কবি প্রেম একটা উপন্যাস তুমি বল বার বার
তবে এতো অশোষিত শব্দঋণ কেন হৃদয়ের
গরাদে বলতে পার? কেনই বা যাপনের রংতুলির
অসুখী তরঙ্গ গুলোর ছবি তোমার আমার ঘরের
দেওয়ালে হাহাকার ছড়ায়।
সবাই যখন নিজের মত করে রোদ সেকছে তখন
কেন পৃথিবীর দুই মেরুতে সমান্তরাল দু:ক্ষরা তিরতির
করে ঘন পৌষ ছড়াচ্ছে।
দেখতো তোমার নগরও এক সুর্যনগর তবুও কেউ
পুড়ছে, কেউ সেকছে, কেউ খোলস খুঁজছে এক জীবন
ঘুমোবার,
তোমার কবিতায় প্রেম কি এতো তীব্র, তবে কেন
এতো প্রেম হারিয়েছে কেবল তোমার উপন্যাস
থেকে। তোমার কি মনে আছে তোমাকে ছুঁয়ে যে স্পর্শ
প্রথম তোমায় পুরুষ সম্ভাষণ করেছিল! সে কি প্রেম?
আর তোমার সেই একের পর এক নীল রাত.. সেই নীল
রাত হয়তো আজ একা,, তুমি বল তাহলে প্রেম কি?
আর এক জীবন কি প্রেমের সংজ্ঞার জন্য যথেষ্ট!
আমি অবশ্য এসব কিছু বুঝিনা কবি
আমার পুর্নতায় তোমার লেখা কবিতা পেয়েগেছি,,
আসলে আমার যে
সে ভাবে কিছু করার ছিল না কোনোদিনই।
তাই যখন কেউ নতুন জন্মের স্বাদ আর চলন্তিকার
উপমায় আমায় ঢাকলো আমায় আকাশ সম্পুর্ন হয়ে
গেলো আর কোনো কবিতা কিংবা উপন্যাস আমার
খাতায় জায়গা করবে না কখনো।
কেবল অপেক্ষা কোনো এক অষ্টাদশী বছরকাল
আর আমার একটা জন্ম সফল।
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৭
তোমার উপন্যাস
হাওয়ার বদল
--------------------------------
হাওয়ার শব্দ এসে কিছুটা সময় আমার জানলার পাশে মিথিরিত
হয়ে থেমে যায়,
একটা প্রেম কথা রাখতে পারেনি বুঝতে পারে আজ
অবধি সব বসন্ত।
এক পা দু পা করে দুই-চার মাইল সাথে চলা, আর পরিচিত
কিছু স্পর্শ মনের প্রান্তর রৌদ্রময় হয়ে ওঠা।
শব্দবিহীন ঘরের যতক্ষণ কোনো স্পর্শ ছিলো না
ততক্ষন বুকের উপরে পড়ে থাকতো মূক বধির এক শিলা।
জাম গাছের সাথে শুকসারির ফিসফিসানি প্রেমরং ছড়ায়
খবর ছিল হাওয়ার বুকেও,,
অন্তঃসারে এক বিহঙ্গ নিয়মের বেড়াজালে নির্জনে কাঁদতে কাঁদতে
ঘুমিয়ে পড়ে প্রতিদিন। কোন এক নগরের গিয়েছে সুজন,,
ছুঁয়ে থাকা কথাদের দুরত্ব বেড়ে যায় নিভে যায় যোগাযোগ ; একটা গান ভাসে রেণুতে ভর করে
" সে যে মানে না মানা....."
অপরাহ্ণে লেগে থাকা হেঁসেলে নেই এখন কোনো
দেনাপাওনা।
। আকাশ মাঝে মাঝে দু:ক্ষবিলাষী হতে চায় এতো কিছু ভেবে... কবিতার খাতায় মেঘ জমায় সল্প কিস্তিতে,,
; সুখের চার দেওয়ালে শ্যেওলার বাস
শেষ অবিশ্বাস টিকে যায় জন্মান্তরীণ বোঝাপড়া।
চেয়ে দেখি : পাখি, ঘাস, ফুল, ট্রামলাইন, শীতরোদে
উষ্ণতা নিচ্ছে। একটা গল্পের উপসংহার কেবল
বাকি রয়েছে একটু উষ্ণতার অপেক্ষায়।
শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭
সেই তারাট---
------------------------------------------------
কেউ জানে না আকাশের মাঝে একটা তারা হঠাত খসে পড়লো।
কেন যে দিন আর রাত মাঝে ফারাকটা বুঝতে
ভোর দেখা হয় না একটা তারার,
কেন হাতের ওমে আর একটা হাত থাকে না সেভাবে।
তারাদের বুঝি ভালোবাসতে নেই,, তবে কেন
পেছন থেকে কেউ বলেনি তুমি ছেড়ে যেও না এই আকাশ।
কেন কেউ একবারমাত্র বলেনি এস এক আকাশ তুমি
আমি ছেড়ে আমাদের হোক।,
কেউ কেন বলেনি ভালো থাকি এক সুখে,,
চোখে অক্ষরে কেউ তো বলেনি ফিরে এসো অপেক্ষায়
রইলাম।।
জন্মাতক হৃদয়ের তারে মল্লার সুর বেজেছে
শুনলো না তো কেউ।পৌষের শীত বুকের গেরস্থালীতে
জমাট বাঁধে কোন অসুখের মত।
খসে পড়া তারাটার কথা কেউ জানবে না কখনো কোনো দু:ক্ষবিলাষী কবিও।
আমিও ঠিক তেমনি করে এক একটা সভ্যতার মাঝে আসবো
আর বুকে নিঃস্বতা নিয়ে একলা হারিয়ে যাব।
তুমি ভাববে ভীন দেশী কোনো তারা বুঝি পথের ভুলে
তোমার সভ্যতায়।
শুধু খসে পড়া তারাটা আলোক পথে লিখে
গেছে.... আমি বলতে এসেছিলাম তোমায় ভালোবাসি তাই বার বার ফিরে ফিরে আসি
আকাশের গায়ে তোমায় দেখবো বলে।
সেই তারাট---
------------------------------------------------
কেউ জানে না আকাশের মাঝে একটা তারা হঠাত খসে পড়লো।
কেন যে দিন আর রাত মাঝে ফারাকটা বুঝতে
ভোর দেখা হয় না একটা তারার,
কেন হাতের ওমে আর একটা হাত থাকে না সেভাবে।
তারাদের বুঝি ভালোবাসতে নেই,, তবে কেন
পেছন থেকে কেউ বলেনি তুমি ছেড়ে যেও না এই আকাশ।
কেন কেউ একবারমাত্র বলেনি এস এক আকাশ তুমি
আমি ছেড়ে আমাদের হোক।,
কেউ কেন বলেনি ভালো থাকি এক সুখে,,
চোখে অক্ষরে কেউ তো বলেনি ফিরে এসো অপেক্ষায়
রইলাম।।
জন্মাতক হৃদয়ের তারে মল্লার সুর বেজেছে
শুনলো না তো কেউ।পৌষের শীত বুকের গেরস্থালীতে
জমাট বাঁধে কোন অসুখের মত।
খসে পড়া তারাটার কথা কেউ জানবে না কখনো কোনো দু:ক্ষবিলাষী কবিও।
আমিও ঠিক তেমনি করে এক একটা সভ্যতার মাঝে আসবো
আর বুকে নিঃস্বতা নিয়ে একলা হারিয়ে যাব।
তুমি ভাববে ভীন দেশী কোনো তারা বুঝি পথের ভুলে
তোমার সভ্যতায়।
শুধু খসে পড়া তারাটা আলোক পথে লিখে
গেছে.... আমি বলতে এসেছিলাম তোমায় ভালোবাসি তাই বার বার ফিরে ফিরে আসি
আকাশের গায়ে তোমায় দেখবো বলে।
একজন্ম
-----------------
একজন্ম কম পরবে বলে আগলে রাখি খড়কুটো
যেন মনে থাকে সমস্ত স্পর্শ গুলো,
কারন এতো কম পেয়েছি তোমার সমস্ত স্পর্শ
আমার দুক্ষেরা শুষে নিয়েছে বেশির ভাগটাই,
পথ ধরে এগিয়ে গেছি রোজ সকাল থেকে রাত অবধি
ঘাসের শিশিরজল পায়ে মেখে হেটেছি তোমার পথে
দেরি করতে না চেয়েও এত দেরী হয়ে গেল তোমার
ঠিকানায় পৌছাতে, যে সমস্ত বন্ধনে এক শতাব্দি তোমায়
বেধে ফেলেছে তখন কোনো এক গোধূলিতে।
যেহেতু দেরি করে এসেছি আমার সমস্ত অনুভুতির
অনুরণন কে বন্দি রাখতে হবে এজন্মভর, আমার
হৃদয়ের ক্ষরিত আবেগে মেশাতে হবে আজন্মের
আক্ষেপের রঙ,
যেহেতু এতোটা দেরী হল তোমার ঠিকানা পেতে, আমায়
অপেক্ষা করতে হবে কুঁচকে যাওয়া চামড়ায় আয়ুরেখার
শেষপ্রান্তে, কিংবা কোনো এফিটাপ এর গাঢ় অক্ষরে।
অথচ আমি চেয়েছিলাম খুব করে চেয়েছিলাম
আমার পায়ের ঘন আলতার দাগ যেন তোমার
দরজার চৌকাঠের দুপাশেই থাকে।
যেহেতু দেরী শব্দটা আমার হাতের রেখায় ভীষণ স্পষ্ট
তাই নিজাম প্যালেস কিংবা চারমিনারে তোমার
হাতে হাত রাখা হল না এজন্মে,,
সমস্ত ঋতুরা শতাব্দীরর বন্ধনে বেঁধেছে তোমাকে আমার থেকে দূরে রাখতে,,
যেহেতু দেরী টা কেবল আমারই হয়েছে তাই
একলা থাকার সমস্ত উপকরণ নিয়ে আমার
এই জন্মটা....,,
শুধু বলতে পারি একটা জন্ম কম পরবে আমার তোমার
অপেক্ষা করতে, আমার দু:ক্ষ এমন অপেক্ষার
জন্য কেবল একটা জন্মই আমি পেয়েছি।
রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭
বেঁচে থাকার নেশায়
--------------------------------
বুকের খাঁজে আটকে আছে কিচিরমিচির হাজার
কচকচানি ।
ছোট ছোট খোপে বন্ধ আকাশ টুকরো টুকরো,,
খুঁজে চলে ক্ষত ডানায় স্বপ্ন বয়ে আকাশ ছোঁয়ার
আলোকরশ্মি ।
এই কবিতা কখনো রামধনু হবে নয়, হতে নেই এমন অনেক কিছুর
ফিরিস্তি জীবনের রোজনামচায়।
মানুষের স্বপ্ন বিক্রি করে বাঁচতে চাওয়া যেন প্রহসন।
শুধু এক একটা দীর্ঘশ্বাস কুড়িয়ে একগাদা ভাবনার
স্তুপ বয়ে শেষ রাতে ফিরে চলে বাসস্থানে, বাসস্থান কি সেটা
বুঝতে পারে না মানুষ , শামুকের খোলোসে ঘুমোতে যায়,,
ঘুম সেও যেন ধুঁকতে থাকা লুকোচুরি জীবন ।
খাপ ছাড়া ঘুমগুলো বড়ো যন্ত্রণার জানি, তবুও
অনিয়মে বুকে আবার সকাল আসে নিয়ম করে,,
ছড়িয়ে থাকা খড়কুটো কুড়োতে থাকা মৃত স্বপ্নকে
নিজে তবুও মৃত ঘষিত করতে পারি না।
বোবা খামে বন্দি থাকে সব স্বপ্নের চিঠিরা
দরিদ্র ইচ্ছারা আরো দরিদ্র হয়েও শহরে ফুলকি ঝরতে থাকে '
মৃত স্বপ্ন বীজ আবার সকালের শিশিরে।
চোখ মেলে চায়, কারন বাঁচতে চাওয়া যেন নেশা।
চলতে থাকে নিরন্তর কোনো পরিক্রমণ এর মত।
বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৭
এ কেমন কান্না
-----------------------------
যাপন যেন মৃত্যু ছোঁয়ার থেকেও যন্ত্রণার,,
রোজ রোজ মরার চেয়ে এক চুমুক বীষ---
আর মুক্তির নীল আকাশ।
শীরদাঁড়া বেয়ে বীষফোনার আগুন প্রতিনিয়ত,
কখনো যন্ত্রণারর রংএও প্রচণ্ড দাবানল, তাই ঈশ্বরত্ব
ভুলে যাওয়াই। ঈশ্বরের অভ্যাস... অভ্যাস প্রতি
মুহুর্তে নির্বাক নদীর নিজস্ব কথা বুকের তলায় হারিয়ে যাওয়া।
মৃত সভ্যতা আগলে ঘরকন্নার নাম।
তবু বেঁচে থাকার পথে রোজ যতিচিহ্নদের
মিছিলের শব্দ ভিড় করে আমার শহরে,,
ঘুম কাড়া রাত প্রহর জুড়ে বটের ঝুড়ির জট
ছাড়ানো চেষ্টা বেঁচে থাকার নাম, স্বপ্নগুলো
কোথাও যেন ঝলসে যায় ডালে ভাতে নুন ঝাল
কম বেশিরর ঘ্যানঘেনে মাছি বসা জীবনে।
কলমের নীবে উনুনের কালো ধোঁয়া জমে এভাবে
রোজ রোজ বর্নরা বিষাদ রঙা হয়ে কবিতার
বুকে আশ্রয়ী হতে চায়.... বড় একলা ওরা তখন।
ভালোথাকার সমস্ত শব্দরা সাঁকো বাঁধে অবুঝ শোকের
বুকে,, পৃথিবীর সমস্ত গোলাপি রংপেন্সিলে ঘুন ধরছে
একটি একটু করে।
বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৭
অধিনতায় হৃদয়
যে অধীনতা এই বেঁচে থাকাটুকু তার কোনো
নাম অভিধানে নেই।
প্রতিটা ভাঙনেরর পরে যা কিছু আঁকড়ে ধরা
তাকে কতটা জীবন বলা যায় জানা নেই,
অথচ একটা অস্তিত্ব অধীনতা পেতে চায়
কোনো আশ্রয়ে মনের ঘরে।
যা কিছু সামাজিক চুক্তিনামায় সবটুকুই কি
হৃদয় মানে!
পায়ের নূপুর কখন শিকলে বেশে, আর ক্লান্তি আঁকাশেঅনন্ত।
মানুষ বাঁচতে চায় কেবল খেয়ে পরে নয়, মনের আলোয়,,
হাত বাড়িয়ে আকাশ ,খুঁজে পেতে চায় নিজেকে নিজের আর্শিতে।
মেঘলা রঙের স্বপ্ন ,নানান তুলির টান, কখনোবা
নখের আঁচড়ে লেগে থাকা প্রেম।
,খুঁজতে থাকে নিজেকে কোনো মহাসমুদ্রের
তটে একা পরিচয়হীন দেখতে পায় মানুষ,
আকাশের চাদরে মিশে যায় নোনা গন্ধ,
নীলচে রঙের স্বপ্ন, কিছুটা বাঁচার অধিকার।
যে অধীনতা এই বেঁচে থাকাটুকু তার কোনো
নাম আমি অভিধানে পাইনি।
তাকে তুমি বেঁচে থাকা বল।
প্রতিটা হেরে যাওয়ার পর খুঁজতে থাকা একটা হাত
আশ্রয়ের উষ্ণতা যা কেবল ভাবনায়,
কারন এক গ্যলার্ধের অন্য 'তুমি' কবিতার পাতায়,,
বাঁচতে চাওয়া সঠিক নাম অভিধানে স্থান
পায়নি।
মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৭
আজো যখন
----------------------
আজো যখন আয়নায় সামনে দাঁড়াই
বড় সাধ জাগে বেঁচে থাকার, বড় সাধ
হয় ডাক নামটা যেন ছোয়াঁচে হয়ে থাকে
সমস্ত শহরে,
নোনা জলে স্নান সেরে বলি আরো বহুদিন
তোমার মুখোমুখি দড়াঁতে চাই যাতনা, তোমার
সমস্ত চিহ্নগুলো দিয়ে আলোর সাত রঙা বর্নদের
লিখে যাব পাতার পর পাতা,,
তারপর তোমার অমানিশা পাঠানো খামের
অন্তরস্থল ভরে ফেরত দেব আলোর শব্দদের,
যত আর্তনাদ মিশেছিল রক্তক্ষরণ এর ক্ষরস্রোতে
আমি তাদের প্রত্যেকে রেখেছি কোমোল যত্ন দিয়ে
পালকে পালকে। এত দিন আয়ুরেখা ধরে হেঁটে
জেনেছি সব যতিচিহ্নরাও চায় স্বপ্নের দেশে
সাঁকো বাঁধতে।
তাই বড় সাধ হয় বেঁচে থাকার, বড় সাধ হয়
ডাক নামটা ছোঁয়াচে হয়ে থেকে যাক শহরের
বুকে। তুমি ভালো আছো নিশ্চই এতো আলোর
খবর পেয়ে?,, জানলে খুশি হবে খেলায়
হেরে যাওয়ার নাম নিয়তি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৭
তোমার কবিতা( ৩)
"জোতস্নায় মিছরি ভিজিয়ে দিলাম
চাঁদকে পেয়ালা করে নিও.,".
ঘুম ভেঙে দেখি স্বপ্নের সব চরিত্ররা
কাল্পনিক নয়... কারন ভোরের জানলায়
আলো জীবন এর জানান দেয়,
দরজায় কড়া নাড়া অভ্যেস একলা হিমেল
হাওয়ার কারন তার জানা নেই কঠিন জ্যামিতি।
শেষ অবধি বদলানোর নিষেধ জারি তোমার কাছে
সমস্ত সংজ্ঞার মতো,
কারন আমার অসমাপ্ত কাহিনীর কোন কোন
অধ্যায় তীব্র যন্ত্রণা র আস্ফালন রঙ রেখে যায়,,
হাজার হাজার মাইল দূরে টেম্পেরার রঙ শুষে
যে বাড়িটার দেওয়ালে এখন ভীষণ অসুখের
ছবি টাঙানো সেগুলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব
তোমাকে সরিয়ে নিতে হবে।
কারন আমি দু:খদের ভেঙে ভেঙে মিশিয়ে ফেলছি
কোজাগরী রঙ, আর নতুন ইস্তেহার লিখে টাঙিয়ে
দিতে চাই মৃত শহরের পাশে, ঘুমন্ত কিছু প্রিয় গাছ এখনো
বেঁচে আছে আমি জানি এই শহরে।
আর কোনো এক নরম রোদ্দুর সেকা দুপুরে আমরা
ভীষণ মগ্ন থকতে পারি নদীর সব সুখ রঙা ছবি আঁকায়,,
তাই আজ গুলো যত্নবান করে খরচ করো,,
এতো কিছুর পর জানি বলবে পাগলি
এটা বাস্তব... ফিরে আয় ফিরে আয়।
আমি ফিরতি পথ ভুলতে রাজী একথা আমার
যে কবিতার খাতাটায় আষাঢ় আসতো ফি বছর
তাতে লিখে রাখলাম।
একদিন সময় তুমি পড়ে নিও সব অন্তর দহনের
পাণ্ডুলিপি,, আমার আগামিরা স্বপ্নে লালিত হোক
শত জন্মের অংগিকারে,,
মেঘের দেশে মেঘের সই।
বুধবার, ১ নভেম্বর, ২০১৭
নির্বাসিত উপকরণ
-----------------------------------------------
ঘষা কাঁচে ঘোষে গেছে চোখ, তবু তোমার
শব্দের বর্নদের ছোঁয়া আমার আঙুলের
মুদ্রাদোষ,
ঘর পালানো পাখির ছদ্মবেশে তুমি বা আমি,
সাজানো রাজ্যপাটে রাতজাগা দুচোখ কেবল
পান্নারং জ্বেলে সিলিং ভরা ভাবনার ভিড় গোনে,,
গাঢ় হয়ে আসা রাতে যোগাযোগ নিভে যায়
তোমার শহর থেকে আমার শহরতক,,
তোমাকে জানা অজানাই রয়ে যায় রোজকার মত,
যেমন আলোকে জানা শেষ হয় না কখনওই।
গরাদশোক বিচ্ছুরণ ছড়ায় সারা শরীর জুড়ে,
দুরত্বের বানানরা আরো দূরে সরে যায়।
জানি দেখা হবে ঘুমের ভেতর কোনো গভীরে
নরম স্বপ্নে,, দেখি....
রোজ হেঁটে যাওয়া পথে এক বাউল গান শোনায়
" যে তোরে পাগল বলে তারে তুই বলিসনে কিছু..."
তুলনাহীনা কোন আলোর পথে আনমনে স্মৃতি গাঁথা
কোন অলিক ইচ্ছাদের প্রানদান শেষ হয়। হেসে উঠি
সম্বিতে...
নিজেকে সত্যি পাগল মনে হয়....
মেঘের সই,,