বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭

আমার মুক্তি আমার ভেতোর

------------------------------------

পাঁজরের এক একটা হাড়ে যন্ত্রনা আটকে আছে সুজন,,
এই শহরের খাঁজে খাঁজে অসংখ্য জমে থাকা ময়লার মতো
তাই সব স্বচ্ছতা ভুলে কেবল কাদাজল মাখার পালা এবার,
দিনগুলো কেটে যায় সময়ের বাতাসে ভর করে
  স্বপ্নে কিংবা দুঃস্বপ্নর অপেক্ষা সময় করেনি কোনো দিন।
হাজারো পথ শেষ হয়ে  মেশে রাজপথে... যেন রাজপথ কোনো
স্বপ্নদুয়ারে শেষ,,  ইচ্ছায় ভেজা হয়েছে অনেক বর্ষা, এবার
নতুন করে ক্ষরিত রক্তে ভেজার পালা
ঠিক যেখানে তুমি ভিজেছো আমার মতো, আজ
সমস্ত ইচ্ছাদের তোমাকে দিয়ে গেলাম,,
চোখের পাতায় লোকানো মাত্রাগুলোয় এর পর
কোনো রাক্ষসী ঘুমকাঠি বুলিয়ে যাক
উঠোন জুড়ে নিয়মের অংকখাতায়  হাজার গড়মিল
থাকুক না হয় , তাতে সময়ের কি বা আসে যায়?
ঋতু মেনে বহু ফসল ভিজেছে ফেলে আসা বর্ষামাসে
ফলেনি সোনার ফসল... জায়গা দখলে জিতেছে হাজারো আগাছার ভিড়,
হাঁটু জলে দাঁড়িয়ে বার বার হতদরিদ্র হয়েছি,,
তাই  নিয়মের সব দরজায় এবার কুলুপ।
যে যুদ্ধটা সময়েএ কাঁটার সাথে ছিল বরাবর
এবার সেটা ছড়িয়ে গেছে সমস্ত শরীর জুড়ে,
দামামার আওয়াজ বাড়ছে ক্রমাগত ধমনী জালে।
যে আলো  প্রথম পথ বাতলে দেয় তার পুড়ে যাওয়া
মনে রাখে না কেউ... দেখে কেবল আলো।
আর নিয়ম মাফিক  মানুষ ছুটতে থাকে সেই আলোর পথে,,
অনেক দরকার আর দরকার থাকে না অপচয়
হয়ে যায় সময়ের নিরিখে,, একটা আশ্রয়, একটা ছই
সব কেবল ভাবনায় আসে যায় ঘুমপাড়ানি গান হয়ে
যেমন সুজন তুমি কোনো পক্ষিরাজ চড়ে রাক্ষসী রাজ্যে
আমার ভিতর কোনো রূপকথার মত এগিয়ে আসো
প্রতিক্ষণ।
তবুও পাঁজরের খাঁজে  আটকে থাকা যন্ত্রনারা জমতে
চায়  সময়ের নিয়মে,, একের পর এক গন্ধে, বর্নে, স্পর্শে
আজ এই শহরের মত আমার ভেতোরেও ময়লা জমছে অসম্ভব রকম।
আকাশ জুড়ে মেঘেদের অভিধানে অভিমানের পাতাটা
লুপ্ত হয়েগেছে,,
যে বৃষ্টি ভিজেছি একলা সে বৃষ্টিতে ভাসিয়ে দিলাম
সুজন আমার সমস্ত সংবেদন ভাবনাদের নাম না জানা দেশে।।

বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০১৭

স্বপ্নের পথে

চাল আলু ডাল এই তো সংসার,
আমি এর থেকে বেশি কিছু সংসার দেখিনি।
আমার স্বপ্নের ঘরে 'তুই' শব্দটা বড্ড মাত্রায়
সম্পৃক্ত,, তাই ভোরের আগে দেখি কোনো পিরামিডের
তীক্ষ্ণ চুঁড়ায় তুই আলো হয়ে সময় দেখছিস...
আমি কোনো দূরবীনের কিনারায় চোখ রেখেছি
তোর উদ্দেশ্যে,
উর্দ্ধশ্বাসে তোর দিকে আমার দুরত্বের মাইলস্টোন
পেছনে ফেলে এসে সব কটা পিরামিডচুড়া মাথা
উঁচু করে চাইতে থাকি সমস্ত তৃষ্ণা নিয়ে,,,
পাই না তোকে.... এক লহমায় ঝড় ওঠে মরুভূমি
জুড়ে, সেই ধুলিঝড়ের মাঝে তুই কোনো কঠিন
তপস্যায় আচ্ছন্ন  আর শতাব্দীর  প্রথম
সূর্য রশ্মি তোকে ছুঁয়ে অন্ধকারের বুকে
পথ আঁকছে।
আমার ডাক তোর আচ্ছন্নতার পাঁচিল পেরোতে
পারছে না.... আমি তোকে জাপটে কোলে তুলে
আমার সব কান্না দিয়ে ভিজিয়েছি,  সকাল বেলায়
আমার স্বপ্নেরা জানলায় কাঁচে শিশিরজল হয়ে
ঝরে গেছে।
সংসার মানে চাল ডাল আলুর বেশি আমার
কাছে কিছুই নয়। আমার বাইকের কয়েকটা
গিয়ার ওঠা নামায় সকল চাওয়া আর পাওয়ার
সিম্ফনি....
মাঝপথে হাওয়ার সাথে তোর কথা বলা
এইটুকু আর একটা দিন শেষ করি,, আয়ুরেখা
ধরে খানিকটা এগোনো,  এগোনো  খানিকটা
তোর দিকে,, এই ভাবে রোজ স্বপ্ন বুকে
করে আমি সময়ের কাছে জিতেছি জন্মাবধি।
আর আজ তোর কাছেই সীমারেখা টানতে চাই,,
আমার আর কিচ্ছুটি করার নেই, জানার নেই, পাওয়ার নেই
আমার সমস্ত চাওয়া পাওয়া জুড়ে আমার আলো আমার
ঈশ্বর, আমার স্বপ্ন।

খোঁজ

------------------------------------------------

নিজেকে খুঁড়ে চলা রোজ রোজ এ যে
কিসের খোঁজ  বহুবার জানতে চেয়েছি
নিজের কাছে,, উত্তর কেবল দ্বিধাকরণ
করে ভুলিয়ে চলেছে জন্মথেকে আজ অবধি।
সব কনাগুলো জুড়ে যে পথের সরলরেখা
টানছে সময়ের পেন্সিল বারে বারে এক প্রচেষ্টা
হঠাত দৃশ্যের বাইরে থেমে যাওয়া.. ...আর বাইরে  নিরবধি
বর্ষা... ঘর ভেজানো ঝাপটা,
এতোকালের একমুখী বৃষ্টিজল দেওয়ালের
কান্না সমস্ত আসবাব ক্রমাগত ভিজিয়ে চলেছে,,
স্যাঁতসেঁতে ইঁট কাঠ কংক্রিট যেন পচে যাওয়া
দেহের মত,,  মাটি চাপা দেওয়া নিজের পুরোনো
শব খুঁড়ে একটা একটা করে সাজিয়ে রাখা,
সব শবেরা এখনো মুখোসে,, সামনের শুখনো
গাছে বসে থাকা শকুন অট্টহাসি ছড়িয়ে নিমন্ত্রণ
জানালো সমস্ত পড়শিদের। তখনো এক  আচ্ছন্নদৃষ্টি
খুঁজে চলেছে পাললিক কোনো মুখোসবিহীন
শব। সম্বিতে আনলো এক বজ্রকীট... যেন  সমস্ত জন্মেরশোধ
এই জন্মের স্নায়বিক চেতনাকে ছিঁড়ে খেতে চাইছে।
হাতড়ে বেড়াতে থাকা   সম্বলেরা  অস্তিত্বর
কাছে মাথা নিচু করে থাকে....  যেমনটা মৃত্যুর কাছে
অসহায় বেঁচে থাকার মাথা নিচু।
সময়ের নিরিখে আঁকা পথ শেষ হয়ে যাওয়া
পেন্সিলের সিসের শেষতক চলা.... এসব যেন
সময়েই খেলা,,  এক পথে তুমি আমি সময় আর
দিগন্তরেখা ছোঁয়া ভিড়,,
ঘরের কাছে পথ শেষ হবে কিনা জানা নেই।
তাই শব্দ খুঁড়ে জমা করছি একলা হয়ে যাওয়া
সমস্ত আয়নার টুকরো গুলো।


সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০১৭

এ কেমন কান্না তোমার?

-------------------------------------------------

খবরে আজ কদিন কেবল একি বার্তা
সারাদিন বজ্র সহ বৃষ্টি আর দুর্যোগ,,
ঘুমভেংগে যায় একটা অস্পষ্ট কান্নার
শব্দে,। সাড়েতিন বছর সে কান্নায় এমন
অসহায় ঈশানী মেঘে ঝরেনি,,,  সকাল দেখতে
মন চায় না ইচ্ছে করে গান্ধারীবেশ ধারন করতে,,
সুঁচের ডগায় লাগা কান্নার রং ঘন হয়ে দেখো
বৃষ্টিতে মিশছে.... চিনতে পারছো সমাজ
কামনার রঙ কত তিব্র কত জঘন্য।
সাড়েতিন বছর বয়স.....তাতে কি সেটাও তো
একটা শরীর,  যা কিনা বাসনায় মোড়া কামনার
রক্তমাংস পিন্ড।
খবরটা পড়তে আর ইচ্ছা করলো না এতো
রোজকার সামাজিক আহুতি,,  যেন রোজকার
আবহাওয়া সংবাদ...।
তুমুল ঝড় উঠছে তর্কের টেবিলে গরম চায়ের পেয়ালায়,
বুদ্ধিজীবীদের তর্কে প্রবল চেতনা ভাব,, একটা
কফিনে ডাকা কান্না কেবল নীরবে চলে যাচ্ছে
সামাজিক ভগ্নাবশেষ থেকে দ্রুত গতিতে,,
বুকের ভেতোর মৃত্যু কাঁদছে ডুকরে...
যদি কোনো আরাধ্য থাকে একটাই প্রসাদিত
আর্তি,  মানুষ জন্ম দিও হৃদয়... দিয়ে বিবেক দিয়ে।
শিশু যেন শিশু হয়... নয় নারী নয় কামনার মাংসপিন্ড।।

আজ শ্রাবণে

-----------------------------------

আজ কিছু বলার ছিলো না তোকে.... . এই অসম্ভব
শ্রাবন যেন  আমার সব কথা আমার অনুমতি
না নিয়েই বলে চলেছে... টেবিলে মাথা দিয়ে
আমার আচ্ছন্নভাব আর মন খারাপের স্যাঁতস্যাঁতে
ঠান্ডায় আমি ভিজছি.... সারা শহরে জল থই
থই যেন,  আমার সমস্ত বেদনা আমার আসবাব
ভাসিয়ে অন্য ঠিকানায় ঘর বদল,,
নিয়মমাফিক হাঁটছি হাঁটু ভিজিয়ে পায়ের নিচে আমার
যাপন, পিঠে আমারি আগলে রাখা দায়ভার,
আজ আর কিচ্ছুটি বলতে ইচ্ছে করছে না..
মুঠোফোন লেগে থাকা অভ্যাস যেন আমার ঘুমঘরের
শুকসারির গল্প বলা রুপকথা,
বাহানা এড়িয়ে তোর আঁচলের থেকে হাত সরিয়ে
একলা ভিজতে মন চাইছে..... এ আমার যে কি
হয় আমি বুঝিনা , মনে হয় তুই আছিস তবুও আমি
একলা ভীষণ,  তোর গায়ে আমার ভেজা মন মুছে আমি
আবার একলা.. আসলে মানুষ বড় একলা।  যেমন সব
কটা বৃষ্টি ফোঁটা নিজেরা ভীষণ একলা,
আমার মত তোর মত,,  তাই কোন অনুমতি নেয় না ওরা
শুধু ঝরে যায়  অসম্ভব অভিমানে।
আজ কাল এমন অনেক দিন কাল মাস তোকে
ছোঁয়া হয় না, স্বপ্নে ভর করে তুই আসিস আমার
অমানিশার আকাশে, নীল রঙা শাড়ীতে আমি
তেজপাতা রং জল আঁকি,, আর ঘুম ঘুম রাত
বুনি ইচ্ছা সুতোয়,
ধুস এতো যে কি ভাবি... এই পাগল মন
যত ভাবনা আসে অকারণ...।
আজ কিছু বলার ছিলোনা তোকে...
আমার আর্শিনগর আজ শ্রাবনে ভীষণ অভিমানে
ভিজছে সারাদিন।।

রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৭

অভ্যাস

---------------------------------------------------

রোজ যেমন সকাল  ছোঁয়ার অভ্যেস এই চোখ দুটোর
তেমনি তোমায় চাওয়া কোনো ঈশ্বরীয় ভাবনায়,
ক্রেতাদস্তুর বাজারে নিজেকে হাত বদল করা অস্তিত্বে
খিদে লেগে থাকা রোজনামচা ।
গড়িয়ে নামা স্বার্থে সমস্ত সম্পর্কীয় গল্প
হিসেবের খাতায়।
নিজেকে গঙ্গাফড়িং ভেবে পা দুটো ঘাস ছুই
গুড়ি গুড়ি আলোগুলো সংকেত দেয় পাখায়
জড়ো করি অজানা   উৎসবের দিন উজ্জাপনের
আশায়,
কিছু সময় রাখি পকেটে পুরোনো পাঁচসিকেদের,
জমানো সঞ্চয় আগামির কানো সময়ের জন্যে,,
কবিতার অক্ষরে তোমায় জানিয়ে রাখি সব
আবদারের  ফিসফিসানি,
শব্দরা আসে যায় কখনো তোমার কখনো
আমার কলমের নিবে, যেন  সাঁকো বাঁধছে
তোমাতে আমাতে।
সভ্যতা থেকে অনেক দূরে কোনো আদিম শুরুয়াতের
ভুমিকায় দাঁড়িয়ে থাকা প্রথম চরিত্র তুমি আমি।
ফুরিয়ে যাওয়া আগুনের শিখা ভেসে যায়
দূর কোনো আকাশে ওড়া পাখির চোখে,
ফিরে আসা নীড়ে,,,
আজ থেকে তোমায় কথা দিলাম সমস্ত
অন্ধকার মেঘলা দিন গুলোতেও আমি ভালো থাকবো।
পুড়িয়ে ফেলেছি সমস্ত কোটরে রাখা নালিশের
নিরন্নতা ।
মন কেমনেরা  আজ থেকে অপরিচিত পথিক,কোনো
প্রান্থশালায় অচেনা মুখ,
রোজ সকাল যেমন আমার চোখ  ছোঁয়ার অভ্যেস
তেমনি কোনো ঈশ্বরীয়য় ভাবনায় তুমি আমার স্পর্শ
,,আমি বলতে পারি এখন... তোমাকে পাওয়ায় জন্য
আমার তোমকেও দরকার নাই।

শনিবার, ২২ জুলাই, ২০১৭

তোর আদোরের সকাল

-------------------------------------------------

একদিন সময় আসবে স্বপ্নগুলো ছুঁতে,
সকালের রৌদ্রে সেদিন  পুরবী আগমনী বাজবে।
সেদিন আমাদের দরজায় আমরা দাঁড়িয়ে
দুহাত মিলে তুলে নেবো সেই গোপন আমাদের বাগানের গোলাপটাকে।
সকালের প্রথম আলো হয়ে তুই আমার সর্বস্ব ,
তুই বলবি আয় আমায় জড়াবি আয়।
বাগানের সমস্ত রঙিন ফুলে আমাদের আদোর
যেন শিশিরজল হয়ে চুঁইয়ে পড়বে,
সময়ের দুর্বলতা ,কালি মাখামাখি সব গত হয়ে
যাওয়া রাত্রির মত শেষ হয়ে যাবে,
প্রাতরাশে তোর পছন্দসই স্যান্ডুইচ সংগে মাখন।
হারিয়ে যাক আমার সমস্ত আভরণ , ঝগড়ায় লেগে
থাকুক তোর বুকের গন্ধ মাখা সমস্ত আবদার,
কথারা থাকবে চোখের নালিশে, রাতের বালিশে তোর আদোরে
অনেক স্পর্শ শুধু গত কাল স্বপ্ন যেগুলো অছোঁয়া... সব মেখে নেওয়া।
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা যেমন কাছে টানে স্বপ্ননিয়ে
আমাদের তেমন টান এক গোপন হাতছানিতে সারাক্ষন
জীবন খোঁজা,
সারাক্ষন তোর শব্দরা আমার শরীর বেয়ে গভিরতায় নামছে।
খুব সহজে আমার ভেতোর রোজ বেড়ে উঠছে
আমাদের সেই ঘর,,
আমাদের  দরজায় ফুলে ঢাকা নেমপ্লেট।
ফুল সরিয়ে তোর স্বপ্নের কোনো ঠিকানা,
শীতল রোদ্দুর আমার অগোছালো চুলে তোর উষ্ণতা
তোর ঠোঁটে আমার তৃষ্ণা যেন পাহাড়ি ঝরনাধারা অবিরত ।
তৃষ্ণার্ত কান আমাদের,, আর দুজন মুখোমুখি  বাসি ঘুমে
আদোর জড়িয়ে  গুড মর্নিং ......সোনালি সকাল দেখ
সূর্য উঠছে পাহাড়ের কোলে তোর আদোরে।

বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০১৭

ভালো থেকো

----------------------------------------------

শহর জুড়ে জং ধরা সম্পর্ক ভিজছে যাপনীয়
বৃষ্টিতে, শ্রাবণে গেছে অনেক ধারা
অবহেলায়.... স্তরে স্তরে আজ খয়েরী রঙা
অভিমান,  ভালো থাকার জন্য মেঘলা শহরে
আকাশে মনখারাপের বেলুন উড়িয়ে..
আবার কবিতায় সুখী হতে চাওয়া।
এঁটো বাসনে পুরোনো ক্ষিদে লেগে থাকে সাথে
বাসি হয়ে যাওয়া বাঁচতে চাওয়ায় একটা রুটি,
যন্ত্রণা ঘুমিয়ে থাকুক আহত নদীর ঘোলা জলে,
সময়ের ঘুর্নিঝড় ডেকে যায় এসো.. আমাতে
মিশে যাও। বুড়ো ঘড়ির কাঁটা থেমে গেলেও সময়
দাঁড়াবে না,,
বার বার এ শহর হোঁচোট খেয়েও আগামী ছুঁয়ে
চলেছে... তুমি আমির সমীকরণে।
ভালো থাকার একশো এক উপায় রোজ
বিকিয়ে যায় লোকাল ট্রেনের কামরায়, যাত্রীরা
পুজোর ফুলের মত কপালে ছুঁইয়ে সেই ভালো থাকার
পাণ্ডুলিপি গুঁজে রাখে নোনাধরা দেওয়ালের ফাটলে।
এভাবেই সব শ্রাবনেরা আসে যায় বারংবার, উৎসব এর
বুকে লুকিয়ে থাকে অন্য কোনো উৎসব।
তুমি আমির সমীকরণ মেলাতে কোনো সুদিনের
অপেক্ষায় ট্রাম লাইন আঁকড়ে পড়ে আছে ভালোবাসা।
জং ধরা শহর প্রতিক্ষন ভিজে চলেছে যাপনীয় বৃষ্টিতে।

মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই, ২০১৭

প্রবালিকা

--------------------

প্রতিরাতে কিছু জমা থাকা অনুভুতি ছড়িয়ে যায়
তটরেখা বরাবর,,  জোয়ার এসে সময়কে টোকা মেরে
বলে যায়,, স্থায়িত্ব খুঁজোনা....  বেলাভূমিতে ঘর বাঁধলে
স্বপ্নেরা ভেসে যায়  আগলহিন স্রোতে।
মেঘেদের চোখে জল আসে...  ভেজা মাটি ধুঁয়ে যায়,
সমান্তরাল হেঁটে যাওয়া ওভারহেড তারে ফোঁটা ফোঁটা
কিছু জল খানিক পথ সংগি,  অনেকটা ভালোবাসা
মুহুর্তে বুনে ফেলা ইচ্ছার সামিয়ানা,,
তার পর নিয়ম মেনে ঝরে যাওয়া... যেন
জীবন কেবল  সময়ের ফোঁটা।
বুনে ফেলা স্বপ্নগুলো জড়োয়ার অলংকারের মত
বাক্সবন্দি,
ফুল গাছের টবে ঋতু ঘুরে যায়, সাবধানী বারান্দায়
নতুন কুঁড়িরা আসে,,
দূর কোনো স্টেশনে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনের বাঁশীর
রেশটুকু নিয়ে সুখের ঘরে ঘুম আসে নিশ্চিন্তে,
নির্বান্ধ  রাতের বুক চিরে একটা জোনাকি আবার নি:সংগ
কোনো সমুদ্রনাবিক বরাবরের জন্য।
সময়ের প্রচ্ছদ থেকে চলে যায় সমস্তরকম ধারাবাহিক
স্রোতেরা,, ঈশ্বর বৃষ্টিছোঁয়ার দাগ কুড়িয়ে  অপাংক্তেয়
কাহিনীকার চিরদিনের।

রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০১৭

শব্দ

-----------------------------

অবিকল মুখের মত অজস্র আয়না নাকি
মুখোশ চারপাশে, কেবল যন্ত্র  থেকে প্রসবিত
যন্ত্রণায় বাঁধা আষ্টেপৃষ্ঠে,,  হেঁটে চলা এক দায়বদ্ধতা,
জীবনের চিৎকার কেউ শুনতে চায় না,  অথচ
এই বেঁচে থাকাটাই বড় অসহায় হয়ে যায় মৃত্যুর
আসরে, চামড়ার ফিতেতে ক্ষুর ঘষতে ঘষতে
লোলুপতা বেড়ে যায় অবিকল মুখেদের চাহনিতে।
ফুসফুসের রক্তে বেড়ে ওঠা থাইসিস ক্রমশ
ছাপিয়ে যায় সমস্ত শহরে, অবাঞ্ছিত মৃত্যু পড়ে
থাকে হিমঘরে... খানিকটা যত্নে,
জীবন যে সময়ের বুদবুদ সকলেই জানি, আর
এই জানাটা কেবল অন্তরে অন্তরে,  তাই সকল পুড়ে যাওয়াও অন্তরে,, সমদ্ররংগে লেগে থাকা আকাশ বোঝেনা দুজনের
সমান্তরাল পথ দিগন্তপ্রসারী....যারা কেবল
চেতনায় মেশে,  হৃদয়ের
বন্ধ জানলার কাছে এসে বাঁচার নেশা সরু ঠোঁটের
ঘা মারে...বলে খুলে দাও
খুলে দাও,, বড় অসহায় লাগে স্বপ্নভংা  রাত গুলো,
ভোর এলে দেখি আমার মত ঈশ্বরও দাঁড়িয়ে আছে
রাতের শেষ ট্রেন আসেনি ফেলে আসা রাতে।

আমার নিতান্ততা

---------------------------------------------

নিতান্ত তোমায় পেয়েছি সময়ের ধারায়,
হয়তো কখনওই অপেক্ষা ছিল না সবুজ
কোন বারান্দার নতুন সকালের,,
আমার সমস্ত ফেলে আসা জন্মদিন কেটেছে
ধুলোয় ধুলোয়.... রাস্তার ধারে ফুটে ওঠা
ফুলেদের কখনওই ফুলদানির সাধ কিংবা
ঈশ্বর ঘর স্বপ্ন আসে না,, 
তারে আটকে থাকা ঘুড়ির মনে কেবল অন্তহীন
ভাঙচুর সেটা মেনে নেওয়া এই স্বত্বজাত,
মহান সংকল্পিতা নই,,  বাঁচার জন্য যতসামান্যতা
তোমার আশ্রিত এখন.... তোমায় ঘিরে আগামী
কোন দুচারদিনের বেঁচে থাকায় একটা জীবন
ব্লটিংপেপারে গচ্ছিত কাঙাল তোরোণে।

আমার খুটে খাওয়া রোজনামচায় তুমি বরাদ্দ নও জানি । ব্যেস্ত হতে ব্যেস্ত হই ভুলতে চাই
আমার পায়ের ক্ষত,,  দুরত্ব কেবল আমার
জন্য কারন ক্ষতরা আমায় জড়িয়ে, আর
আমি কোনো এক অন্য শহরে ব্যেস্ত ভিড়ে হোঁচোট খেতে খেতে আমার আধটুকু নিশ্বাস খুঁজি।
আজ কাল একলা হতে ভয় হয়, মাথার শিরায়
অসম্ভব জট খেই হারিয়ে ফেলি পথের.... গত কয়েক
দিন নিজের জন্মাবধি শুনে আসা নামটাও ভুলে
যাচ্ছি,,  ফুরিয়ে যাওয়া  মানে কি হেরে যাওয়া?
জানি না জীবন জিতিয়েছে কতটা!  তবে শিখিয়েছে অনেকটা,, আজ কাল বড় ক্লান্ত লাগে
বীষগুলো গলা বেয়ে শরীরের ধারায়...
তুমি ভাব আমি অভিমানী.... সুজন আমার
আর এজন্মে অভিমান করা হল না,,  হল কেবল
ইচ্ছেদের সৎকার করেছি বারংবার,,  আমায় মহান সংকল্পিতার
তখমা দিওনা প্লিজ... পারলে একমুঠো মাটি দিও।।

শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০১৭

অভিসার

--------------------------------------

তোমাকে আস্তিন করে এই কাঙাল হৃদয় শুধু ঢাকতে চায়
নিজেদের রাজপোশাকে  সাজিয়ে শুধু বিভোর হওয়া,, বাকি থাকা আয়োজনগুলো
ভুলে যাওয়া যদি সম্ভব হতো ভালো হত।
তবে তো হৃদয়ের দরবারে দরবারীরাগে
কোমল সবকটি স্বর তোমায় ছুঁয়ে ছুঁয়ে রাত পেরোয়। ভোর রাতে শিশির ধুঁয়ে বৃষ্টি এলে  মনে হয় বার বার   তুমি আছো তাই এতো কাছে তাই...
পুরোনো গানের কলিতে একটা তৃষ্ণার্ত পৃথিবী
ভিজে যায় মনে মনে,
তোমার হৃদয়ের গিটারে বাজতে থাকা অস্তিত্ব জানান স্পর্শ আছে থাকবে,, স্পর্শ ভোলা যায় না।
কিন্তু ভুলে যাওয়া যদি সহজ হতো তবে মৃত্যুর পর
দেরাজে মন খারাপের মিষ্টি স্পর্শ গন্ধ রাখা থাকতো না,
ভুলে যাওয়া যদি সম্ভব হতো তবে থাকতো না চোখের জল নদী কোন কাহিনীকার হত না।
খালি সময়টা তোমায় মনে পড়লে কাছাকাছি
মিশতে চায় বাতাস... তখন ব্যেস্ত হই বাহানায়
কিন্তু ভুলতে কখনোই পারে না।
চটি জামা ছেড়ে রাস্তায় দাঁড়ানো  এই হৃদয়
তোমার খোঁজে সময় বুনতে থাকে,,
শুধু চলতে থাকা পথ  তোমার অস্তিত্বর খোঁজ পথিক হয়ে
বারংবার হোঁচট খায় ,উঠে দাঁড়ায় আর চলতে
থাকে একটা ঠিকানার পথে।।

শুক্রবার, ১৪ জুলাই, ২০১৭

রাধা

--------------------------------------------

বিকেলের  রোদে   মনখারাপের মেঘ যেন
শ্যাম রঙা  ওড়না  মেলছে,,
হৃদয়পুরের খামার বাড়ির বারান্দা  ছুঁয়ে গড়িয়ে নামছে টুপ
টাপ জল,
বৃষ্টির আদরে তোমার গায়ের গন্ধ লেগে,,  আমার বারান্দার
সবকটি গাছ যেন গর্ভবতী...
চাদরে আলসেমি জড়িয়ে আমি সেই আদর মাখা গর্ভবতী
গাছেরা তোমায় লেখা কবিতা শুনি.. আমার ছুঁয়ে
যায় সমস্ত ভালোবাসার বর্নরা।
এইভাবে কোনো বৃষ্টি দিনে রোদেরা দুঃখবিলাসী
হতে চায়,
তোমার চোখে ঘুম  ছুঁয়ে থাকা স্বপ্নগুলো কস্তূরী ঘ্রানে ডুবে যায় ।
এইভাবে কোনো আদরে আবেশিত হয়ে পড়ে আমাদের প্রচ্ছদ।
তোমার বুক ছুঁয়ে নামা এলোমেলো ধারার আমি বৃষ্টি ভেজা রাধা,
হওয়ার সমস্ত সাধেরা শব্দজব্দ খেলায় মাতে,,
তুমি আকাশের গায়ে সেই অগোছালো বর্নদের জুড়ে একটা গোটা
কাহিনী  আঁক।
তোমার  বুকে লেগে থাকা শিহরণ মাটি গভিরে
নিদ্রাহীন অন্ধকার হেঁটে যায় প্রতিরাতে,,
কিছু স্পর্শ বিকেলের বৃষ্টিতে চায়ের কাপে খুনসুটিতে
খিলখিলিয়ে ওঠে।
আর তুমি ভিজতে থাকো আমায় নিয়ে ফুটপাতের ধার
ঘেঁষে।
তোমাকে জড়িয়ে  একটা ধুকপুকুনি চুপিচুপি বলে
ভাগ্যিস ঈশ্বর  তোমার হৃদয়ে আমার ঠিকানা
লিখেছিল,, মনখারাপ বৃষ্টি তখন রামধনু আঁকে
আমার উঠোনে।
বিকেলের চাদরে তোমার তৃষ্ণা এখন
শহর জুড়ে ফিস্ ফিস্ অনবরত টুপটাপ
তোমার কথা বলে চলেছে।
শব্দহীন কোনো নীরব ইচ্ছা চুপিচুপি তোমার সাথে
নিতান্ত একটা দুটো দিনের কথা বলে।
কারণ শুধু কবিতায়  তোমাকে ছুঁয়ে থাকা,
তোমার সমস্ত 'ধারা'র আর্শিতে আমি তোমার
'রাধা'।

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৭

হতেই পারে এমনটা

------------------------------

এমনও হতে পারে এক ঘন রাতে বাতাসে
দ্রবীভূত তুমি আমি একসাথে,, শহরের
ঘুম ভাঙে দায়বন্ধন বাসি উঠোনে জলছড়া দিতে দিতে
  লক্ষ্যে আসে আমরা আর নেই।
সামনের চওড়া পিচ রাস্তায়  কালিতে অপেক্ষা করে
আমাদের সমস্ত অস্তিত্ব সাদা খইফুলের।
ওই পথ বেয়ে চলে যাবে সমস্ত জৈবিক সম্পর্ক,
এটুকু বলতে পারি পৃথিবীরর পরেও এক মাধ্যাকর্ষণতত্ত্ব
আমাদের আত্মিক আহ্নিকগতিতে মিশে থাকবে।
ভালোবাসা অমর সে কথা তোমার চেয়ে বেশি কেউ যে জানে না,
তোরণের অক্ষরপুঞ্জ রয়ে যায়  ধুলোপড়া অজস্র ইচ্ছার মতো।

গভীরের স্পন্দনে  প্রবালিক কোনো শীলায় বেড়ে উঠব একসাথে,

বুকভরা নিশ্বাস নিয়ে বাতাসে খুঁজে নেব স্বাধীনতা।
সেদিন পাগলের মতো হাসবে ঈশ্বর 
পাগলাটে চাহুনিতে ঈশ্বর লিখবে নতুন অধ্যায়।
সেদিন তুমি আমি  আকাশের দিকে তাকাবো একসাথে
কারণ সেদিন তবে আকাশে রামধনু আমাদের উত্তরণের
উৎসব।
এমন হতে পারে
কোনো এক রাত্রিতে তুমি আমি আকাশের বুকে একসাথে
দূরে কোথাও কোনো উজ্বল নক্ষত্রের ভুমিকায়
আর একসাথে  নেমে আসবো মাটির মাটির বুকে।
সেদিন সেটা তারা খসা রাতের নতুন কাহিনীর  শুরুয়াত।
কারণ আমরা আলাদা বাঁচতে পারি না।

বুধবার, ১২ জুলাই, ২০১৭

তোর ভৈরবী

----------------------------------------
নির্বান্ধব রাতে চোখের দুয়ারে একটা
গল্প রোজ কিছুটা আল্পনায় ভরে দেয়
সমস্ত অবয়ব জুড়ে,,  ঘরের সিলিংএ বিন্দু বিন্দু
তারারা জেগে ওঠে.... রুপরেখা জুড়ে দিলে
মনে হয় ঠিক তোর ভৈরবী...... যেন কোঁকড়ানো এলো
চুলে শ্যেমা রঙা।  তোর আদরে স্বপ্নগন্ধী রাত
সারা শরীর জুড়ে জোৎস্না স্নানে স্নিগ্ধ হয়,,
তোর প্রচ্চদে লেগে থাকা সব সমস্ত উত্তাপ
তখন ক্ষরস্রোতে বইছে।
আয়ুতে জড়িয়ে সবুজ লতিকা যেন আরো
সবুজ হয়ে ওঠে.... কবির গানের সুরে সুর মেলাই
দুটো আত্মা একসাথে "সখি ভালোবাসা কারে কয়...
সে কি কেবলি যাতনাময়..  আমার চোখে তো সকলি....
তারপর সলমাচুমকিরর রাত পেরিয়ে  বিচ্ছিরী
সেই তারাটা ধীরগতিতে সেঁধিয়ে যায় তোর ছেচল্লিশএর
বুকের ঘুলঘুলিতে ,, তন্দ্রাতুর পায়রার ডানায় ছটপটানি...
এ যেন স্বপ্নগন্ধি রাতের কস্তুরী ঘ্রান ঝেড়ে যাপনীয়তায়
ফেরার তাড়া।
স্নানঘরে গুছিয়ে   নিতে হয় আজ সারাটাদিন
সমান্তরালে হাঁটতে থাকার উপকরণ,, ফাটলধরা দেওয়ালের
ফাঁকে গুঁজে রাখিস তোর নকশীকাঁথার সবুজ কলমি লতাকে,
ঘর ছেড়ে ফুটপাত আর প্রেমিকের চোখে ভিজতে থাকা অবিকল
সুখের ছবি...... আজ শহর জুড়ে বৃষ্টি নেমেছে,, আজ ভিজবো দুজন একসাথে।

ছুঁয়ে যাওয়া বৃষ্টিজল

-----------------------------------
তোমায় ছুঁয়ে যাওয়া বৃষ্টিজল নীলনদের
উপকথায় ধারাবাহিক উপন্যাস, তোমার ভয়
পাওয়া ছায়ায় আলো লুকিয়ে আছে সে কথাও তো
ঘরের ঘুলঘুলিতে ডেকে যাওয়া চড়াইপাখিটা জানে।
এতোটা অভিমান রেখো না তোরণবন্দি করে, আমার
বয়ে যাওয়া পথের প্রত্যেক প্রান্তিক ভালোবাসা তুমি,,
কখনো বেখেয়ালি মনে তোমার বারান্দায় স্নানে যাওয়া
সূর্য দেখেছো?  একবার খেয়ালী হয়ে চোখ ভাসিও...
তোমার সামনের একফালি আকাশটায় একটা বিচ্ছিরী
তারা তোমায় ভালোবাসে।  তাই রোজ মৃত্যুর খুব কাছে
দাঁড়িয়ে থেকেও অসম্ভব ভালোবাসে নীল নদে বয়ে
যাওয়া জৈবিক উপকরণগুলো,,,
অভিমানী  দুপুরগুলো আর বিষাদের রাত যাপনীয় দেওয়ালের
ফাটলে ফাটলে গুঁজে রেখেছি বহুকাল ধরে। হয়তো
বিকিয়ে যাব সামাজিক কোনো হাটে কেতাদুরস্ত সভ্যতার
কাছে,,
জমে থাকা হৃদয়ের পলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে একটা
রামধনু আকাশ সে তো চিরন্তন। জানি সুজন
এতোকিছুর পরেও তুমি পলাতক চোখের
জলের কারণ খুঁজে বেড়াবে ভোরের শিশিরের কাছে,
আমি হারাবো না একথা অযুত বার তুমি জান,,
লক্ষির ঝাপিতে রোজ গুছিয়ে রাখি তোমার খেলার
সব কড়িগুলো,,  আমাদের ঘর নীলনদ পেরিয়ে
কোনো বৃষ্টি ছুঁয়ে থাকার দেশে।

সোমবার, ১০ জুলাই, ২০১৭

আকাশের নিচে একটি বাড়ি

------------------------------------------
দুরত্ত্ব মেপেছি অনেক বার নিজের
ছায়ায় কুলোয়নি কখনওই,,  মাইলস্টোন
গুলো পথ হাঁটছে যেন সব পথ সময়ের ব্যেরিকেটে
বাধ্য সমিকরন। একটা ঠিকানা লেখা চিরকুট
যেন অক্সিজেন বইছে মাইলস্টোনগুলো বুক
ঘেঁষে,,  সামান্য উপকরণ বাঁধা একটা ঝুলি
তার ভেতর একটা আর্তি ---জীবন একটু সময়
রেখো  আর রেখ কিছু নিশ্বাসের আনাগোনা।
যে আকাশে পাখিরা মুক্তি খোঁজে,  কেউ খোঁজে
আলো, কেউ খোঁজে বৃষ্টি, কেউ খোঁজে একবুক
..........,,, সেই আকাশের ঈশানকোণে একটা
ঠিকানা, একটা বাড়ি, আর অগোছালো ভাল-বাসা
একটা বৃদ্ধবুকে বেড়ে ওঠা নিশ্বাস,, চশমার
কাচে ঝাপসা সব লৌকিকতা.... মাথার চুলে
অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে যাওয়া ফ্যাকাসে বসন্ত বর্ণহীন।  তখনো  তৃষ্ণা চোখে, বুকে, বাড়ির উঠোনে,, ঈশ্বর তুমি হেসো না .. .... একবার এসো----
মাইলস্টোন এর শেষ গন্তব্য... আকাশের নিচে
একটি বাড়ি ঠিকানায় লেখা "ভালো-বাসা"।