বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

বাঁচতে শেখা

জীবন থেকে অপ্রয়োজনীয় ব্যাগেজ গুলো সরাতে পেরে 
খুব ভালো লাগছে ...  যেমন কে কি মনে করলো, কাকে খুশি করতে হবে, কার মন ভালো লাগছে না তার মন ভালো করতে হবে, কাকে ভালোবাসতে হবে,... উফফ জীবনে যেনো নিজেকে বাদ দিয়ে বাকি সব্বাইকে প্রায়োরিটি দেওয়া হয় গেছিলো ...এসব জাস্ট ঝেড়ে ফেলে বেশ পালক পালক ফিলিং এখন এই বেচেঁ থাকাটা ,
 ভাই আদালা লেবেলের আনন্দ 👌কে বলেছে স্বর্গ আর শান্তি এই পৃথিবীর বাইরে I feel সব এখানে Just বাঁচতে শিখি  আমরা বড্ড দেরি করে , but একবার  শিখে গেলে এই খেলাটা গ্যালারীতে বসে দেখার মজাটাই আলাদা তখন আর পেছনে ফিরে দেখতেও ইচ্ছে করে না কোনো পিছুটান exist করে না জাস্ট পালক feelings ♥️👌

বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

শক্তি রূপেন

মেয়ে তুই বারবার মরিস পুড়ে ছাই হয়ে যাস 
সমাজিক লেলিহানে, ভেসে যাস কখনো রক্তের স্রোতে কখনো 
গঙ্গায় ...
 আবার সহস্র যোনি পথ হেঁটে আসিস সংসার ভালোবেসে ,

মারের রূপ বদলায় চারদেওয়াল থেকে সে মার পৌঁছায় 
সমাজ সংসারে বাসে ট্রামে কর্মস্থলে... মেয়ে তুই ক্ষয়ে যাস,
মরে যাস  ওরা  মেরুদণ্ডে গুঁজে দেয়  যন্ত্রণার বিষ,
 ওরা তোর থেকেই  জন্মায়  অথচ তোরই জন্ম দ্বারে গুঁজে দেয়
পিশাচের হাসি গুঁজে  দেয় উল্লাস , 
তবু শেষমেষ জিত হয় তোর , মাটিতে পুঁতে দিস আগামীর জন্য যুদ্ধ অস্ত্র বীজ....মেয়ে তুই জানিস যতবার জন্ম দ্বার পার হবি ওরা আসবে অসুর হয়ে রং বদলে রূপ বদলে  কাঠামোটা  থাকবে পুরনো  ,
 সব ক্ষত সব যন্ত্রণা সব ভেঙে যাওয়া বুকে নিয়ে 
মেয়ে তুই তাই প্রতি জন্মে প্রতি  যুগে প্রতি যুদ্ধে 
শক্তি রূপেন্ সংস্থিতা ...
শক্তি রূপেন্ সংস্থিতা...
শক্তি রূপেন্ সংস্থিতা....


#সই (শক্তি রুপেন)





সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

বয়ে চলা দিন রাত

পাহাড় থেকে গড়িয়ে নামছো 
বাতাসে যাতনা উড়িয়ে দিয়ে ,
বহুকাল পর তুমি আমি দর্শক ও দৃশ্যের মত
বোবা অনুভূতি নিয়ে স্রেফ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি ।
এখন আমরা দুজনেই ভীষণ রকম স্রষ্ঠার ভূমিকায়
এখন আমরা প্রতিটা রঙের মাপ জেনে বুঝেই রোজনামচা জীবন এঁকে নিতে পারি ,
এখন আমরা হারানোর আচড় সামলাই নিপুণ ভাবে ।
কত্ত কিছুই এখন আমরা বয়ে চলা দিন রাতে সামিল করেছি।
তবু বেশির ভাগ রাতে এক অদ্ভুত ছটফটানি তোমাকে
আমাকে গ্রাস করে ....তুমি নিকোটিনে পুড়ে ছাই হও আমি উত্তরের বারান্দায় অপেক্ষাহীন রাতে আকাশ  দেখি ।


#সই ( বয়ে চলা দিন রাত)

আর কত দিন?

মহা মিছিলের ভিড়ে তুমি সঙ্গহীন এখন
 নিজের মৃত্যুর পর নিজের বেচেঁ থাকাটা 
খানিকটা স্মৃতির ক্যানভাসে চিল শকুনের তীক্ষ্ম ঠোঁটের জলসার মতোই,
 দিন পার  হচ্ছে বাতাসে  একটাই শব্দের আসাযাওয়া বিচার  চাই  আর বিচার শব্দের  অক্ষর যেনো খুব থুবড়ে  পরে আছে অত্যাচারের সিংহাসনের সামনে ।

 তারপর এভাবেই হয়তো  এই পৃথিবীও শিখে যায়
 শরীরের ক্ষত কে মাটি কিংবা আগুনে চাপা দেওয়ার কুশলতা। ,
থমথমে শহর চিৎকার যন্ত্রণা গিলে নিচ্ছে অদ্ভূত কায়দায় ,,
সূর্য  শোকাচ্ছন  চাঁদের আলোয় বিষাদ চাদর,
বৃষ্টি তুমিও পারছো কই এই পাপ ধুয়ে ফেলতে ?

 জেনে রাখো হে  শক্তিমান মুখোমুখি হতে হবে এই পৃথিবীতেই 
এই বেচেঁ থাকাতেই
শুধু দেখার ....আর কতদিন ?
আর কতদিন ?
আর কতদিন?
আর কত নির্ভয়া ?
আর কত অভয়া ?
আর কত তিলোত্তমা?

#সই (আর কতদিন)

রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সুবর্ণা এক চক্রব্যুহ (১০২)

রাস্তা চলতে কিংবা চায়ের দোকানে হয়তো মুখোমুখি হবো এই বেঁচে থাকার দিনগুলোয় কোনো একদিন,
পলাশ পরবে দেখা হওয়া  অচেনা তুমি আমির মত ভেতরে
চিৎকার ছটফট করবে অথচ অচেনা শব্দহীন দুই পথিক আমরা কেউ কাউকে চিনবো  না ,
হয়তোবা ক্যানভাসের স্থির চিত্রের মত পলক পড়বে না তোমার আমার প্রতি দৃষ্টির ... চোরা স্রোত চোঁখ থেকে বুক ছুঁয়ে যাবে,
খোলা ঠোঁটে বোবা অক্ষর অসহায় হবে সেদিন...

সেও এক অদ্ভূত ভাস্কর্যের মত তোমার আমার জীবনে শ্রেষ্ঠ দৃশ্য তাই না সুবর্ণা ?

আমাদের সুখের দিন গুলো এই দৃশ্যের কাছে  মুখ থুবড়ে পড়ে  থাকবে কোমায় থাকা জীবনের ভূমিকায়।
ওরা নিষ্পাপ হয়েও যাতনার ভাগিদারি হবে ।

আর তুমি আমি দিব্য  সংসারের রঙ মেখে আড়াল করে নেবো 
পচে যাওয়া ক্ষতগুলো ....কারণ আমরা পুরোদমে বাঁচার অভিনয়টা শিখে নিয়েছি ।

ভেতরে ভেতরে আমরা একে অপরের রচিত চক্রবুহ্যে বন্দী 
যেখানে যাবার পথ জানা ফেরার পথ অজানা।

#সই। ( সুবর্ণা এক চক্রব্যুহ )