওই মুখোশ পরা মানুষ গুলোর
জন্যে বরাদ্দ ...
যারা দিতে জানে তারা হাতের রেখাটুকুও দিয়ে নিঃস্ব হতে পারে ,.....অংকের হিসেব জানে না বলেই....
#সই

খসে পরা তারা

কারা জেনে পর  হয়ে গেল  মাটি থেকে তারা খসা
পথের মাঝে  ,
টলোমলো কারু শিল্পের বিন্দু বিন্দু কুমকুম 
কপালের লিখন ঢেকে ফেলেছে , ক্রমশ তার সরে যাওয়া বারংবার প্রমাণিত করে হাজারো অনুশাসন এর বন্দীসকে ,
মঞ্চের দিকে এগিয়ে যায় এক পা দু পা করে 
ছায়া পেরিয়ে নেশার ঘোর বাড়তে থাকে ,
তার বলতে না পারা অবজ্ঞার ইশারায় আমি হেসে উঠি ......প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তার হিসেবি কারণ গুলো আজও  অথচ সে বুঝে উঠতে পারে না ।

....আমি হাসির পেছনে কান্না মুছে শহরের পথে নিজেকে লুকিয়ে ফেলি ,   বুঝবি না সুজন চোখের জল একটা সংকেত মাত্র .....বাকিটা বলা যায় না শব্দের পসমর্টেম করলেও , ......... একটা নিমন্ত্রণ রাখা রইল আমার মৃত্যুর পর আসিস দফতরি ব্যস্ততায় জরুরী ইস্তেহার দিয়ে ।