যেখানেই পা ফেলি পা-এর নকশায় অদ্ভুত তেজপাতা রঙের ছোপ হিজিবিজি ঠিকানা হীন ভাষা ,
পাতা ঝরা শহর আমার
মরা পাতার ওপর শুকনো মনের আলপচারিতা
ধুলোর বুক ছুঁয়ে নেমে গেছে রুক্ষ জমির
অন্তর জগতে,
ফাঁকা রেলপথে পিঠোপিঠি ছায়া জমছে
সারাদিন তাদের ফিসফিসিয়ে কথা হয়
ঝড় হয়তো শুনবে বলে,
রোদ লাগা গাছের পাতার শিরায় যত ঘুম উড়ে আসে... যত ভালো না থাকা স্বপ্ন ... ততটাই গুঁড়ো গুঁড়ো আয়নার ভাঙা শরীর ।
জেরুজালেম থেকে মাত্র সাত মাইল পথ আমার ঠিকানা শত শত মোমবাতি জ্বলা গাছটি হঠাৎ সব আলো নিভিয়ে ফেলে , মনে হয় আমার মন এর সমস্ত অন্ধকার পড়তে পেরেছে ।
যাদের বেদী জুড়ে সমাধিফলক... কাটা হাতের টুকরো... টব, শুকিয়ে যাওয়া ফুলগাছ, আগাছা, সাপের খোলস, মজা কুয়ো, ডানাভাঙা পরি... এসব দিয়ে মেয়েটা উঠোন সাজায়।
...... সবার ভালো থাকা কি একই রকম ?
চৌকো পাথুরে মুহূর্তে শরীরের সাথে সেলাই করা মৃতদেহ নিয়ে ঘষটে ঘষটে হেঁটে চলে আমার মত দেখতে মেয়েটা সেও এভাবে ভাল থাকে ।
যে গল্পটা শুরু হয়েছিল অনেকদিন আগে, সেটা নিয়ন্ত্রণহীন পিরামিডের ছায়া পেরিয়ে এগিয়ে এসেছে এখন .....ছায়ানটের চরিত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে এই শীত শহরে তাদের পায়ের চিহ্নে পোশাকি বান্ধব রং যা কেবল শীত এলে মনে পড়ে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন