জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০
হিসেব
বিদায় 2020
বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০
বৃশ্চিক
পাগলের অভিসম্পাত
কাল সাপের আয়ু
মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০
গুপ্ত হত্যা
রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০
সুবর্ণা(৯৭)
শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০
আমার কিনারায় সে
বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
মৃত্যুর আগে
বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০
ঈশ্বর এর হার
শয়তান এর ইচ্ছা
মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০
সময়ের ধারালো প্রেম
সর্বংসহা
শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০
বরফ কথা
বুকের মধ্যে বরফ জমে , সম্বলে নেই লেপ কিংবা নিদেন ছেড়া চাদর , চলশক্তি হীন হয়ে পড়ে আমার শহরের সম্পর্কগুলো
এভাবে যখন বরফ জমে .... পুরুনো বাড়ির
স্মৃতি স্বপ্ন থেকে নেমে এসে চুন সুড়কি খুলে ফেলে প্রবল শীতেও ভিজতে চায় একটা ঘন বর্ষণে , তুমি ভাবতেই পারো তোমার একান্ত ঋতু বদলে আমার ক্ষতরা বাড়ে ......ভুল তোমার শতাব্দীর ভাবনা , আমার বাড়ি ঘর , ছেড়া সম্বল , সব কিছু মুঠো খুলে দিয়েছি ।
তোমার কাছিমের মত দুঃখ কখন যেন আমার ঘুমন্ত পথের পাশে পথ করে এগিয়েছে নিজ গন্তব্যে,
সামান্য দরে বিকিয়ে যায় এখন সময় , আমিও ভাবি দু এক মুঠো কিনে নিই..... সময় রাখি নিজের ভালোলাগার চিলেকোঠায় , ঠিক তখনই মায়াময়
দু চোখে আমার সামনে আসে ....আমি ফিরে আসি হেরে যাওয়া সন্ধ্যায় , যে অন্তরে বাইরে
ভিজিয়ে নিচ্ছে অভাবের ঘরে অভাব তারই চিরকাল ,
নিজের থেকে বেশি চাওয়ার মাশুল দিতে দিতে
ক্লান্ত রে সুজন আমি , তোর পক্ষে আমার ক্লান্তি কিংবা আমায় দত্তক নেওয়া যে সম্ভব নয় বুঝি, এবার একটা বিষ বৃক্ষের নীচে আমায়
পুঁতে দে , তবু ঝুলি ভারী করে আমার বোঝা নিয়ে ফিরিস না দিকভ্রান্ত হয়ে ।
বুকের ভেতর বরফ জমে
তোর মত আমারও একলা লাগে তবু আমি সময়ের বিকিকিনি করতে শিখলাম কই ......।
শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০
পায়ের ছোপ
নিমন্ত্রণ পত্র
ইচ্ছামতির উপকথা
বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০
বিশল্যকরণীর খোঁজ
মাধুকরি মন
অপেক্ষার অনন্তকাল
বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০
আর একটা মৃত্যু
মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০
মন
শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০
বাউল মন
বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০
বিশু পাগলা
নিজের মুর্শিদ
আমার
আকাশে একাই উড়ি পাখির মত
সামনে গাছ হয়ে উঠি আমি নিজেই ,,
মাাটির অন্তঃস্থলে লাভার মতো ফুটতে থাকি
যখন পথ
তখন আমার সামনে আশ্রয় উঠি একমাত্র আমি ,,
আমার নিজের দিকেই,
পুড়ছে
মনে আড়ালে, চোখের সামনে , দাউ দাউ শ্মশান
যা কিছু পুড়েছে সবাই
ওলট পালট করে
কেউ কেউ আবার
যেমন ভালোবাসায় পুড়ছে বুক ,
পুড়ছে কামনার শরীর,,
প্রতিশ্রুতি, সময়ের খুদকুশি পুড়ছে ,, সবাই দেখছে কেউ কেউ ব্যস্ত বলে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ,
আশ্চর্য গনগন আগুনে কেউ কেউ কি নিপুণ চারুশিল্পে চুপ করে মুখ বুজে
একই ঘরের বাসিন্দা
সে কেন্দ্রিক
সেলাই মেশিন
বে মতলব বারিষ
বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০
মানুষ বাঁচে কেন
দেয়ালে টাঙ্গানো ওই ঘুড়িটার মত
কেবল ওড়ার অপেক্ষায় সময় জমাচ্ছি
আগামি বাচাঁ র জন্য... যখন
হাতের মত মুখের চামড়াতেও অসংখ্য কাটাকুটি
খেলার রেশ, সেদিন সময় থাকবে কিন্তু ঘুড়ি বা
আমরা কেউই আর আকাশে উড়তে পারবো না কোনো প্যারাগ্লাইডিং এডভেঞ্চারে,
কেবল আকাশ দেখতে দেখতে সাদা রঙ্গা সে
ঘুড়িটি হয়ে যাবে ফ্যাকাশে, আমাদের চাহনিতেও সে বিবর্নতা,
পারিজাতে শব্দ জব্দ ভেঙে ভুমিকম্পও
থাকবে তবু .... কোনো হসপিটালের বেডে
বোধ শক্তি হীন হয়ে পড়ে থাকব অন্য কোনো সময়ের অপেক্ষায়.....
আস্তে আস্তে জমবে ধূলো
অতিত সময়ের ফোটোফ্রেমে, সময় বার্ধক্যের মত চিড় ধরে তা হয়ে যাবে ধ্বংস-নিবিড়স্তুপ,
পাহাড়ের গায়ে কাচের ঘরে নদী দেখতে দেখতে
তার শব্দ রঙ নিয়ে ছবি আঁকার সময় থাকবে অফুরান অথচ..... হাত কাঁপতে থাকবে কোন তিরতির৷ ভাবনায় বয়ে যাওয়া নদীর মত সে দিন আর ছবি আঁকা হবে না,
দামি কোনো বিদেশি ক্যামেরা নিয়ে ঘন জংগলে অপেক্ষা করতে পারবো না দীর্ঘ ঘন রাত... কোনো এক শৃঙ্গ গন্ডার দের পদক্ষেপ কেমন করে অন্ধকার রাতের নিস্তব্ধতা চিরে ফেলে নিজেদের চিহ্ন রেখে যায় ..... এসব দেখার, অনুভব করা হয়ে উঠবে না... আহঃ.....তখন প্রতিটা রাতের ঝিঝিট এর আওয়াজ বলবে এ সময় শুধু নিঃস্বতার আওয়াজ শোনার,.....
.......এ দুঃখ বলবো কাকে কে শুনবে এসব কথা,
সবাই বলে অপেক্ষা ..... কেবল অপেক্ষা ।
আমি জানি আর উড়বে না আকাশে ওই দেওয়ালে টাংানো ঘুড়িটা কারণ, অপেক্ষার
আর আকাশ এখন আমার দোসোর।
স্থিত চিত্ত
একাকি এই রাজপথে নিঃসঙ্গ পথচলা চিরকালের,
পথের অন্তরালে তুমি বা তোমার মত ছায়া;
হয়তো দ্রোহের মায়াজালে
শূন্যতার প্রতিশ্রুতির......
তোমার আমার মাঝে আয়নায় গোপনীয়তা
এখন গভির অন্ধকার, চারিদিকে অন্ধকার।
তোমায় দেখতে গেলে অন্যের জানলায় মুখ বাড়াতে হয় আমায়,
এমন চারুশিল্পের মিথ্যে অস্পৃশ্য ছোঁয়ায়
ভিজে গেছে হৃদয় আমার;
কাব্য ময় পাতায় পাতায় লুকোচুরি ছায়াদের
ধ্রপদী নৃত্যের পদাঘাত , তোমার না বলতে পারা ভালো থাকা গুলো প্রকাশ পায়,
তাই কখন যেন ঝরে পরে সমস্ত প্রতিশ্রুতি,
আর তারি সাথে সম্বল,.... এই বেশ ভাল,
অপেক্ষারা কেবলি নিঃশব্দে নিঃস্ব করে
অথছ একাকিত্বের সে ভয় নেই,
এটাই ব্যর্থতা স্বাপদ শব্দ জড়ো করা
ছায়ানটের দিকে লেখা শেষ চিঠি,,
সময়ের বিড়ম্বনার আড়ালে মুখ আর মুখোশ ঈশ্বর কে তার আসন ছেড়ে নিয়ে এসেছে
ক্ষমতা হীন করে,
ঈশ্বর হাসতে পারে অথচ নিজের আয়নার সামনে
নিজেকেও তথাস্তু বলতে পারে না আর,
--------------------------
তাই বিবর্তনের মাঝেও আজ অভিশপ্ত ভালবাসা,
আজও এই ‘আমি’ একা....
আলো একার মত,, নেই জরা ভরা শোক,
স্থিত চিত্ত ....এক দর্শক আমি তোমার দেখানো দৃশ্যের।
মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০
ফেরারী মন
গুছিয়ে নিয়েছি নিজের ডিঙি
চাঁদের নীচে দাঁড়িয়ে কাঁদব হাজার
কুয়াশা ভিজে শরীরখানা পাথর হয়ে
হাত ছাড়িয়ে নিয়েছ সব
শীতের ভরে যখন কখনও কেঁপে মরেছে
যেদিকে যাই, সেদিকে এত ভীষণ লাগে মেকি,
নিজের কাঁধে নিজের হাত নিজেই রেখে বলি
এবার তবে চলি ,
সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০
হৃদিয়া
রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
কয়েক মিনিট
সমস্ত টুকুই কয়েক মিনিট সেরে ফেলা সংলাপ
এখন, কখন কষ্ট ঢাকতে তার চেয়েও বেশি
যন্ত্রনা চেয়ে হৃৎপিণ্ডে পিন ফোটাই ,
চটি জামা ছেড়ে রাস্তা খুঁজি তোমার মত কারো
বুকে মাথা রাখার জন্য ,
আকাশ জুড়ে বহুদিন হল আমি দুঃখের
দালান বানিয়ে রেখেছি , দু চোখে আলোর বদলে
রাত্রি মাখতে মাখতে এক দিন এক তথাস্তু পুরুষ
এক শঙ্খচিলের কান্না ভেজা দুপুর বেলায়
আমায় আমার থেকে দত্তক নিয়েছিল ,
অবিশ্বাস্য বাসর ঘর সাজিয়ে বুক পেতে বলেছিল
তোমার সমস্ত কুজ্ঝটিক আমি নিলাম , তার বদলে .........
তুমি আমায় জোৎস্না ঝরানো হাসি দিও ,
এমন সত্যি গুলো স্বপ্ন হয়ে যায় .....
যায় সুখ স্মৃতি পুঁজি হয়ে দেরাজ বন্দি ,,
এখন কেন প্যাঁচার ধাতব গলার শব্দে
কামিনীর ঝরে যায় !
স্বপ্নবাটি উল্টে পড়ে ,
তবু ঘাসের ডগায় নীল ফড়িং মন উচাটন ,
বুকের ভেতর ভারী হয়ে আসা শব্দ
তোমায় কখনোই ভুলতে দেয় না ।।
শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০
তোমায় নিয়ে
এমনটা নয়
সে পথে বাঁকে
শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০
বিশ্রুতের পথে উৎসর্গ
তুমি কি শুনতে পাচ্ছ
সত্যি অথচ সত্যি নয়
আমাদের গড়া ভাঙার খেলা
অমরত্বের বারো মিনিট
বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০
অপেক্ষা
সে যখন আসে
সে আসে প্রতিদিন খরস্রোতা নদীর সুবাসে ,
আমার সমস্ত তরঙ্গে জীবন কাঠি ছুঁইয়ে বলে ভালোবাসি,
তার চোখের ভেতর থেকে রোদেলা জানলা আমায় ডাকে দুহাত বাড়িয়ে অসম্ভব পাগল প্রেমিকের মত , সে আসে চোখে তার দুরন্ত হরিণের বিস্ময় চাউনি আমায় ঘিরে কখনও যেন হেমন্তের সকালে শিশির,
সে এসে আমার আজন্মের শূন্য খামার ভরে যায় উজাড় করে ,
সে এলে আমার বাগানের গোলাপের রং ভীষন রকম লাল , আমার এক একঘেয়ে বহতায় কামরাঙ্গা রং ,
সে এলে সিক্ত দেহ যেন মল্লার মেঘের মৈথুনে সামিল ,,
সে আসে আমার কাছে খরস্রোতা স্রোতে সহজিয়া ভেলার মত ,,,,