--------------
একজোড়া গাংচিল এর চোখ গড়িয়ে
নীরবতা ভাসতে ভাসতে মাটি ছুঁচ্ছে
একলা দুপুরগুলোয়,, এলোমেলো
হাওয়ায় বেলা ফুরনো রোদ তোমার বাড়ির
ছাদে যেন হলুদের মতো উড়ছে, আজকাল
তোমার স্পর্শ রন্ধ্রতে সব ঋতুতেই শীত
অনুভব বেশি, তাই দিনের শেষ উত্তাপটুকু
তোমাকে দিলাম।
জলের ছন্দে তোমার ভাবনারা সেঁধিয়ে যায়
জমি খুঁড়ে,, শীত ঘুম ভেঙে প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারের
মত তুমি খুঁড়তে খুঁড়তে বার কর সব যন্ত্রণার জীবাশ্ম কণা।
ভালোবাসার নশ্বর দেহে তখন হাড়ফাটার অট্টহাসির ফোয়ারা ঝরছে।
আমাকে পড়ে ভাবনা ভাষা হয়ে একটি কবিতার কোনো এক পাতায় জমির মালিকানা পেয়ে যায়। আর যে ভাবনারা ভাষা পেলো না... তা লেখা থাকলো
আত্মিক কোনো পাতায়,, এমন অনেক গড়মিল অংকের দুপুরে কাঠকয়লার
মতো তুমিও জ্বলে ওঠো জানি, দাবার চালে তখন
উঠোন জুড়ে বিশাল সৈন্য
তুমি অন্য রাজ্যের রাজাকে হারাবার নেশায় একে একে এগিয়ে দিচ্ছ ঘোড়া, নৌকা, হাতি, সমস্ত
সৈন্যদল,, রাতের একটু আগে
অসমাপ্ত যুদ্ধ সময়ের চতুর্ভুজে গচ্ছিত রেখে ফিরে গেছো যাপনীয় তাবুতে।
আকাশের বুকে একজোড়া গাংচিল চোখ শুষে নেয় তোমার রোজকার পুড়ে যাওয়া ছাইয়ের উর্দ্ধমুখি বাষ্প আর নিঃশব্দে নীরবতাটুকু গড়িয়ে দেয় মাটির শিরাউপশিরায়।
কোন এক শ্রাবনে তুমি গাছ হয়ে জন্ম নিও,, একখানা
ভালোবাসা আশ্রয় খুঁজবে অসম্ভব কোনো বর্ষাদিনে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন