********************
সময় হয়ে তুমিও চলে গিয়েছ,
মৃত আজ সে রুপকথার ফিনিক্স ,
তবু হৃদয়ে নালিশ কেনইবা কার কাছে...
প্রিয়তোষ কেবল একটা নাম আজ,
বুকের কাছে নিশ্বাস রাখা... তারাদের
আলোয় বাগান বাড়ির উঠোনে বলেছিলে
"আমি তো আছি", তারপর থেকে যে সব সকাল
গড়িয়ে নেমেছে পূবের জানলায় তার কোথাও
তোমায় পাইনি, যে সব চিহ্ন ছিল বালশের পাশে
তা বহু দিন ঘুম আসতে দেয়নি কোনো
প্রহরে,,
সময় হয়ে বয়ে গেছ প্রিয়তোষ তুমি,,
এক অভিশাপে নিজেকে তোমার
শহরেই দহনের শপথে পথিক হয়ে
তোমার সমান্তরাল রাস্তায় হাঁটছি...,
তুমি ভুলে গেছ কথা দেওয়া কথাদের
তাই মৃত অপাংতেয় আজ আমাদের
সমস্ত উৎসব,,
একদিন হতে পারে ফিরবো তোমার বাড়ির পথে
কোনো অচেনা শবদেহের ভূমিকায়,,
পড়শীর অবসরের আলাপনে
জেনে নেবে.... বুকের কাছে দু'হাতের
মাঝে মুখখানি নিয়ে যে দুঃখদের মুছিয়ে দিতে
দিতে তুমি কাকে যেন বলেছিলে,
ভয় কিসের "আমি তো আছি"........... সে
ভয় পাওয়া পথ একা পার হয়ে
ফিরে গেল নামবিহীন আলোর দেশে...
প্রিয়তোষ তুমি কেবল একটা মুখোশের
নাম হয়ে রয়ে গেলে এই পৃথিবীতে....
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৯
প্রিয়তোষ তার নাম
শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৯
ও জীবন তোমার সাথে
*************************
এভাবে জুগিয়ে দাও তুমি আমার
মৃত শবে নিশ্বাস বাতাস,
যে ভাবে আমি হারিয়ে যাই অন্ধকার
কোনো গোলার্ধে..., তুমি আলোর সেতুর
মতো জুগিয়ে যাও ভোর,
যে ভাবে মাঝে মাঝে এসে দাঁড়াই
প্রহর বিহীন শোকে... তুমি সূর্য এনে
রেখে দাও বালিশের পাশে,... এভাবে
একটা করে দিন জুগিয়ে আমাকে
এগিয়ে দিয়ে তুমি হেসে ওঠো যুদ্ধ
জয়ের হাসি,
যে ভাবে সীমানা মুক্ত করে নির্বাসনে
আমার অভিমানী কবিতা নিঃস্ব হয়ে
নিজ ভুমে পরবাসি হয়ে থাকে....,
তুমি ছই হয়ে মাথার ওপর জুগিয়ে
যাও আশ্রয়, এভাবে জুগিয়ে চলেছ
উপহারের ঋন... "যব কই বাত বিগড়
যায়... যব কই মুশকিল পড় যায়....
তুম দেনা সাথ মেরা ও হাম সফর..... "
এভাবে জুগিয়ে দাও আমার মৃত শবে
নিশ্বাস বাতাস।।
সেন ম্যাডাম
*******************
ম্যাডাম কেমন আছেন? আপনার
কথা প্রায়ই আমাদের মনে হয়,
we miss you ..., কেন আপনারা
miss করছেন কেন! একজন
মেজাজি, মাথা মোটা, অসহ্য ম্যাডামকে
আপনারা গালাগালি দিয়ে মনে করছেন তাই তো?
ওপাশে টেলিফোনে আওয়াজ বিহিন উপস্থিতি...
আচ্ছা ম্যাডাম আমরা কি একদিন আপনাকে
পেতে পারি সকলে মিলে একটা মধ্যাহ্ন ভোজের
এবং কিছুটা সময় পুরনো আড্ডা....
প্লিজ কিছু মনে করবেন না আমার মনরঞ্জন
করার মত নিজের কাছে অনেক কিছু আছে
আর সেই বেহিসেবী সময়টাও নেই আপনাদের
সাথে সময় কাটানোর,
তাই দয়া করে আমায় অনুরোধ করবেন না,,,
ম্যাডাম খুব ভালো লাগত আপনি যদি
আমাদের এই সামান্য কথা টুকু রাখতেন..
আপনাকে সত্যি আমরা খুব miss করি,
ভালো থাকবেন পলাশ বাবু পরে আপনার
সাথে আবার কথা হবে,, ফোনের ওপাশ
চেনা চিত্রের কোলাজ,, ফিরে দেখা এই
কয়েক বছরে আপনি একটুও বদলাননি
ম্যাডাম... এক বর্মের ব্যারিকেড আড়াল
মিসেস সেন... আপনাকে তবুও আমরা
miss করি।
শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০১৯
সেন ম্যাডাম
*******************
ম্যাডাম কেমন আছেন? আপনার
কথা প্রায়ই আমাদের মনে হয়,
we miss you ..., কেন আপনারা
miss করছেন কেন! একজন
মেজাজি, মাথা মোটা, অসহ্য ম্যাডামকে
আপনারা গালাগালি দিয়ে মনে করছেন তাই তো?
ওপাশে টেলিফোনে আওয়াজ বিহিন উপস্থিতি...
আচ্ছা ম্যাডাম আমরা কি একদিন আপনাকে
পেতে পারি সকলে মিলে একটা মধ্যাহ্ন ভোজের
এবং কিছুটা সময় পুরনো আড্ডা....
প্লিজ কিছু মনে করবেন না আমার মনরঞ্জন
করার মত নিজের কাছে অনেক কিছু আছে
আর সেই বেহিসেবী সময়টাও নেই আপনাদের
সাথে সময় কাটানোর,
তাই দয়া করে আমায় অনুরোধ করবেন না,,,
ম্যাডাম খুব ভালো লাগত আপনি যদি
আমাদের এই সামান্য কথা টুকু রাখতেন..
আপনাকে সত্যি আমরা খুব miss করি,
ভালো থাকবেন পলাশ বাবু পরে আপনার
সাথে আবার কথা হবে,, ফোনের ওপাশ
চেনা চিত্রের কোলাজ,, ফিরে দেখা এই
কয়েক বছরে আপনি একটুও বদলাননি
ম্যাডাম... এক বর্মের ব্যারিকেড আড়াল
মিসেস সেন... আপনাকে তবুও আমরা
miss করি।
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৯
সুবর্না(৫৪)
******************
কি করে বোঝাই কতটা মন্দবাসা
যায়..., তোর স্বরচিত স্বর্গের পথে
আমি হেঁটে যাই, তোকে জড়িয়ে
নেব ছুটির চাদর করে তোর স্বপ্নের
ভেতোর তাই বাজরা দাঁড় করাই,
কোনো একদিন তোর চারদেয়ালের
ভেতোর পুড়তে দেখেছিলাম আস্ত একটা
ঘর তাই তোকে নিয়ে পথেই হাঁটতে চেয়েছি,
তোর গভীরে গিয়ে দেখেছি মাছেরা তোর
শরীর ঠুকরে ইতিহাস খুঁজছে সমস্ত
জাগতিক হিসেবের, সেই থেকে তোকে
আমি সমুদ্র থেকে দূরে নিয়ে চলেছি,
এ আমার মন্দবাসার সকল খসড়া,
দাবিহীন হয়ে তোর দাবীগুলো দিয়ে
হেঁটে দেখেছি এখনো কঠিন হতে অনেকটা
দেরি আছে তোর পথেরদাবীর নুড়িপাথরেরা,,
তাই হাতের আঙুলে আঙুল জড়িয়ে তোকে
পথ চিনতে শেখাচ্ছি,
তোকে মন্দবাসার এমন অনেক কথাই
আমার শিরায় বয়ে যায়...
আর তুই আমার ভেতোর বেড়ে উঠিস
রোজ একটু একটু করে ,
এভবেই আমি তোর ভেতোর হেঁটে বেড়াই
সমস্ত সভ্যতা জুড়ে।
.......সুবর্না প্রিয় মন্দবাসা,
সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯
সুবর্না(৫৩)
************************
সুবর্না তোমায় জানিয়ে এবার
কবিতা থেকে নেব ছুটি, ছুটি নেব
দুঃখবিলাষী আদোর অনাদোরে
পালিত ভাবনাদের ঘাসে পা ডুবিয়ে
নিদেন বেঁচে থাকার থেকে,,
স্বৈরাচারী চোখের ভাষায় বলা
কথারা বড্ড গাঢ় রঙের আমার
দুনিয়ায়, তাই আমি ক্লান্ত এবার
ছুটি চাই অনুভব থেকে,
তোমায় ছুঁয়ে থাকা ছায়াটুকুর
মায়া ছাড়া সব আভরণ এবার
বিসর্জন দিতে ইচ্ছুক,
জন্মাবধি সব ঘ্রান আমাতে কেবলি
শোকাবহ, ভীষণ অহংকারে
মুড়ে রেখেছিলাম এযাবতকাল
আমার আর্তচিৎকার, ভেবেছিলাম
পৃথিবী প্রদক্ষিন করবো হাতে আগুন
মশাল নিয়ে... ছিড়েখুঁড়ে ফেলেছিলাম তাই
যাকিছু ছবি সময়ের স্রোতে আমার
সাথে সহবাস করতে এসেছে প্রনয়ের
ছলে, ঈশ্বর কখন যেন রুদ্ররূপে আমাতে
ভর করেছিল,,........... তোমায় পেয়ে
আমি ফিরেছি শিশু স্বত্বায় আজ... তাই
ছুটি দিতে সাধ আমার সমস্ত দুরন্ত
অভিমানী কবিতা... ভাবনা .... অনুভুত
যন্ত্রনা উপচে পড়া জীবিত
আমি থেকে..., সুবর্না তোমার
ছায়ায় আমি আবার একবার
বাড়তে চাই প্রথম থেকে... সবুজ
কোনো অংকুরিত চারার মত,,।
সুবর্না প্রিয় আশ্রয়....,
শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯
সুবর্না(৫২)
*************
মুঠো খুলে দাও সুবর্না আমায় ফিরতে
হবে দিগন্তের ওপারে.. সব মোহ থেকে
মুক্ত কর,, ছুঁয়ে থাকা অভিমানী
খসড়া নিয়ে গল্প এবার উপন্যাসের
শেষের পৃষ্ঠায় ... এবার তোমার
কলম ক্লান্ত... ঘুমিয়ে পড় তুমি,
আগন্তুক নক্ষত্রগুলোকে
বলে দাও ওদের মত আমারও এবার
শুন্য দিয়ে মুড়তে থাকার পালা,,
তুমি দুঃখদের বেশিক্ষণ আগলে
রেখ না... ভাসিয়ে দাও বয়ে যাওয়া
স্রোতে,, ভাংচুর গল্প মোড়া পাতাগুলো
জ্বলে উঠুক হাহাকারে, দেখবে
গহীন অন্ধকার থেকে নতুন আলো
তোমার জানলা উঁকি দেবে,,
মুঠো খুলে দাও সুবর্না আকাশের
দিকে যে পথ গেছে আমায় যেতে
দাও, তোমার চতুর্ভুজ সাজাও নতুন সাজে,
কোনো সুবাসের মত হাওয়ার স্পর্শ
তোমায় ছুঁয়ে দিক শতাব্দীর ঘুমন্ত
প্রেম।
আমায় এবার যেতে হবে... তবু যদি
তুমি হাতের মুঠো খুলে আমায় মুক্ত
করে দাও সুবর্না ,
তোমার আগুনে পুড়তে থাকুক আমার
সমস্ত পলাশ রাতের গল্পরা।
সুবর্না প্রিয় মুক্তি...।
বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯
প্রিয়তোষ
*********************
শেষ সূর্য স্নানের সময় তোমাতে
আমাতে দেখা... তারপর বহুকাল
এক অন্ধকার মহা বৃত্তের ভেতরে
হেঁটে যাওয়া এই আমি টা
আজও ক্লান্ত হইনি একা পথ চলায়,
কোনো এক প্রাত্নিক বানীর
কথাকে পাথেয় করে এই পথ চলা,
স্রোতের কাছে সব চেনা ডাকেরা
একে একে ভিড়ে হারিয়ে হাতছাড়া
হয়, রোজ নিয়ম মেনে সম্পর্ক আসে
আবার যতি চিহ্নের অযুত অজুহাতে
সরে যায়.... তাদের মধ্যে অনেকেই
তারার দেশে এখন প্রতিশ্রুতি মুক্ত।
'প্রিয়তোষ' নামে তোমায় ডাকতাম আর
আমায় তুমি নাম দিয়েছিলে 'পুজা' ,,,,
একদিন ঝড়ের আঘাতে হারিয়ে গেল
চাঁদের আলোর সব রশ্মি......,,, জানালার
পাশে মৃত আমাদের শব,,
আমার ঘুম ভেঙে ছিল কয়েক মুহুর্তে... তুমি
চোখ মেলে আর তাকাওনি।
প্রিয়তোষ আজ আমি অন্য নামের এক আধার,
আমাদের কথা দেওয়া পান্ডুলিপি এখনো আমার
পাঁজরের ফাটলে গোঁজা..,,।
আমি আমার বরাদ্দের পথের সাথে তোমারটুকুও
মিশিয়ে নিয়েছি ,, একদিন কথা দিয়েছি তোমায়,
একদিন ভালোবেসেছি তোমায়..........
একদিন ফিরবো আমরা নকশীকাঁথার
দেশে... কিংবা পাহাড়ি ঝর্নার খুব কাছে..,
তাই একদিন গুলো জমিয়ে বহুদিনের অংগিকারে,,
শেষ সূর্য স্নানের সময় তোমাতে
আমাতে দেখা... তারপর বহুকাল
এক অপেক্ষার পথে আমি........,,
শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৯
সুবর্না(৫১)
************************
কে যেন ভালোবেসে দুঃখ গুলোকে
আগলে রেখেছে বুকপকেটে ,
বুকের পাঁজরে আঁচড়
কাটে কে প্রশ্ন করো না সুবর্না,
কে যেন অন্ধকার চিরে আগুন স্নান
সেরে হাহাকারের চাদরে শরীর ঢেকে চলেছে নির্বাসনে দেশে,,
কে সে ভালোবেসে জড়ো করছে
ছেঁড়া অনুভুতির টুকরোগুলো বহু শতাব্দি ধরে ,,
শূন্য থেকে কালের বুকে পা ফেলে
সে হেঁটে চলেছে আর এক শূন্যের দিকে,,
কাকে ভালবেসে আলগোছায় গুড়ো
গুড়ো আলো তারারা ছড়িয়ে
ছিটিয়ে আছে কতকাল,,
প্রশ্নেরা আজ কফিনে শুয়ে আছে
গোপন চিরকুট বন্দী করা মায়াকাঠির মোহে,
কে যেন কবির কলমের নিবে
অন্তহীন ভাংচুরএর অগুনিত কবিতা
ঢেলে সাজানোয় ব্যাস্ত সমস্ত দিন,,
জন্মের বন্ধন নেই নেই মৃত্যুর কান্না....
কে যেন ঈশ্বর হয়ে ঈশ্বর গড়ে চলেছ কিসের এক নেশায়.....
সুবর্না প্রিয় স্রোত,,।
চুপ কথা তোমার সাথে...
***********************
এপারে এসে বসো সুজন এখন আগুনটা
নেভেনি, দিনের নেভা আলো নদীর রঙিন
শৈবালের ওপর অবিরাম মিশেতে মিশতে ঘুমিয়ে পড়ে,
পোড়াকাঠে জন্মাবধি সব ঘ্রান গেলে থাকে বারংবার,, অথচ
স্পর্শ গুলো বেঁচে থাকার বাগানে ঝরা পাতার
সমান.... কেউ তো মনে রাখে না সবুজের কথা।
অধিকার খুঁজতে হোঁচট খাওয়া সম্পর্কে
ব্যান্ডেজ লাগানো যাপনচিত্রের জলছবি
পৃথিবী জুড়েই চিরকালীন।
সুজন এখন অন্ধকার ভালো লাগে
মুখোশ আর মুখোমুখি সব এক অদ্ভুত
মিলেমিশে একাকার,
যেখানে যতিচিহ্ন কোনো অভিমানের
চাদরে মুখ লুকোয় না,,
জান নেভা আগুন সব পুড়িয়ে দিয়েও
নিঃশব্দে নিজে ইতিহাস লিখে রাখে অস্থির
বাতাসের আলাপনে,, দেওয়া নেওয়া
মিলমিলান্তে তুমিতো ফিরে ফিরে এসেছো যুগ যুগ,,
তাই দুই পারের স্রোতেরা সবাই চেনা,
এখন বসো আমার স্পর্শগুলোর পাশে,
দেখ মাটি ছুঁয়ে আছে অজুত ঋণ,,।
সুবর্ণা (৫০)
সব কাহিনির শুরু ও শেষ হতেই হয়। পায়ের চিহ্ন
ধুলো চাদরে ঢেকে স্রোত কান্না... ভাঙা দেওয়ালে
মুখ গুজে থাকে ।
পৃথিবীর গর্ভে শুকিয়ে বহু তুমি আমির ফসিল কয়লার টুকরোয় পরিণত হয়ে গেছে ,, সংকেতময় বোঝাপড়ায় চাঁদের আলো আমাদের
ছোট চতুর্ভূজ নিঃশব্দ আমাদের শব আগলে রাখে ,. অসহবাস বিনিময়ে প্রেম বদলে গেছে দায়ভারে ।।
মায়াটুকু সরিয়ে রাখো সুবর্ণা আমাদের পরজন্মের বকেয়া নিশ্বাসের জন্যে ।
তোমার স্বপ্নে রঙিন মাছেদের যাওয়া আসা কুয়াশা ভরা কফিনের ভরে পরবাস লুকিয়ে রাখে ,,
মনে করো একদিন এই শহর মানুষ বিহীন বর্ন
বিহীন গন্ধ বিহীন ,,আর তুমি ঈশ্বর নতুন
গল্প লিখছ.................................
তোমার আমার সাজানো বাগান
আর পোশাকে
নীল জল বালির পাহাড় আর কিছু ইচ্ছের উড়ান,,
সুবর্না প্রিয় কাহিনী।
শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০১৯
হিয়ার মাঝে
বারংবার ঢেউয়ের তালে হারিয়ে আবার করে শুরু
কোনো প্রাচীন ধারার মত এই পথ চলা,,
হারানো শোকে জীবনের দহন বাষ্পে লেগে থাকে কাঁচের
দুই পাশে ,মাঝখানে সরু সুতোয় বাঁধা সাঁকো
যাপনের মাঝে এক চিলতে নিশ্বাস,,
প্রেম শব্দটা একটা বোহেমিয়ানার সোঁদা গন্ধ মাখা রুমালের মত।
পাকদণ্ডী রাস্তায় যেমনটা রুপোলি গিটারে সুর তুলে কোনো
গানওয়ালা তার হৃদয়ে হাওয়া বদল করে,,,
এমনি কিছু মুহুর্ত সময়ের ফাটলে আটকে থাকা খসে পড়া তারার মত
আমাদের উৎসব ,
অন্তরমহলের আর্তনাদ কতটা শোনা যায়...
যতটা আর্তনাদ রোজকার বেঁচে থাকা পিশে ফেলে
শহরের ব্যাস্ত ট্রামলাইন,। অমরত্বের কোনো শব্দ হয়তো
পারিজাতে আছে সে কথা কেবল ঈশ্বর জানে ,
আসলে বাঁচবার কিছু কারণ দরকার এই মৃত সভ্যতায় ,
যেখানে একলা ঢেউ ভাংতে ভাংতে ভেজা মন ক্লান্ত হয়ে যায়,,
অথচ একলা সমুদ্র রোজ নিজের সাথে নিজেকে আছড়ে চলেছে বিরামহীন।
পিছন ফিরে দেখা অজস্র চেনা ডাকে পাতার পর
পাতা জুড়ে চরিত্রদের ভেসে চলা ,
,অথচ বারংবার মন বড় একলা মহলদরবারে।
মেঘ বালিকা অনেকদিনের পরে আবার ফিরে আসে
পুরনো রোদ্দুরের চেনা দরজায় একটু ,উত্তাপে আশায়
ফুরিয়ে যাওয়া ,হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নদের ফসিলের কাছে,
আমাদের একমুঠো আলো যখন বাড়ি ফেরার একলা পথে
একটা ঘর খুঁজে পেতে চায় নিজের মত।
বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৯
কাগজের ফুল
অজানা শব্দদের ভিড়ে হারিয়ে যায় ঠুকরে
খাওয়া মাছেদের শব্দ, জলের কিনারে
আলগা বাঁধনে ঢেউয়ের আনাগোনা বলে দেয়
নিয়মের ঠিকানা কখন যেন হয়ে গেছে ক্ষনিকের,
কিসের অপেক্ষায় ছায়ার শরীর কাটাচ্ছে বুকের
ক্ষতগুলোর যন্ত্রনা,, পাকদণ্ডী বেয়ে একফালি রোদ্দুর
আমাদের জীর্ণ ভেজা আস্তিনে নানান চিহ্ন আঁকছে ,,
মেঘপিওনের নিষ্পলক চোখ বারান্দায় ভুলে যায়
কার ভালবাসায় বেড়ে ওঠে সবুজ মানি প্ল্যান্ট এর শিরায় শিরায় ,
শুন্য থেকে শুরু করে এ কোন শুন্যর সহবাস বুকের ভেতর.. ..
দরজার অন্যপারে তোমার ঘর তারায় ভরা দিঘির
কাছ ঘেষে,
স্নানঘরে আমি একলা হতেই আয়না বলে ওঠে
আমি নেই আমার ভেতোর তুমিও ছিলে না কোনো প্রেমের গানে ,,
এমন করে সময় পালিয়ে সময় কাটছে ভিনদেশীর
ভুমিকায়, চেনা পথে রোজ আমাদের সাথে আমাদের
ছায়া ভিষণ অচেনা হয়ে ওঠে,,
তাই তুমি আমি কোথাও নেই এই মৃত শহরে বুকের
ইতিহাসে,, কোনো এক নীলনদের উপকথায় যেমন
অনেক কথা ঘুমিয়ে রয়েছে চিরকাল ।।
রবিবার, ৭ জুলাই, ২০১৯
সুবর্ণা (৪৯)
বিছানার চাদরে ছুঁয়ে থাকা একফালি রোদ্দুর
দেখে তোমার সোহাগী আলাপন স্মৃতিচারণ করা
সে কেবল অভ্যাস বলতেই পারো ,,
সাজানো ফ্রেমে বন্দী সবুজ বাগান কখন যে মৃত
ঘোষিত হয়েছে আমিও ভুলে গেছি , তবু আজ
তুমি মনে করিয়ে দিল একা ঘরে যদি অপ্রেমের সহবাসের কথা ,
সুবর্না তোমায় একদিন বলেছিলাম আমি মুখ
ফিরিয়ে নেওয়া পথে আর ফিরে চাই না ....
জীবন অজান্তে অনেক অভিনয় শিখিয়েছে ,
শিখিয়েছে ভিড়ের ভেতর শামুকের মত বাঁচতে ,
অভিমান কিছু গোলাপি ছিল কোনএকদিন
আজ কেবল জমা শ্যাওলায় গাড় ঘ্রানে দম
বন্ধ চতুর্ভুজ ।
তুমি আমির গল্পে রাজা রানী ছিলই না কোনো
অধ্যায় , মিছে স্বপ্নের জালের শেকড়ে আষ্টেপৃষ্টে
জেরবার এ বেঁচেথাকা ।
আসলে মানুষ যে মানচিত্র সাজায় বিধাতা তাতে নিজের রঙে মাতাল হয়ে রঙ ছড়ায় , তাই
মহাকাল জানেন কে রাজা কে রানী ,
একদিন কোনো শেষ নিদ্রা শয্যায় তোমায় নিয়ে যে গল্প ভেবেছিলাম তার তার আতর ছড়িয়ে ঘুমিয়ে যেতে যেতে তোমায় দেখব ....তুমি আমাকে জড়িয়ে এক অনাবিল আদরে বিভোর
সে দিন আর কোনো আক্ষেপ রাখা থাকবে না এই পৃথিবীর ওপর ,
সুবর্ণা প্রিয় হৃদয়
শনিবার, ৬ জুলাই, ২০১৯
সুবর্না(48)
________________
নিঃস্ব হয়ে তোমায় কাছে দাঁড়িয়েছি সুবর্না ...
পুরনো ঘরের চাল তুমুল ঝড়ে হারিয়ে গেছে ,
তালহীন ভাঙা গীটার যা কিছু পুঁজি ভেসে গেছে
নামবিহীন কোনো দেশে ,
পুরনো ঘর বৃষ্টিধোয়া স্রোত আমার হাঁটু ঢাকা
টাপুরটুপুর নোনা আদরের স্বাদ তাই ঠোঁট
ফুলিয়ে স্মৃতির কথা বলছে তোমায় ,,
নিঃস্ব হলে মানুষ বড় একা হয়ে যায়
ছায়ারাও যেন আলাদা করে কাপড়
মেলে একই উঠোনে , কার্নিশ জুড়ে তোলপাড়
করা মনখারাপ এলো চুলে বেজার মুখে বসে আছে ,
খোঁপার করবী ফুল মিছে বাসি হয় সজ্জা মহলে ,,
পায়ের পাতায় আলতা রঙ তোমায় জড়িয়ে কান্না
ভিজছ ,, তুমি আমায় ছুঁয়ে চোরা স্রোতে আরও গভীর ক্ষত
হতেই পার , হয়তো তাহলে তোমায় হারাবার ভয় আমার
ঘুমের শিরা ছিঁড়ে নিলস্রোতে মিশতে পারবে না ,,
সুবর্ণা আর হয়তো তোমাতে আমাতে দেখা হবে না হয়তো
অপেক্ষাটা জন্মান্তরের জন্য ..."তোমার কাছে এ বর মাগি
মরণ হতে যেন জাগি" .......
সুবর্না প্রিয় মৃত্যু