শুক্রবার, ৩০ জুন, ২০২৩

বাকিটা ভাংনের গল্প



 ক্ষতর উপর হাত রাখতেই 

পোশাক ছিড়লো অধিকার বোধের, 

ক্রমশ আগুন সেকে ছিড়ে পরলো 

বসত বাড়ি চিলেকোঠা ,, 

মৃত নিশ্বাস  কোনো  এক অজানা  আলোতে

স্নান  সারতে ব্যাস্ত । 


হৃদিকথা বোবা হয়ে যায়  এ শহরের প্লাস্টিকের 

ভালবাসা  দেখতে দেখতে, 

দাঁড়িয়ে থাকা প্রেমিকের মনে মীরজাফর  জন্ম নেয় 

প্রাচীন  হরফে লুকোনো  কালো  রক্তের বোবা প্রতিবাদী 

চিহ্ন,, 

বিকিকিনি,  হাত বদল,  আর সাজানো ক্যাফেট এরিয়ায়

পারিজাতে  সব ফুল আসলেই  নকল, 

সংগমে মাটি কেঁপে  উঠলেও  তথাগত  চোখ  বন্ধ রেখে দেন

সমস্ত কান্নার জন্মদিনে।


#সই( বাকিটা  ভাংনের গল্প)

 

বুধবার, ২৮ জুন, ২০২৩

ভালবাসা মানে তার নিজে ভালোতে বাস কারতে শেখা"

"ভালবাসা  মানে তার  নিজে ভালোতে বাস কারতে  শেখা"

.

আশমানী সামিয়ানাটায় লেখা গল্পেরা ঝরে পরে, 

স্বপ্নের  আকাশবাতি ঠিকানা  জানে না... জানে না 

ন্যাভিগেশন খুলে কি ভাবে গন্তব্যে  পৌঁছাতে  হয়। 

হাজারো  ক্ষতদের ঝরিয়ে ফেলে আকাশ ওই 

মাটির বুকেই ,  স্বপ্নের নটে গাছ কখনো  বোধিবৃক্ষ 

হয় না তবু। 

মন অপেক্ষা  শব্দটায় মোহের গিঁট  বাঁধলেও  সময় 

সে গিঁটে আড়ালে  ফসকা গেরো দিয়ে রাখে,, 


ঘরে ফেরার অপেক্ষায়  মুঠোফোনে  চেনা  অক্ষরবন্ধনী

ইশারা  রেখে যায় ... অথচ সময়ের ঘরে চিরকালই  ভুলের

বাস তাই দুইয়ে দুইয়ে চার হয় না শেষ মেষ । 


অথচ ভালবাসা  প্রমাণ  করতে খুব বেশি  দাম  দিতে হয় না 

ভালবাসা  আসলেই কুঁড়ে ঘরে চাঁদের  আলোর মত, 

ভালবাসা  আসলেই আত্মিক  স্পর্শ  

ভালবাসা  আসলেই  নিজের ভেতোরে ঈশ্বর কে খুঁজে 

পাওয়া আর তারপর অন্য সমস্ত  চাওয়া পাওয়া বড্ড নগন্য 

মনে হয়। 

ভালবাসার থেকে বেহতর  কিছু হয় না, 

আসলেই এই বর্ষণ এই আকাশের সামিয়ানা 

থেকে মুক্তির গল্পের মাটিতে হারিয়ে যাওয়া  

এসব কিছুই এক অপেক্ষা  থেকে আর এক অপেক্ষায় 

হেঁটে  যাওয়া  ভালবাসা। 


#সই

(ভালবাসার নগর) 



সই(৬৭)

না থাকা জুড়ে  থেকে যাওয়া  আরো স্পষ্ট 
বই চাপা শুকনো  গোলাপে টাটকা সৌরভ 
হাসে, 
স্মৃতির পাতায় জীবন  বাঁচতে  চায় খুব
করে, 
বালিশের কানে কানে রাত বলে দেয় নির্ঘুম  রাতের 
মুখচোরা কাহিনি, 
বাসি কাজলের  নিকোটিন পোড়া সহবাসী গন্ধ বড্ডই তীব্র, 
অথচ বাঁচতে  চাওয়া  মৃত্যুটা নাম গোত্রহীন  প্রেমটুকু 
এপিটাফে লিখতে পারে না, 

#সই


ভগ্নস্তূপ

 আর ফিরবে  না সময়...
. পায়ের ছাপ  মুছে ফেলও
...  ঋণ আঁকা সময়ের ক্যানভাস টা ছিঁড়ে ফেলও

 স্বচ্ছ কাঁচের পাঁচিলে এঁকে ফেলো হাস্নুহানার 
মিছিল ,
ঠোকরানো রোজনামচা থেকে  হারিয়ে গেছে হরফে 
মেলবন্ধন সিঁড়ির ধাপ পেরিয়ে কাল ভৈরবীর স্রোতে ,,

 ল্যাপটপের পাসওয়ার্ড এবার বদলে দেওয়া দরকার 

ফিরবে না আর কখনো  অপেক্ষায়    করা  চোখ 
একটা অপেক্ষা  অবহেলায় মরে যায়  একদিন...
 ,
 সময়ের  সহবাসে লিপ্ত কিছু 
ভগ্নাংশের কান্না সময়ের বুকেই   চিহ্ন স্বাক্ষর মাত্র ,, 
স্পটলাইট  নিভে যায় 
চরিত্রের গায়ে আবারও নতুন পোশাক... 
এভাবে 
 আমরা নিশ্চিত হারিয়ে যাই প্রাচীন হরফের মত ,
যেখানে কখনো কোনো আবিষ্কার
পৌঁছতে পারবে না, 
কেবল হারিয়ে যাওয়া বুকের পাটাতনে চরিত্র আসে
নতুন রুপে। 

রবিবার, ২৫ জুন, ২০২৩

বিপরীত কাব্য




বাক্স পেটারা গুছিয়ে রাখা হয়েগেছে... 

শব্দ-বন্ধনীর প্রতিটা পাতা সাফ সুতরা করে 

ইস্তিরি  করে রাখা এখন, 

ছড়িয়ে  ছিটিয়ে থাকা আফসোস গুলো সাফ করে

জার্ম-ক্লিনার দিয়ে ধুয়েমুছে  নেওয়া হয়েছে, 

  ভাঙ্গা আয়নার পাশে পুরোনো  কানের দুল থেকে

স্মৃতিরা এখন আর হাওয়ায় দুলে ওঠে না মুচকি হেসে। 

সময়ের মত মানুষ ও একদিন ফুরিয়ে যায় 

তার গলার স্বরে  কান্নারা হস্তাক্ষর লিখে দেয় নিয়মের

বাইরে ,, 

উঠোনের তারে রোজ কিছু ভিজে যাওয়া  না বলা

কথাদের শুখিয়ে নিতে হয় ... কারন না বলা কথাদের 

রক্তক্ষরণ  গড়িয়ে মাটি  ছুঁয়ে  ফেলা  নিষেধ। 


কখন  যেন  সব গুলিয়ে যায় সমস্ত  অভিধানের 

বাইরে এক অচেনা  সফরে  আজনবী...

দরজা খোলা  সভ্যতায়  কাছাকাছি  মানুষগুলো 

কখন  যেন  একে অপরের বিপরীতে  হাঁটতে  থাকে 

অথচ ওরা হয়তো বা এক কফিনে  ঘুমোতে চেয়ে 

কোনো একদিন পারিজাতীয় সংগমে একে অপরের 

হাতের রেখাদের একাকার করেছিলো,,

....তবু কেউ কাউকে  আটকে রাখতে পারে না.... বিপরীতে 

হারিয়ে  যেতে। 


#সই (বিপরীত  কাব্য)




শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩

সই(৬৬)

শব্দ করে সে যখনই  আমার শাখায় 
এসে দু দন্ড বসে... বুঝি ভালবাসা  মরে যায়নি,
বুঝি হারিয়ে যাওয়ার  ভেতরেও এক অদৃশ্য প্রাপ্তিতে
ঝুলি ভরে আছে... বুঝি বাতাসে আজো কিছু মিস্টি
ফুলেরা সৌরভ  ছড়ায়,, 

#সই

যেতেই হয়



 যেতেই  হয় একদিন... যেতেই

   হয় কারন পৃথিবী চিরন্তন  নয় 

বিশ্বাস  করো না করো একাই সফরে নিজের

সাথে নিজের সংগ দিতে হয়। 

রবি ঠাকুরের  কবিতা কোনো  মৃত্যুরই  ওপারেই সাথে 

থাকে না, 

মানুষ  চিরকাল  নিজেই নিজের ইস্ট দেবতা, 

সময়  মরসুম বদলের সাথে টিক টিক 

শব্দে হেঁটে  যায়, 

পাথরের কোনো  নেশা নেই সে  যুক্তিহীন অহল্যার

ভুমিকায় 

আর ইতিহাস  পড়ে থাকে সময়ের দেরাজে।


#সই

 

ফিরে যাওয়া যায় না


... 

.সবাই ফিরে আসে না কারন  সবসময় পথ

সে ইজাজত  দেয় না, 

নদীর  পাড় ভাংচুর হয়  সাথে থাকে ভাংনের

কান্নাটুকু। 

এ শহরে পুর্নতা অপুর্নতা সবই কাঁচের বয়ামে সাজানো 

এ শহরে রবি ঠাকুর  আর সুভাসবোস  মানে সাজগোজ

করা মঞ্চ , এ শহরে অধিকার শব্দটা পা কিংবা  গা চাটার

প্রতি শব্দ, 


তবু মানুষ  চিরকাল মুসাফির  আর তাই জন্মের 

দায় কাঁধে নিয়ে ধোপদুরস্ত পোশাকআশাকে ফেরি

করে জীবনের হিসেব।

অথচ  এই শহরে নাগরিক ভুমিকায় কেউ ব্যার্থ নয়

সকলেই শ্রেষ্ঠ  নায়ক কিংবা নায়িকা এক কথায়

শ্রেষ্ঠ  অভিনেতা। 


#সই

(ফিরে যাওয়া যায় না)




শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০২৩

শব্দের স্পর্ধা


... 

শব্দের  কোনো  নিজস্ব  ঘর নেই

তবু শব্দগুলো  ভাবনার দেওয়াল গেঁথে  চলে দিন

রাত,,

কখনো ওরা স্পর্ধা , কখনো  ওরা সমুদ্রের  তলায়

লুকিয়ে  থাকা ধ্যানমগ্ন তথাগত, 

কখনো  বা শব্দেরা খুব সাধারণ  গল্পের নাগরিকের

চোখের ফ্যাকাসে চাহনি,  

অস্থির  জ্যোৎস্ন্যা অথবা চারফুট

বাই চারফুট বেঁচে থাকায় গভীর  সংগম।

কখনো  এই শব্দেরা দেশলাই বাক্সে ঘুমিয়ে থাকা

আগুন , কখনো বা গাছের সংসারে পাখিদের স্বপ্ন-বুনন,

 শব্দের স্পর্ধা  কিছু কম নয়... 

শব্দ বাঁচতে  শেখায়, শব্দ মরতে বলে, 

শব্দ থালায় রাখা উচ্ছিষ্ট  জীবন, 

শব্দেরা কর্পোরেশনের  শব বয়ে নেওয়া গাড়িটায় রাখা অদৃশ্য মুক্তি দৃশ্যত আওয়াজ,,

এই বেঁচে  থাকা জুড়ে   এই ভেতর ও বাইরে  এবং  তারও পরে

 স্তব্ধতায় ও নিরবতায় নিরন্তর 

এই শব্দেরা  সাথে সাথে হেঁটে  যায় ... 

হেঁটে  যায়  আগুন পেরিয়ে আসমানী   পথে,

শব্দের  কোনো নিজস্ব  ঘর নেই কোনো কালেই 

তবু শব্দের  স্পর্ধা  কিছু কম নয়।


#সই

(শব্দের স্পর্ধা) 



*

ডেথ এন্ড লাভ

ভালোবাসা কাকে বলে জানা নেই 
তবে ভালোবাসায় বসত করে একটা গোপন মৃত্যু ।
মানুষ সপাটে  থাপ্পড় মারে নিজের গালে ,

তারপর হয়তো অন্যমনস্কতার দখল থেকে
বেরিয়ে আসে মন   আর সে মন 
আঙুল দিয়ে অদৃশ্য কেউ লক্ষণ সেজে নির্দিষ্ট করে গন্ডি  কেটে বারংবার
সাবধান করে রাবণ এর চালাকী থেকে।
তবু...তবু
নির্দেশিকায় জমা পড়ে একটা সফল ডেথ সার্টিফিকেটর আর পুড়তে থাকে অস্তিত্ব ,
ভালোবাসা দীর্ঘজীবী হয় আর মৃত্যু এ
কাহিনী লেখে ....



ডেথ এন্ড লাভ 
...সই

বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩

তাহাদের কথা


বুকের ভেতোর  'দ'এর মত ওরা থাকে 
বসত করে পরম আশ্রয় চায়,
দৈন্য যাপনে  ওরা আমায় ঘিরে ঘিরে বাঁচে
অথবা আমি ওদের জড়িয়ে। 
এ শহরের ভীড়ে মন হারিয়ে যায়  তবু  ওরা সংগত
হারায় না, 

সম্পর্ক  বুনে নেয় আমার হাড় পাঁজরের  মজ্জায় 
আমোঘ প্রেমে বুকের  ভেতর কুরে খায়  ছইয়ের 
বাঁধন...  রক্ত ছলকে পরে গলার কাছে
ওরা দলা পাকিয়ে  ভীড় জমায়... মহেন্দ্রক্ষনে 
অধিকার  করে নেয় এই আমিটাকে। 

ক্লান্ত বালিশ আঁকড়ে  মুখোমুখি যখন  দিন যাপনের
কথকতা  চলে মনে হয় আয়নায় সেই চেনা মুখের আদল
যে আদল একদিন  দুঃখ  ডাক নাম রেখে 
মিশে গেছে আমারই দহন দ্রোহে,, 

খুঁজে  ফিরি ভিড়ের মহড়ায়... জীবন  সংলাপে 
কখনো  কখনো  মুছে গেছে ওরা  আর তখন 
হাতড়ে বেড়াইব  নিজের  ঘরে  এক অপেক্ষা 
আমার উত্তরের বারান্দায়  মরসুম বদল  হয়েছে 
তবু সমস্ত না থাকায় ছায়ার  মত ওরা আমাকে ঘিরে
আমাতে বাস করে জন্মভর।
মানুষ  আসে যায়  কারনে সম্পর্ক  গিঁট  বাঁধে 
ওরা লুকিয়ে  অপেক্ষা  করে  ওরা অপেক্ষায় থাকে ঘুম না আসা  রাতের দোরগোড়ায় মানুষের  , 
যে রাতে বালিশ  আঁকড়ে  নদীর  গল্পে সভ্যতা  ভাংচুর হয় সে রাতে ওরা থাকে পাশে পাশে কাছে কাছে অন্তরমহল বিছিয়ে,,
 ওদের  যারা  ওদের ভয় পায় ... তারা দুঃখ বলেই 
দূরে সরিয়ে দিতে চায়
এ মন ওদের অপেক্ষায় এক জীবন চাতক।

তাহাদের কথা
#সই



সোমবার, ১৯ জুন, ২০২৩

জন্মদিন

আয়ু পথের মাইল ফলকে 
সংখ্যা  সিঁড়ি  বেয়ে আকাশের 
দিকে এগোতে থাকে... 
 জীবনের কাছে  কথা রেখে
মৃত্যু  দিকে আরো একটু  এগিয়ে গেলাম আমি,

...সময় সেদিনও  এক বৃষ্টি মুখর ভোরের  শেষে 
এক ফালি আলোর  জন্ম দেখেছিল
সময় আজ সে আলোর জন্মদিন। 

#সই

রবিবার, ১৮ জুন, ২০২৩

রুপকথা এক মৃত্যু

মৃত শরীরটায় হাত বোলাস না পচে যাওয়া  মাংস
খসে গেছে বহুদিন হলো  মাটির  সাথে মিশিয়ে ফেলেছে
সমস্ত রুপকথা , 
তোর সোনাই এখন মৃত  আর মৃত সেই তুই নামক বেঁচে থাকা,
এখন ফুলেরা বিসর্জন এর পরে অস্তিত্বের কাঠামো ছেড়ে গেছে,

এখন স্বপ্নেরা ছাই সাথে আকাশে হারিয়ে গেছে, 
এখন 'দ' এর ভুমিকায় সুখ ঘুম বলে কিছুই  নেই। 
তবু মুঠো  খুলে দেওয়ার নাম আজ আর মৃত্যু  নয়
তবু সুখের  ঘরে আজ শান্তির ঘুম নামে সিলিং বেয়ে, 

কিছু মৃত্যু  ভুলে যেতে হয় দুঃস্বপ্নের মতই 
শরীর পুঁতে  ফেলা কিংবা  আগুনে স্মৃতি  পুড়িয়ে 
ফেলা সহজ হয় কারন পুঁজ রক্ত আর পচে যাওয়া 
সম্পর্ক  স্মৃতি  কেবল  সময়ের ঘরে আবর্জনা, 

মৃত শরীরটায় হাত বোলাস না  পচে যাওয়া  মাংস আর
মন বহুদিন হলো  মাটির সাথে মিশিয়ে  ফেলেছে  রুপকথা। 

#রুপকথা এক মৃত্যু
#সই

বুধবার, ১৪ জুন, ২০২৩

নিখোঁজ সে দিনের গল্প

নিখোঁজ সে দিনের গল্প 



সময়ের দরজায় দাঁড়িয়েছে সে এক হৃদয় ঘটিত কাহিনি

উত্তরের  বারান্দায় মরসুম বদল দেখতে দেখতে তার রহ্যসে

বুঁদ  হচ্ছে মন, 

ক্রমশ  মিথ্যেগুলো  স্বপ্নের  গায়ের  পোশাক  খুলে নিচ্ছে। 

রুপকথা  নিজেরই  ভেতর মরে গেছে হঠাৎ  একদিন...

যেমনটা তুমি আমার ভেতর। 



সত্যিগুলো কাঁচের বয়ামে কেবল কোনো এক জন্মের 

ইতিহাসের মত... অথচ অসম্ভব  রকম বোবা, 

বালি ঘড়ি ছায়াপথ অতিক্রম করে,...  অতিক্রম  করে হাতের

রেখায় সাজানো গল্পের মাইলফলক, 

হ্যাঁ  মুখ গুঁজে  কাঁদতে থাকা সত্যিগুলো  চোখ  মুছে সুখের

আয়োজন  শিখে নেয়... আর তারপর কোনো এক তারিখে 

মৃত্যুর কবিতার বুকে জন্ম নেয়  রঙ বেরঙের হাইড্রেনজিয়া, 

তুমি ফুলের রঙ বদল দেখে  ভেবে নিয়েছো এ নষ্ট হৃদয়ের গল্প হয়তোবা , 

আসলে তুমি কি জানোনা  যে মরসুমে আকাশ, বাতাস, গাছেরা বদলে ফেলে নিজেদের  চরিত্র ...। 

তুমি কি জানো না এ বদলও  এক আলোর দিকে হাঁটতে থাকার নাম...  বেঁচে থাকার নাম।

এখনো কি সমস্ত  প্রশ্নেরা দ্বিধার চৌকাঠ পেরিয়ে যেতে  পারেনি?

শুধু জেনো...

ভাঙা যৌতুকে পাওয়া অদৃশ্য কাঁচের আড়ালে ঈশ্বর 

একটা মিথ্যে গল্প লিখলেও ইচ্ছার কাছে বহু গল্পে ঈশ্বরও মাথা নিচু করেন কখনো কখনো।  ,

বাকিটা না হয় হৃদয়ঘটিত হয়েই থাক বাকি পথটুকু।



ফিনিসিং লাইন (The hidden story)

ফিনিসিং লাইন

মাথার নিউরনে  গুঁজে  রাখা স্বপ্নেরা নিজেদের সমস্ত  বয়ান

লুকিয়ে রাখতে চায় এবার, 

 আসলে এ শহরে সব কথা বলে ফেলা বারণ

অথচ  এ শহরের  কোলাহলের সামনে তোমায় কিছু 

বক্তব্য  রাখতেই হয়। 


একটা ভিড় আড়াল করা চিলেকোঠায় কয়েক দিস্তা 

লুকিয়ে রাখা যন্ত্রনা নিয়মিত  কলেবর বাড়াতে মগ্ন, 

এ শহরে তেমন বৃষ্টি আর নামে কই যে আগুনে পুড়তে  থাকা

মনকে স্নিগ্ধ  স্নান করিয়ে ধুয়ে  দিতে পারে যন্ত্রনা ! 

কল্পনার ছায়া শরীর এর দাহ সেরে মন অভিমানের পাহাড়  থেকে নেমে আসে শব্দহীন দীক্ষিত  হয়ে । 


 মন উপন্যাসের লেখাগুলো একদিন ঠিক   মিলে যাবে ভেবেছিলো ,  

ভেবেছিলো ফুটপাতে ছড়িয়ে  থাকা নিকোটিন 

এর যন্ত্রনা  আদ্যোপান্ত নখ দিয়ে খুঁটে নিয়ে নিজের খুঁটে বেঁধে  ফেলবে সে ঠিক  নিজের মত করে, 

অথচ নিজস্ব  উপন্যাসটাকে দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখে 

মনে হলো  গল্প নয় সময় সত্যি  আর সত্যি সময়ের সাপ লুডো 

খেলা... একটা ফিনিসিং লাইন আর একটা  সময়ের  শুরুয়াতে দাড়ি টানে। 


#(ফিনিসিং লাইন The hidden  story) 




.


বৈপরীত্য

বৈপরীত্য 

.

ভালো থাকা আসলে শিখে নিতে হয় 

কিংবা  ভালো থাকাকে জড়িয়ে  নিতে হয় 

নিজের খোলসে,  

বৃষ্টির জলে যেমন জলন্ত  জৈষ্ঠ্য ভালো  থাকা খুঁজে নেয়।

খুঁপৃথিবীতে আশ্রয়  শব্দটায়  কেবল বুকের পাঁজরে


গুঁজে  রাখা ইচ্ছা চিরকুট 


আর ভালোবাসা  শব্দটায় আজো মিশে থাকে চেনা  গায়ের


নিজস্ব গন্ধ, 


তবু তফাৎ  খুঁজে  মরে মানুষের মন হাজারো অজুহাতে। জে পায়। 

এ 

ঈশ্বরের  ঘরে নিয়মিত  বাড়তে থাকে আজস্র আর্জি 

তুই বাজারের থলেতে নিয়মিত  কিছু আঁশটে  স্বাদ কিনে

নিজের ভেতোরে  ফিরে ফিরে আসিস রোজকার কিস্তিতে। 


একটা জীবনের  কাছে আর কিই বা চাওয়ার থাকতে

পারে... কিছু রঙিন  সুতোর বুননে নকশীকাঁথায় মাটি

ঝড় আর আকাশের কথা এই তো এক জীবনের সামগ্রী,, 

তবু তুই নামক কেউ কেউ ঘুড়ির মত ভোকাট্টা,

তবু তুই নামক কেউ কেউ রবিঠাকুরের  গল্পে ভীষণ 

রকম অমলের অসুখ, 

তবু তুই নামক কেউ কেউ বার বার ঘর ভাংচুর 

খেলার নেশায়  চালাক সাজা রাজা,, 

অথচ সময়ের হাপরে জ্বলে  পুড়ে কিছু মন যখন 

ভীষণ  শান্ত  স্নিগ্ধ  কোনো  নদীর মত বইতে শিখে নেয়

সে মন আর বোকামি  করে না। 




সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩

একলা কথা


পাখির ঠোঁটে  আমার একাকিত্মর চিরকুট  পাঠিয়েছিলাম
সে রাতে মেঘ কেঁদেছিলো বালিশে মুখ গুঁজে, 

সকালের চটকানো  সূর্য  একটা  চোখের  মত আয়নায় 
নিজেকে  দেখতে চাইলো প্রথমবার,
বেলা বাড়লেই ছায়ারা একলা পথ চলে
দল ছুট মেঘ  আকাশ কে জড়িয়ে ভরসা খুঁজে মরে,

যে পাখির ঠোঁটে  আমার গোপন বার্তা  ছিলো 
সে বার্তা ভেসেছে কাগুজে  খেয়ার মতই
আমার একলা  বেলার সমস্ত গল্পেরা 
ওই দলছুট  মেঘের  মতই 
ওই ছায়ার একলা  পথ চলার মতই। 

#সই (একলা কথা)