নিমেষে -নিহত দুটি স্বর পাহাড়ের
......................... পাকদন্ডী বেয়ে রাত পার করে ফেলে।
পোড়া গন্ধ বয়ে আনে একে অপরের সমাধি থেকে,
ভাঙা মেঘ ভেজা ডানায় ভর করে
গাঢ় অন্ধকারের চিরকুট বিলিয়ে বেড়ায় পাহাড়ি ছত্রে ছত্রে ,
গুপ্তহত্যা নিবিড় হয় কখন কোন প্রহরে . সে কথা কেবল পাহাড়টা জানতো ,
আমার ভিতর কথা বলে ওঠে
পাহাড়ি দৃশ্য অদৃশ্য অক্ষরেরা
সে তখন নদীর ভিতর... .. কান্নার দাগ আঁকা শেখে ।
অন্ধকারে সমাধিক্ষেত্রের ভেতর সম্পর্কগুলো পরপর শুইয়ে দেওয়া হয়... চারিদিকে সময়ের পাথুরে স্তূপ , সেখানে দাঁড়িয়ে মৃত্যু ফলক লিখে ফেলে কেউ কেউ এগিয়ে যায় আগামীতে ,,
এমন করে না জানি কতই না পারা অজান্তে পারা হয়ে যায় ,
তাতে হয়তো দেহটার রং ফ্যাকাশে হয়
রঙহীন দেহ থেকে মাটি খসে
খড়ের পাঁজরে দীনতার জানান দেয় ,,
........ যোনি র পাশে যেসব সভ্যতা আসে যায় ,, অজস্র ভারতবাসীর দেহ নৈঃশব্দ্য এ জাগে সেই উপত্যকায় ,
তাদের জীবনের সব গল্প, বিদ্রুপ হয়ে যায় শেষমেশ অথচ বুঝে উঠতে পারে না জীবনভর, এমনি খেলা বিধাতা পুরুষের পছন্দ ,, ভোরের আলো ছড়িয়ে পড়ার আগে বাক্স বদল করে বিধাতা ওই পাশাপাশি পাকদন্ডী বেয়ে ফেরা স্বর দুটিকে আলাদা করে দেয় ,
পাহাড় ছাড়া কেউ কোনোদিন এই গুপ্ত হত্যার কথা জানে নি ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন