.........................
বালি স্তুপে মাখিয়ে রাখা জৈবিক কণাগুলো
রোজকার আগুনে নিজেদের সেকতে সেকতে
সমস্ত প্রানজল আদ্রতাহীন, ঝুরঝুরে হয়ে বন্ধন
খুলে আলাদা আলাদা ভাটার টানে....
বুকের মধ্যে একসমুদ্র আলোড়ন, মাঝে মাঝে
ছেঁড়া সামিয়ানায় জাপটেছি বুকের তীব্র অনিয়মিত
নিশ্বাসপ্রশ্বাসকে। একএকদিন যেন
প্রহরের ধারাপাত ভুলে যায় ,,
অসম্ভব কোনো সময়ের স্তম্ভমূল বটের ঝুড়ির
মত আঁকড়ে অস্তিত্ব নিহত করে দাঁড়াতে চায়।
হঠাৎ শরীরের কাঠামোয় ঘুন পোকাদের তীব্র
মিছিলের আওয়াজ, সংগে শাবল, হাতুড়ি, কাটারীর
অট্টহাসি,, সময় তুমি রাজার বেশে আজো দাড়িঁয়ে
সমুদ্রতট ঘেঁষে, তুমি কি শুনছ জমাট অস্তিত্বদের
ঝরঝরে নিঃশেষিত শব্দদের।
একটা ভাটার টান আর ফুরিয়ে যাওয়া শব্দরা
শেষে পৃষ্ঠায় গড়িয়েছে, এবার তুমি একটা
উপসংহার লিখো উপন্যাসের শেষ স্তবকের জন্যে।
জৈবিক কণাদের এবার জীবাশ্মিত পথে এগোনোর
পালা। আজ তুমিও হয়তো ক্লান্ত.....অজস্রবার
তুমি চেষ্টা করেছো ঝুরঝুরে ঘুন ধরা অস্তিত্বতে
জল ছিটিয়ে স্তুপ করে অমৃতরস ঢেলে
অবয়বে প্রান দিতে ,, বিধাতা যেন প্রতিবার
নটরাজের ভুমিকায় তীব্র রুদ্র নাচন নেচে
চলেছে,,
তোমার কাছে ছুটি লিখতে আমার শব্দেরা
নিজেদের আত্মাহুতি দেয়,, সময়
তুমি একবার এই আলোড়িত সমুদ্রতটে আমার
ক্লান্ত চোখে ঘুম হয়ে এসো প্লিস....।
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০১৭
ভাটার টান
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন