মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৮

বৃষ্টি কথা

++
মনে পড়া কোনো ক্ষন আজ একা নয় স্মৃতির
সেই পথ চলায়

কোন  যান্ত্রিক যোগ্যতা   আদ্রতা ভিজে যায়  অন্তরের না বলা কথা।
তারপর বৃষ্টির ফোঁটা ছুঁয়ে তিন সত্তির কাহন লেখা,
এভাবে তুমুল বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া,পথ চলা অসম্ভব ভিড়ে একলা হওয়া।
.
গভীরে শুয়ে থাকা কৃত্রিম সংসার যেন নাটকের অংক।
লেগে থাকা আদরের দাগ পথ এঁকে দেয়
বৃষ্টি ভেজা দিনের বুকে
আর অজানা কাব্যর পাতায় লেখা রাজা রাণী।
মনে পরে হৃদয়ের ফিসফিসে সেই তুমুল ওলটপালট।
হাওয়ায় উড়তে থাকা  আভরন, অন্তর দহন
নিরবিধি আত্মিক দায় একে,অপরের।
সব কথা বলা হয় না কোনো দিন।
শুধু অসময়ের মারাত্মক ঝড়বৃষ্টি,মনে পড়ে যায় না বলা অনেক কথাদের।
,
মনে পড়ে যায়
সেই না বলা,গড়িয়ে নামা বৃষ্টি,ভিজে শহরে প্রেম অপ্রেম
বুকের সাথে বুক মিশে,ঠোঁটের লেপ্টে থাকা বৃষ্টি কষা স্বাদ।
সময়ের পরিবেশন,উত্তাপের শহরে বৃষ্টি ভেজা পথ।
সময় অসময়।
আর তারপর সময়ের দুরতিক্রমণ বৃষ্টি ভেজা কথা আর তুমি আমি।

সোমবার, ২ এপ্রিল, ২০১৮

একবার

***************************
একবার আসতে দে শুন্য হাতে
একবার আসতে দে তোর আগুনে
একবার সময় থামার আগে তোর ঘরে
আসতে দে।
আমি ফুরিয়ে যাবার  আগে পালটিয়ে দে
আমার আকাশের রঙ।
একবার সন্ধে নামুক তোর সাথে,
একবার হাটতে দে তোর পাশে
তারপর ফিরে যাস চোখের তারায়,
একবার অগোছালো ঘরে অবহেলা
দেখে যা,
একবার কাঁদতে দে তোর বুকে,
একবার গুলো জমিয়ে রেখেছি
কোনো এক আগামির অংগিকারে।
প্লিস একবার মাত্র সব নিয়িমের দিনগুলো
তোর আমার স্মৃতি থেকে হারিয়ে যাক
একবার জন্মমৃত্যুর থেকে অনেক দূরে আমার
পাশে তুই চল।

রবিবার, ১ এপ্রিল, ২০১৮

স্লিপিং পিল

+++++++++++++++++++++
ঘুম তুমি আজ কাল মাথা নত করে আছো
স্লিপিং পিল এর পায়ের কাছে, রাতের নিদ্রাহীনতা
তোমার তোমার আশ্রয়ে বার বার, একটা স্বপ্নও আর
তোমার কাছে জিততে পারে না,, স্লিপিং পিল তুমি
জয়ী হলে শেষে।
মুড রিল্যাক্স পিল তোমার দরজায় সব হাসি আজ
হার মেনে নিয়েছে বিষণ্ণতায় ঢেকে ফেলেছে সব আনন্দে
তোমার একনিষ্ঠ অহংকার,,  মনের মেঘ সরাতে
তোমার হাত আজ জরুরী, কারণ আজ গোপাল ভাঁড়
হারিয়ে গেছে তার সমস্ত হাসির তুরুপ তাস নিয়ে,
ফিরবে না কথা দিয়ে গেছে এই মুখোসের পৃথিবীতে,
সেই শোনা মাত্র তুমি সকল মনের সাম্রাজ্য দখল
করতে শুরু করেছো,, জয় হোক তোমার মুড রিলিফিং
পিল।
ভালো থাকার সব উপকরণ আজ নিলামিতে তাই
ভালো আছে ভালো না থাকার সমস্ত উপকরণ।

খয়েরী রঙ এর কথা

***********************************
হাতের অগুনতি  রেখার মত ভাঙাচোরা
রেখায় আমি বয়ে গেছি সুজন তোর কাছে,,
আমি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে যখন তোর দিকে
হাত বাড়াই...  ততক্ষণ তোর সমস্ত দরজা
আষ্টেপৃষ্ঠে বন্ধ আমার জন্য।
আমি বোঝাতে পারিনি যে আমার অসুখের
রঙ তোর শতাব্দীকাল বয়ে চলা সুখকে ছোঁবে না
কোনোদিন।
এক সকালে একদল মেঘেদের হাত ধরে চলে
যাব  হাজার মেঘের ভিড়ে।
তোর  বার বার,, 'নট রিচেবল মুঠো ফোন,
বিরাম চিহ্নের সাদা কাপড়ে ঢেকে দিস তুই।

মেঘ থেকে জন্ম নিয়েও আমি অন্য মেঘেদের মত
হতে পারিনি,, বুকের মারাত্মক কাঠফাটা তৃষ্ণা  শান্তি দেয়নি
কখনওই।
সব স্পর্শ নিপুণ  আদোরে জমা রাখি দেরাজের সুগন্ধি
বাক্সে।
কাল মন রোগ বিশেষক বলেছেন অনেকটা আদোর
দরকার আর একটা বড় গাছ, যার ছায়ায় একটা নিশ্চিন্ত
ঘুম খুব প্রোয়োজন। এমন সব আগোছালো সময়ে
আমিও বড্ড বেহিসাব হয়ে গেছি,  যখন তখন তোকে
দাবী করি, আর দাবিহীন অনিয়মিত শর্ত গুলো তছনছ
করে ভাসিয়ে দিই অনিয়মের ধারায়।  ছেড়া বসন্তের
হলুদ পাতা বুকে চেপে সান্ত্বনা দিই নিজের স্নায়ুহীন
হৃদয়টাকে।
কিছু দ্বিধাদের খামে ভরে ডাকপিয়ন কে
দিয়েছি তোর  ডাকবাক্সের ঠিকানায়।
এমন করে কেন ভালোবাসতে শেখালি!
এমন করে কেন ঘুমুন্ত অনুভূতিদের জাগালি!
এমন করে কেন বলিস তুই আমার তুই আমারই,
শত জন্মে বার বার ফিরে আসিস আমার কাছে।