সোমবার, ৩১ মার্চ, ২০২৫

সই(১৭২)

পিঠ  জুড়ে থাক শব্দের খেলা

কখনো আগুন বৃষ্টির মেলা

যদি খুঁজে পাস কবিতার ঘর

একলা ঘরে নদী হবে সংসার।


#সই

সই(১৭১)

পিঠ  জুড়ে থাক শব্দের খেলা
কখনো আগুন বৃষ্টির মেলা
যদি খুঁজে পাস কবিতার ঘর
একলা ঘরে নদী হবে সংসার।

#সই



সই১৭০*

তোমায় একটা  যত্নে  ভরাট  আসমানি
ছাদ  দেব, 
আগলে রাখা বিকেল গুলো  গল্প বলে রেখ।
পিঠের  সাথে পিঠ মিলিয়ে সন্ধ্যে নেবো মেখে 
বিসন্নতা থাকবে পরে রাত চাদরের নিচে। 
জোৎস্নারা সব আদর  মেখে ভালবাসা নেবে শিখে
কন্ট্রাস্ট বাড়িয়ে দিলেই ভোর আসবে নিজেই।
আবার তুমি আবার আমি হারাই যদি ভিড়ে 
মিলবো ঠিকই বেলা শেষে ইমন রাগের মিরে।


#সই(সই)

চুক্তি

দূরত্বের চুক্তির বাড়ুক 
এই শহরেই হাঁটব দুজন।
হাঁটতে হাঁটতে দেখবো শুধু 
অক্ষরেখা মিলছে কিনা 
হিসেব যদি মিলেই যায়
বসবো আবার এক ছায়ায়
চুক্তি লেখার উল্টো পিঠে 
চুক্তি ভাঙার
চুক্তি রাখা।

#সই(চুক্তি)

রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫

হারাবার আগে

বুক পকেটে লুকিয়ে তুমি 
নেই এর ঘরে আছো 
বৃষ্টি এলে তোমায় খুঁজি 
ভিজতে গেলে বকবে বুঝি 
আজও কি তুমি ভাবও আমায়
সিলিং ফুঁড়ে আকাশ দেখো
রাতের বেলায় স্মৃতি জায়গায়?
আগের মতই অনেক কিছু 
শহর দূরে পারিজাতে যাও?
তোমার গালে এখনও কি
 অন্য ঠোঁটেরা  রাখছে ছাপ।
স্পষ্ট হলে কষ্ট নেই 
মুখোশ হলে খুলতে নেই 
মিথ্যে প্রেমে কাদতেঁ নেই ,
বুক পকেটে লুকিয়ে তুমি
হারিয়ে যাচ্ছে নাতো!?



#সই (হারাবার আগে)






শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫

কোয়েট

 ফিরে আসা 
অপেক্ষার কাছে 
আমি পরিযায়ী 
ওই চেয়ে থাকার কাছে ।


#সই

কোয়েট

বহতা স্রোতে  ভাসতে থাকুক কথার পিঠে কথা 
শহর পেলে  সিগন্যালে হতেও পারে দেখা 

#সই

ফেরা

দুহাতে হাত রেখে পথ ভুললে ফেরা হয়না 
নিজস্ব ঠিকানা ,
বহু পথ হেঁটে  ফেললে  মরশুমও বদলায় বহু বার 
ঝড়ে গাছ গুলো  থাকবে কিনা কেউ জানে না
নদীর পাড় ভাঙতে ভাঙতে গড়েছে বহুবার ,
আকাশ হারায় মেঘেরাও কি থাকে চেনা 
হওয়া মহলে বার্তা যায় বদলে 
হাঁটতে হাঁটতে   পায়ের তলায় চামড়া  ক্ষয়ে  যায়,
সব হাঁটা তো সুস্থ নয়  সব থাকা তো যত্ম নয়
আয়ুর যখন সংখ্যা বাড়ে তখন জীবন বুঝতে পারে 
নইলে হয়তো বলতো ডেকে ফিরতে হবে হারিয়ে যাবার অনেক আগে।

#সই (ফেরা)

জল

বালির ওপর আছড়ে পড়া ঢেউ 
বলছি বটে তীব্রই কিছু  হবে
আসলে তো কাছাকাছি আসা
আসলে তো  অনুভবে রাখা
হয়তো দহন হয়তো মলম 
হয়তো ভাঙন হয়তো গড়ন 
বলবে কে আজ সত্যি টুকু 
অন্তমিলে  মিলিয়ে যাওয়া 
আসল খবর গোপন করা,
হারিয়ে ফেলা এক নিমেষে 
আবার কোনো নতুন রূপে,
... জল    শুধু  সব গল্প শেষে।

#সই( জল)




খবর( সই ১৭০)

আগলে রাখা বাঁধন গেছে খোয়া 
ইস্তেহারে সেই খবরই স্পষ্ট   করে দেওয়া,
তোমার মত আমিও এখন পারি
হিসেব করে গুটির দান রাখতে 
সাপ  সিঁড়ি দের হোক না জারিজুরি 
আমিও এখন তোমার মত খিলারি 
 আঘাত গুলোর দিব্বি করেই বলছি শোনো 
ভাগ্যিস সেই পুরোনো  ছিলাম ভীষণ  বোকা
তাই তুমি  মীরজাফর তাই  তুমি রাজা ,
দাবার দানে নৌকা ঘোড়া  এখন আমায় চেনে 
আমি এখন তোমার মত গুটি এগোই জেতাটুকু জেনে।


#সই( ১৭০)




সই(১৬৯)

এই যে তুমি কাব্যি করে বললে হেসে বাসবে ভালো 
জ্যোৎস্নারা সব বেহায়া হয়ে তোমার প্রেমেই উছলে পড়লো,
পড়ুক ,ভাঙ্গুক ,ছড়িয়ে গেলেও দোষের কি বা ...
এমন অনেক দোষের খবর এই শহর এর খবরে আছে 
রবির গানে কবির বর্ণে বুনতে থাকুক গল্প গুলো
 আবিষ্কারে প্রেম যে বাঁচে সে কথা তো মিথ্যে নয় ।

সই(১৬৯)




সই১৬৮

বুক ছুঁয়ে থাকা দাবি গুলো আজ পলকা বাঁধন 
মিথ্যে করেই  না হয় বললে ভালবাসি 
বেচেঁ থাকারও যে বড্ড খিদে  যখন তখন
সাথ না হলেও  পাশ না হলেও 
সময় যাপন 
এই কথাটা খুব জরুরী 
 তুমি আমি খুব বুঝেছি।


#সই♥️(১৬৮)



সই ১৬৭

স্বভাবে সেই আবর্জনা   আগলে রাখা 
মৃত্যুর পর বেচেঁ থাকাকে স্মৃতিই বলে 
ভিড়ের মাঝে মিলিয়ে যাওয়া যখন তখন
বন্ধ চোখে ভীষণ রকম জড়িয়ে তখন 
ভাতের পাশে নুনের অভাব হয়তো তেমন
খবর নয় ,
আগলে রাখা আবর্জনা  হাতরে দেখি
মন খারাপের কাগজ মুড়ে মন ভালো দের খবর
গুলোই ছাপা বেশি।

#সই ♥️( ১৬৭)






শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫

সই ১৬৬

নীল পাহাড়ের দিব্বি করে
আমায় স্বপ্ন দিলি 
কাঁচ ঘরেতে পর্দা নেই
আজ অনেক জন্ম পরেও।
মেঘের বাড়ি মেঘের উঠোন
কবিতা সাজাই মেঘে 
নীল পাহাড়ের দিব্বি বলছি
বৃষ্টি হবো তোরই।
#সই (১৬৬)




ফিরতি পথে


হয়তো দেখা হবে অন্য কোনো পথে 
যতিচিহ্ন আজ নাহয়  তোমার আমার মাঝে,
হয়তো তুমি অন্য তখন ...
আমি নেই আগের মতন 
 মুখের ওপর আঁকিবুঁকি 
মনের ভেতর হাজার পরত ,
 দমকা হাওয়ায় বৃষ্টি সেদিন 
বলবে তুমি হঠাৎ এমন হাওয়া বদল 
একটু আগেও টের পাইনি।
হওয়ার সাথে ফিরবে সময় 
ফিরবে স্মৃতির বৃদ্ধ তখন 
তুমি আমি অন্য তখন 
 দেখা হবে শেষে মতন।

#সই (ফিরতি পথে)







পথ চলতি কথা, পথেই থাক তবে
নতুন কোনো গন্তব্যে আবার দেখা হবে … ❤️

মা


জমা পুঁজির খাতায় তুমি মিলিয়ে দাও অঙ্ক
ভোরের মতই নতুন করে বাঁচিয়ে দাও তুমি 
ক্লান্ত হলে তোমায় ছুঁই 
খিদে পেলেও তোমায় খুঁজি 
হাঁপিয়ে গেলে শীতল করো 
কেমন করে  পারো তুমি !
যুদ্ধ শেখাও শান্তি শেখাও
দহন আর দ্রোহ শেখাও 
আগলে রেখে বাঁধন শেখাও বোধন আর বধও 
শেখাও ...মা তুমি 
জমা পুঁজির খাতায় তুমি মিলিয়ে দাও অঙ্ক গুলো।

#সই (মা)






বাকি

এখনও আকাশ দেখা হয়নি  সাথে 
বৃষ্টি ভেজা এই শহরে এখনও নেই তোমার আমার বৃষ্টির সাথে সেলফি রাখা ,
ফুটপাতে চা মাটির ভাঁড় 
নদীর পারে একলা ঘর 
 আজও রাখা বাকির খাতায় ,
ভিড় সরিয়ে হাত খুঁজে নিয়ে শহর হাঁটা ,  ,
ভোর জড়ানো আলোর ওমের তোমার দিকে তাকিয়ে থাকা
সেও তো বাকি
বারংবার ব্যর্থ যে প্রেম সে প্রেম ভুল
প্রমান বাকি,
বাকির খাতায় অনেক কিছু
 
সময় নাহয় জুলফিতে সাদা বরফ 
আমি কিন্তু বাঁচতে ভালবাসি 
আমি সময়ের কাছে ঋণী হতেই ভালবাসি।

#সই ( বাকি)






দহন

দহন শেষে বৃষ্টি হয়ে এসো 
আগুন ফুরালে শীতল করে দিও ,
মৃত্যুর পর শব্দ গুলো যত্ন পাবে জানি
ছোঁয়াচ হবে ছুঁয়ে থাকা স্মৃতি ,
নাভীর ভেতর পুড়বে না অন্তমিল 
ভাসিয়ে দেওয়া ফিরে যাবার নিয়ম
ভাসতে ভাসতে অন্য কোনো নগর 
তুমি আমি মাটি আগুন সবই তখন
নতুন ....
হিসেব শুধু নাভিতে রাখা  অন্ত্যমিলে,

...আবার দহন আবার আগুন 
আবার তুমি বৃষ্টি ফোঁটা আবার তুমি শীতল পরশ ,
আবার তুমি অনিবার্য 
আবার আমি নিরন্তর। 

#সই(দহন)

বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

সই (১৬৪)

পোষাক বদলে ফেলে নদী তার  স্বভাবে
বুকের মাঝ যত্ন করে জোৎস্না রাখা গোপন মেনে
রোদ্দুর সেও পড়ে আর পুড়িয়ে যায় নিয়ম করেই,
বইতে হবে টিকে থাকার দুনিয়াদারির বেচা কেনায়।

  সে গোমড়া মুখে ফুঁপিয়ে কাঁদে বুকের কাছে
মুখের কাছে ,,
হয়তোবা ফুলঝুড়ি তার হাসির আলোয়  যখন তখন,
 আগলে রাখা  স্বভাব  আমার 
বইতে থাকাও আমারই স্বভাব ,
পোষাকটাই যা বদলে ফেলি সময় মেনে 
বইতে হবে ...বইতে হবে নিরন্তর বইতে হবে আগলে তাকে।

#সই

সই🤍

কখন যে জোর করে ভালবাসা আদায় করে নিয়েছো টের পেলাম না

বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫

সই (১৬৪)

তোমাকে দেখিনা বহুদিন 
তবু তোমাকেই দেখি রোজদিন ,
কাছে থাকা সাথে থাকা এক নয় বলে
চলে গেছো সেই কবেই ,
ছুঁয়ে আছো মৃত্যু দেহ ছুঁয়ে থাকার মতোই

বিসর্জনের পরে সত্যিই কি
 ফিরে যাওয়া হয় ?




#সই

মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫

আদর

ভেঙে যাওয়া কাঁচের চুড়িতে এখনও কিছুটা অতীত সময় লেগে আছে ,
আকাশ হয়তো তেমন বর্ষণ  দেয় না আজকাল ... টুপটাপ সকাল গুলোয় একটা পুরোনো মাটির গন্ধ কিন্তু এখনো তীব্র ।
কাঁচ জানলায় তাঁর অথৈ হয়ে যাওয়ার পরে উড়ে যাওয়া 
বাষ্পের দাগ টুকু ফেলেই গেছে সে ,
দূরত্ব একটা বাহানা বলেই হয়তোবা ভেজা সকালে   প্রথম আলোর ওমের মত ছুঁয়ে থাকতে পারো  এই অভাবের দিনেও,
  বাড়ন্ত  চালের কৌটাতে  লেগে থাকা  অভাব আজ বহু কাল তবুও  পারম্পরিক অলংকার করে স্মৃতির দেরাজে আগলে রাখি তোমায় ।
অনেকবার ভেবেছি একটা নাম দেবো তোমায় ..
একান্ত একটা নাম ,  থেকে যাওয়া দিনগুলোতে কাঁচ চুড়ি, বৃষ্টি আর নিজস্ব গন্ধ সে নাম ভাবার সময় দেয় নি 
না থাকার দিন গুলোতে বড্ড বেশি করে তুমি লেগে আছো 
তাই এই ভীষণ রকম থেকে যাওয়া প্রত্যুষে তোমায় ভোরাই বলেই ডাকতে ইচ্ছে হলো।

#সই (আদর)






রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫

নতুন করে

নতুন করে গড়ে নিতে পারলে হয়তো একটা নদী হতাম,
আগুনে মিশিয়ে হয়তো বা আকাশ মুখি বাতাস হতেও পারতাম,
জল ফড়িং হবার সাধটাও যথেষ্ট রকম তীব্র ভেসে বেড়ায় ভেতর ভেতর,,
নতুন করে গড়ে নিতে পারলে বুকের ওপর সবুজ রাখতাম ওই আকাশ দিকে তাকিয়ে  ,
তোমার বুকের খুব কাছে এসে বলতাম মুখোমুখি বয়স বাড়ুক আমাদের ।


নতুন করে গড়ে ফেলার আশায় না জানি কতবার নিজের
আস্তিন ছিঁড়ে ফেললাম   আর ছেঁড়া আস্তিন রাখলাম সেলাই মেশিনের নিচে...
নতুন সুতোর সাথে পুরনো মিশে যাওয়া মেনে নিলেও মানিয়ে নিতে পারলো কই ?

এক খানা আকাশের বুক ছুঁয়ে থাকার লোভে কতোই না
ভাঙা গড়া কাটা ছেঁড়ার এজলাসে রাখা হল অস্তিত্ব....
 বাতাস ,নদী , জল ফড়িং ,সবুজ , কিংবা যুতসই কিছুই হল না 
শুধু অনেক খানি পথ হেঁটে আসা হয়ে গেলো ...
শুধু  কাটা ছেঁড়া আর ভাঙা গড়ার পালায় পুরনোটুকুও হারিয়ে গেলো ।
.....নতুন করে গড়ে নিতে পারলে হয়তো একটা পাখি  হতেও তো পারতাম।


#সই(নতুন করে)






শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

সই ১৬৩

কত্ত দিন তোকে জড়িয়ে ধরিনি তোকে বলতে বলতে
জড়িয়ে নিলাম তোকে, তোর না থাকা দিন গুলোর কথা এখন
মনে আসে না ,
অথচ জানি একদিন তোকে জড়িয়ে ধরার এই প্রহরটুকু স্মৃতিতে রাখা থাকবে ...থাকবে  একটা ছোট্ট ইতিহাসে তুই তোর সোনাই তোর আমাতে মুখ গুঁজে থাকা সময় সবটাই  মৃত হবে 
 সময় তোর গায়ের গন্ধটা আমার আনমনে ভাবনায় লুকোচুরি  খেলবে,
আশেপাশে কোত্থাও তুই  থাকবি না জেনেও আজ জড়িয়ে নিলাম ... কত্ত দিন তোকে জড়িয়ে ধরিনি ।

#সই

মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫

সই১৬২

জেনে যাওয়া অধ্যায়ের মত তোমার সব টুকু 
পুরনো এখন,
দামী হতে গেলে নতুন গল্পে সামিল হতে হবে 
#সই 



সই ১৬১

বলেছিলাম গাছ হয়েও 
বলেছিলাম ছায়া আর সবুজ খুব
পছন্দ আমার ,
বলেছিলাম তুমি আমি আকাশ মুখী বারান্দায় 
কাব্য লিখলে কেমন হয় ?
বলেছিলাম এক সাথে মেঘেদের সব কথোপকথনের
সাক্ষী হবো ... হবো তারাদের গল্পে সামিল ,
তুমি কি শুনেছ এই  বলে যাওয়া  শব্দগুলো ।

#সই (১৬১)





সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫

মেঘের আড়ালে

জোকারের মুখের আড়ালে একফালি আকাশ দালান রাখা ,
 লুকিয়ে ছিল একটা কাজল কালো মেঘও 
ছুঁয়ে দিতেই আমাকে  আমার নদী কে আর আমার একলা 
ঘর কে ভিজিয়ে দিলো ,
  আমাকে নিয়ে চিলেকোঠায় এলো সেই  সেই কাজল কালো মেঘ ....
শব্দের বৃষ্টি তে দুজন দুজনকে আপাদমস্তক ভিজিয়ে দিলাম
গোপন অভিসারে,
 এক সময় জানলায়  উঁকি দিলো একফালি রোদ্দুর হাতছানি দিয়ে মিষ্টি করে ডাকতেই এক ছুটে মিঠে উত্তাপে শুকিয়ে নিলাম নিজেকে  , আবার করে  যে ভেজোবো বলে ,
কাজল মেঘে আবার করে ভিজবো তুমুল।

একদিন আসা যাওয়ার  পথে খানিকটা অবাক হয়েই জোকারের মুখের থেকে রঙ মুখোশ সরিয়ে ছিলাম
 মেঘের সই কে ছুঁয়ে দেবার অজুহাতে,,
এখন আমার  সমস্ত অজুহাত অবাক  হাতিয়ারে আমাকে কাজল কালো মেঘের ওম জড়িয়ে রাখে,,
ভালোবাসা তো আসলে আশ্রয় 
একটা বাড়ির মত 
একটা ছায়ার মত 
শীতের রাতে নকশিকাঁথার উষ্ণতার মত 
আমি তো বৃষ্টি তেও আশ্রয় খুঁজি শীতল হতে চেয়ে....


#সই ( মেঘের আড়ালে )

নিখোঁজ

হারিয়ে গেছ তুমি 
আজ আমিও পথভোলা 
কেউ কারো জন্য খুঁজে পাওয়ার আর্ত ইস্তেহার 
আর দেবো না ,
তুমি আলো খুঁজতে অন্য ঘরের জানলায় 
আমি সব জানলা বন্ধ করে অন্তহীন অন্ধকারের সিঁড়ি বেয়ে
হাঁটছি।
তবে একটা মিল আমাদের ...দুজনেই নিখোঁজ।

#সই (নিখোঁজ)

সই ১৬০


সেতুটার পাটাতন খুলে অন্য নদী পারাপার করতে চাইলে তুমি
ডাকপিয়নের ঠিকানা গেলো বদলে ,
সকাল গুলো দেরি করে আসা শুরু করলো 
আলোর পথ তখন অন্য মানচিত্রে।
আমরা একা হইনি অন্য তুমি আমি খুঁজে নিয়েছি মাত্র।
#সই(১৬০)




'

জমে থাকা দিন রাত্রি

এক সাথে হাঁটব বলে পথেরা রইলো জমে 
অপেক্ষার গল্পে হাতড়ে বেড়াই রোজ অন্তত একটি করে সংখ্যা।
ঘুমিয়ে যাবার আগে বৃথা শব্দটা বুকে নিয়ে যেতে মন চায় না,
যদি তাই হয় তোমার শেষ ইচ্ছে তবে বলে রাখি  আমারও শেষ ইচ্ছা .... এপিটাফে ফুল রেখো না রেখোনা স্মৃতিচারণের দিন ভালবাসার কথা ,
সেদিনও না হয় অবহেলায় পাশ কাটিয়ে চলেই যেও আমার চোখ বন্ধ থাকবে কষ্ট পাওয়ার সব সম্ববনা ফুরিয়ে যাবে ।

#সই (জমে থাকা দিন রাত্রি)





ও চোখ

হরিণ চোখের বাঁধনে বাঁধলে মুহুর্তে 
মুচকি হাসিতে জীবন পেল কয়েক আনা,
ঠোঁটের পল্লবে সময় হারিয়ে গেলো ,
দখিনা বাতাসে সাথে তুমি চলে গেলে আরো কয়েকটা মরশুমের মতোই ।
আবার; অন্য কোনো পথে  অন্য কোনো হাতের সাথে তোমার নরম হাত ...
পুরনো গাছের মত দাঁড়িয়ে থাকবো অনন্ত অপেক্ষায় 
ও চোখ যে সর্বনেশে রাক্ষসী জানি সর্বনাশের নেশায় সে আবার আসবেই এ পথে ....আমি নাহয় একজন্ম গাছ হয়েই থাকলাম।

#সই ( ও চোখ)

রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫

ততটা দুরে নও

আকাশ হতে পারে না সবাই 
বৃষ্টির মত শুদ্ধ স্নান আর কেউ দেয় না 
শেষ বিকেলের আলোয় রাখা বেলায় মেঘেরা 
হারিয়ে যায় ,
তবু আমার এই না পারা দেখতে বড্ড ভালো লাগে
এই হারানো গুলো আমায় হরণ করে ,
কারণ তোমায় পাওয়ার থেকে বেশি হারিয়ে ফেলে 
খুব কাছে পাই তখন তুমি আর তততার দূরে নও।

#সই(ততটা দূরে নও)





মনে পড়ার কথা ছিলো না

মনে পড়ার কথা ছিলো না অথচ নদীটা ছলাৎ ছলে পাশ কাটিয়ে যেতেই তোমার গন্ধ আমায় ছুঁয়ে দিলো ,
মানে পড়ার কথা না থাকা স্বত্বেও বৃষ্টি এলে একটা কবিতায় তুমি আমি ভিজে যাই।
মনে পড়ার কথা ছিলো না  তবুও বসন্তের রাঙানো একখানা 
মুখ তোমার আদলে ..কেমন যেন আমার রং চুরি করে নিলো ,
মনে পড়ার কথা ছিলো না ... সেদিন হেঁটে যাওয়া পথটায় হতে হাত রাখা  ওরা দুজন চেনা দৃশ্যে আমায় আনমনা করলো,
মনে তো পড়ার কথাই নয় অথচ শোভাবাজারে ফেরী ঘটে অপেক্ষায় থাকা ছেলেটা কখন যেন আমার গল্পের চেনা তুমির 
মতোই লাগলো ,
মনে পড়ার কথা ছিলো না অথচ মন পুড়িয়ে অজস্র বার মনে পড়ে যাওয়া তোমার পুরনো স্বভাব আর আমার অভ্যেস।

#সই (মনে পড়ার কথা ছিল না)

অদ্ভূত প্রেম

নদী আর বৃষ্টি... তোমার পাশে আমি অথবা আমার পাশে তুমি,,
অন্ধকার বৃষ্টি সব কথা মুখ ফুটে বলে না ,সব চাওয়া  না পাওয়া মুখ ফুটে বলে না ,
 যেমন কষ্ট আগলে রাখতে ভালো বসে অনেক গল্পই ,
নিয়ন বাতির নিচে প্লাস্টিকের প্রেম হয়তো নদী, বৃষ্টি, একলা ঘর কেউই বুঝে না .... ভাগ্যিস বোঝে না তাই কষ্ট  ঢেকে ফেলতে ভিড়ে ভেতর নিজেদের লুকিয়ে ফেলতেও চায় না ।
আমদের কষ্ট ঢাকতে দুজন বারংবার বিপরীতে হেঁটে যাই 
কখনো তুমি
প্রাক্তন সময় আবির মাখাও নতুন কোনো পলাশের গালে ,
কখনো  আমি  স্রেফ রঙ হীন হয়ে প্রেমের কবিতা লিখি ।
একটা অদ্ভূত হিংস্র প্রেম তোমায় আমায় বাঘবন্দি খেলায় মাতিয়ে রেখেছে তাই না সুজন।

#সই(অদ্ভূত প্রেম)


শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

সই(১৫৯)

ভালোবাসা অনেকের থাকে 
তবে অনেকটা ভালবাসা বোধ হয় ...

#সই 

ঋণ

যতটা নিষ্ঠুর হয়ে ভেঙেছ আমায় অত টা তো আমার দৃঢ়তাও ছিলো না 
যতটা শুধরে দিয়েছ তুমি ততটা খারাপ তো ছিলাম না ,
তবু নালিশ হীন চোখে দু একটা সুখী ছবি তুমি আঁকতে পারনি
না হয় বলেই ছিলাম আমায় নিয়ে তেমন না ভাবলেও চলবে
তাই  বলে আবির রঙের ছবিতে অন্য কেউ থাকুক এমন তো বলিনি ,
যতটা বিশ্বাস নিয়ে শুধুমাত্র সারা পৃথিবী সাথে লড়েছি তোমার জন্যে তার থেকে বেশী বিশ্বাস ভেঙে এই পৃথীবিতে আমাকে দফন করেছ ।
এক গোপণ হত্যায় তুমি না হয় জিতেই গেলে
আজ আর কোনো ঋণ রাখবো না শূন্যতায় মিশিয়ে দিলাম
আমার সমস্ত ভাঙন ....
এফিটাফে ফুল রাখতে এসো না কোনো একা হয়ে যাওয়া দিনে।
কারণ এ তরফে  অপেক্ষা  বলে আর কিছু নেই।

#সই (ঋণ )

চলে যাওয়া


যা কিছু ছেড়ে কিংবা ছিঁড়ে গেছে সেসব কিছুই 
ভীষণরকম জড়িয়ে রাখে 
যাঁরা চলে গেলো তারাই বড্ড বেশি রয়ে গেলো 
যখন কাছে ছিল হয়তোবা ছিলাম কাছে হয়তোবা ছিলাম না সাথে ,
মেঘেদের ঠিকানায় রোজ কত ও  চিঠির আনাগোনা না থাকার থেকে যাওয়া ,
আমার ডাকবাক্স রোজ এমন কত শুন্যতা হাতড়ে বেড়ায় উত্তর।



#সই (চলে যাওয়া)

মন খারাপের দিন

তবু আর মন খারাপের দিন তোমার কাছে যাবো না
বুকের ভেতর পাথরের ওপর পাথর সাজিয়ে আস্ত পাহাড় 
ঠিক বানাবই ,
কথাদের বন্দী করতে করতে একদিন কথা বলা ভুলে গিয়ে বোবা হয়ে যাবো,
তবু কোনো মন খারাপের মেঘলা বেলায় তোমার কাছে যাবো না... বলবো না  বড্ড ভয় করছে 
তবু কোনো মন খারাপের দিন তোমার দিকে হেঁটে যাবো না ।


#সই (মন খারাপের দিনে)



ক্ষত

তোমার দেওয়া ক্ষত গুলোর ওপর বহুদিনের ধুলো এখন।
হ্যাঁ মনে পড়ে ...
মনে পড়ে যখন আহত মনের হিসেব নিয়ে কোনো মানুষকে
বিষাদের ধারাপাত নিয়ে নদীর পারে একলা বসে থাকতে দেখি, তোমার দেওয়া  ক্ষত গুলোর ওপর হাত রাখি একবার ।
ভূলে যাওয়া স্বভাব টা বড্ড আশীর্বাদ মনে হয় আজকাল
ভাগ্যিস এই ভুলে যাওয়া ব্যাধির কোনো মহৌষধি পাওয়া যায় না।

#সই (ক্ষত)




শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

ইদানিং

তোমাকে ইদানিং রোজই নদীর পাড়ে  নিয়ে যেতে ভালো লাগে,
রোজ ভবি নদীর পাড় থেকে গল্পে ভুলিয়ে আমার টিনের
চিলেকোঠায় নিয়ে আসবো ,
বাড়ী পর্যন্ত পৌঁছেও যাই এক আধ দিন তারপর হাত ধরে চিলেকোঠায় নিয়ে গিয়ে ঘরের আলো নেভাতেই তুমি হারিয়ে যাও .... হ্যাঁ ইচ্ছে করেই কিংবা স্বভাবতই হারিয়ে যাও।
তোমার এই পলাই পালাই স্বভাব টা আমার ভালই লাগে 
হারিয়ে গেলেই আরো একটু বেশি করে তুমি আমাতে থেকে যাও,
ইদানিং  চোখ আর মনের  ভীষণ রকম অভ্যেস  তুমি 
ইদানিং চোঁখের নলিশে ঠোঁটেরা তোমার নামের অক্ষর বসিয়ে  বায়না  বিলাসী ভীষণ রকম ।
ইদানিং তোমার একুশ বছর আর আমার অষ্টাদশী 
ইদানিং আরো একটু বাঁচতে ইচ্ছে করে কবিতার পাতায়
ইদানিং ছাদ বাগানে নিলকান্তমনি আর বুলবুলির একটা 
ভালো - বাসা ,
ইদানিং ...
ইদানিং...

#সই(ইদানিং)

একলা ঘর

একলা ঘরে আলমারিটা মাথা সোজা করে দাঁড়াতে পারে না
হাঁটু মুড়ে নতজানু সে সারাবেলা ,
একলা ঘরের সিলিং বড্ড হিংসুটে শুয়ে থাকা বুকের মাঝে পাখাটাকে  তার দোসর মনে হয়  ,সরাসরি সারারাত কিংবা দিন আমাকে ছুঁয়ে থাকা  তার বদ অভ্যেস ...ঠিক যেন মৃত দেহ ছুঁয়ে থাকা  এক আত্মীয়।
একলা ঘরে কাগুজে বইরা এক অদ্ভুত নেশায় নেশাতুর করে রাখে  সময়ের কারবারি না মেনে ।
একলা ঘর কখন যেন একলা প্রেম, হিংসুটে ভালবাসা ,
বুক জড়ানো আশ্রয় হয়ে আমাতে মিশে যায় ,,

তারপর হঠাৎ মালতী দি ঘর বদল করে 
তারপর হঠাৎ আমার একলা ঘর মুঠোর বালির মত নিমিষে 
চোঁখের সামনে সময়ে স্রোতে হারিয়ে যায় ... স্মৃতির দুনিয়ায়,
আমার একলা ঘর।

#সই (একলা ঘর)


সই ( ১৭৮)

একদিন কথারা ফুরিয়ে আসবে 
ফুরিয়ে যাবে বিস্ময়....
কোনো এক অন্ধকার নদীর পাড়ে 
তুমি স্মৃতির পাতা উল্টে স্মিত হাসবে
আমি একফালি আকাশের ছাদ বাগানে
কারণ ছাড়াই আনমনা হব ...
ততক্ষণ হ্যাঁ ততক্ষণ না হয়  আমার সাথে
ভীষণ রকম থেকে যাও।

সই(১৭৮)

অনেক কিছু

আগের মত সাদা কালো আর নেই 
আমি এখন রঙের করবার করি 
আগের মত সাধারণ আর নেই 
এখন আমি অসাধারণ এর বিকিকিনি তে মাহির।
আগের মত বায়স্কোপ চোখ রেখে অবাক হই না...
এখন বড় পর্দায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অবাকে 
নিজেকে হারিয়ে ফেলতে খারাপ লাগে না ।
হ্যাঁ এখন এমন বড় বড় অনেক কিছুই খারাপ লাগে না 
এখন বড় রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়ারু এটিকেট শিখে গেছি,
এখন ব্র্যান্ডেড পোশাকের নাম শিখে গিয়ে নিজেকে পারদর্শী মনে হয় ।
এখন ঋষি আর আমার সব থেকে প্রিয় একমাত্র  কবি  নয়
কিংবা বাপিদা আমার একমাত্র মেন্টোর নয় ।
এখন রোশনাই অনেক ...
এখন চেনা শোনা অনেক ...
এখন চোখ পিটপিট পুতুল না পাওয়া মন খারাপ করা 
মেয়েটার মাথা  আকাশ ছুঁয়ে ফেলেছে ,
এখন মেয়েটা আর ঘুনটি দিদির দেওয়া পুরোনো  চার সাইজ 
জামা হাত সেলাই করা স্মল সাইজ করে পরে না ...
মেয়েটার আলমারি ভর্তি ডজন খানেক নতুন জামা কারণ ছাড়াই রাখা থাকে ।

.....মেয়েটা তবু রোজ একটা অভাবী মেয়েকে খুঁজতে যায় ৩/১
সেন্ট্রাল এভিনিউ এর বাড়ি বাগান আর রাস্তার গলিতে ।
এখন মেয়েটার অনেক কিছু খারাপ লাগে না 
এখন মেয়েটার কিচ্ছু ভালো লাগে না ।


#সই (অনেক কিছু)

বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫

সই

দুরত্বের আড়ালে তুমি রোজ আরো খানিকটা কাছে
কাছেই থাকো ,
এক সমুদ্র তোমায় দেখি পাড়ে বসে ,
অভিসারে থাকে নীল দিগন্ত
 বছর  পঁচিশ পরে কখন যেন তুমি আমি স্রেফ আমরা আর চার দেওয়াল হয়ে গেছে ঘর।


#সই

মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫

সই

জন্ম শেখালো সম্পর্ক ছুঁয়ে থাকার নাম 
 অনুভূতি স্পর্শ 
কখনো বন্ধু কখনো চিরসখা
দাঁড়াও  তুমি কঠিন যন্ত্রণা হয়ে 
কখনো ইতি ,কক্ষনো শুরুয়াত,
কেউ হয়তো বুকে জড়ালো 
কেউ অবহেলায় দুয়ার করলো বন্ধ
চেনা হলো অচেনা ,অচেনা হলো চেনা ,
থেকে যাও তবু তোমার ।
কারণ  বেচেঁ থাকা যে আসলে সত্যি বলেই
গল্পে  লেখা হয়।

#সই