------------------------------------
পাঁজরের এক একটা হাড়ে যন্ত্রনা আটকে আছে সুজন,,
এই শহরের খাঁজে খাঁজে অসংখ্য জমে থাকা ময়লার মতো
তাই সব স্বচ্ছতা ভুলে কেবল কাদাজল মাখার পালা এবার,
দিনগুলো কেটে যায় সময়ের বাতাসে ভর করে
স্বপ্নে কিংবা দুঃস্বপ্নর অপেক্ষা সময় করেনি কোনো দিন।
হাজারো পথ শেষ হয়ে মেশে রাজপথে... যেন রাজপথ কোনো
স্বপ্নদুয়ারে শেষ,, ইচ্ছায় ভেজা হয়েছে অনেক বর্ষা, এবার
নতুন করে ক্ষরিত রক্তে ভেজার পালা
ঠিক যেখানে তুমি ভিজেছো আমার মতো, আজ
সমস্ত ইচ্ছাদের তোমাকে দিয়ে গেলাম,,
চোখের পাতায় লোকানো মাত্রাগুলোয় এর পর
কোনো রাক্ষসী ঘুমকাঠি বুলিয়ে যাক
উঠোন জুড়ে নিয়মের অংকখাতায় হাজার গড়মিল
থাকুক না হয় , তাতে সময়ের কি বা আসে যায়?
ঋতু মেনে বহু ফসল ভিজেছে ফেলে আসা বর্ষামাসে
ফলেনি সোনার ফসল... জায়গা দখলে জিতেছে হাজারো আগাছার ভিড়,
হাঁটু জলে দাঁড়িয়ে বার বার হতদরিদ্র হয়েছি,,
তাই নিয়মের সব দরজায় এবার কুলুপ।
যে যুদ্ধটা সময়েএ কাঁটার সাথে ছিল বরাবর
এবার সেটা ছড়িয়ে গেছে সমস্ত শরীর জুড়ে,
দামামার আওয়াজ বাড়ছে ক্রমাগত ধমনী জালে।
যে আলো প্রথম পথ বাতলে দেয় তার পুড়ে যাওয়া
মনে রাখে না কেউ... দেখে কেবল আলো।
আর নিয়ম মাফিক মানুষ ছুটতে থাকে সেই আলোর পথে,,
অনেক দরকার আর দরকার থাকে না অপচয়
হয়ে যায় সময়ের নিরিখে,, একটা আশ্রয়, একটা ছই
সব কেবল ভাবনায় আসে যায় ঘুমপাড়ানি গান হয়ে
যেমন সুজন তুমি কোনো পক্ষিরাজ চড়ে রাক্ষসী রাজ্যে
আমার ভিতর কোনো রূপকথার মত এগিয়ে আসো
প্রতিক্ষণ।
তবুও পাঁজরের খাঁজে আটকে থাকা যন্ত্রনারা জমতে
চায় সময়ের নিয়মে,, একের পর এক গন্ধে, বর্নে, স্পর্শে
আজ এই শহরের মত আমার ভেতোরেও ময়লা জমছে অসম্ভব রকম।
আকাশ জুড়ে মেঘেদের অভিধানে অভিমানের পাতাটা
লুপ্ত হয়েগেছে,,
যে বৃষ্টি ভিজেছি একলা সে বৃষ্টিতে ভাসিয়ে দিলাম
সুজন আমার সমস্ত সংবেদন ভাবনাদের নাম না জানা দেশে।।