গুছিয়ে নিয়েছি নিজের ডিঙি
বয়ে এসেছি এযাবৎ যতটা প্রবাহ তাতে
বরাবর বেমানান ছিলাম,,
চাঁদের নীচে দাঁড়িয়ে কাঁদব হাজার
চাঁদের নীচে দাঁড়িয়ে কাঁদব হাজার
দুঃখবতী মেয়ে যেমন কাঁদে , তবু কোনো বুকে আর মাথা রাখবো না ,
কুয়াশা ভিজে শরীরখানা পাথর হয়ে
কুয়াশা ভিজে শরীরখানা পাথর হয়ে
নিথর হলেও তোমায় আর ডাকবো না ,
হাত ছাড়িয়ে নিয়েছ সব
হাত ছাড়িয়ে নিয়েছ সব
শীত কিংবা বর্ষা থেকে ,
তোমাদের ইচ্ছা মত এই মনের জামা কাপড়
খুলেছো ছিড়েছো কোনো এক দিন তারওপর দিন ।,
ছিঁড়ে খেতেই পর আস্ত নারীর শরীর মন নাগাল পেলেই তাতে কি বা যায়
আসে ,,
শীতের ভরে যখন কখনও কেঁপে মরেছে
শীতের ভরে যখন কখনও কেঁপে মরেছে
মন , শরীর জবুথবু, আমি একটা হাত
কিনতে পারিনি .....পারিনি সামান্য উষ্ণতার ওম জোগাড় করে নিতে ।
যেদিকে যাই, সেদিকে এত ভীষণ লাগে মেকি,
যেদিকে যাই, সেদিকে এত ভীষণ লাগে মেকি,
বাজারি সময়ের নিরিখে বিকিয়ে যাওয়া অনাস্থা
সম্পর্কে হাঁপিয়ে ওঠা এ জীবন।
নিজের কাঁধে নিজের হাত নিজেই রেখে বলি
নিজের কাঁধে নিজের হাত নিজেই রেখে বলি
এসেছিলাম যা গেছে তার দায় আমার একারই
চিরকাল
এবার তবে চলি ,
এবার তবে চলি ,
তোমাদের খোলা মুঠো এবার বন্ধ করে নাও,,,
তবে বলে রাখি এমন করে তোমরা কত মন হত্যা
করতে পারো প্রতিটি সভ্যতায় আমিও কবরে শুয়ে হয়তো দেখবো ,
আবার তোমারই বড় কাব্যিক হযে সাহিত্য করবে ,সভা করবে, এমনি অনেক হত্যায় কালো কাপড় মুখে বেঁধে খস খস করে লিখে ফেলবে পাতার পর পাতা যে হত্যা চোখ খুলে দেখা যায় না কোনদিন ,
..............
বলতো তোমাদের কি নামকরণ হওয়ায় উচিৎ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন