রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭

এভাবে স্বভাবে


মনে আসিস তুই যখন যে ভাবে নিজের স্বভাবে।
তোর গলার স্বরে এক আঁজলা প্রাণ ,তোর ভূমিকায় আমার বেঁচে থাকা।
লুকোনো কফিনে যে স্বভাব বন্দি সময় তার অঙ্গীকার
শুধু অন্ধকার।আলোর রেনু ,নীল সমুদ্র এসব কেবল নিয়মের
অধিকার আমি জানি জানে শহরবাসী, জানিস তুইও মানিস না হয়তো।
স্বপ্নরা কেমন হয় তোর কবিতায় ছবি দেখি ,তোর কবিতা তোর মতোই
স্বপ্নের কস্তুরী হরিণ। খামখেয়ালি পাগলের মতো নিজের
মাদকতায় ।
তোর বুকের ভেতর থেকে যে ওম  হওয়ায় ওড়ে
তুই চাইলেও ছুঁতে পারিস না , অথচ নীরবে নিবিড়ে কাঁদিস , রাখতে চাস নিজের পাঁজরের বেড়ায়,
নিজের করেই চাইতে থাকিস  এমন অনেক মুহূর্ত,,
তবুও  ইচ্ছা পূরণ হয় না অলীক পর্দার আড়ালে তুই আর তোর চাওয়া ।
তবুও বলি ভালো থাকিস একদিন ... নিতান্ত
নিজের কবিতার পাতায় ।

গোপন তোরণে

গোপন তোরণে
---------------------------------------------
সে  সকাল আসবে না ,যে সকালে
পরে থাকবে তোমার কবিতা,তোমার ইচ্ছেরা।
ইচ্ছের আলোয় উৎসর্গীকৃত জীবনের যোগফলে
তুমি তোমার ভালোবাসা দেখবে আমরা থেকে যাব একাকার।
শুধু থাকবে নিবিড় জমা আলো আকাশ
আর আমাদের সেই বাড়িটা।

যার দেওয়াল ছুঁয়ে নামবে স্পর্শ
আখরোট ঠোঁটে চুইয়ে নিকোটিন মাখা ঠোঁট,
আর  আদরের গায়ে
অজস্র বর্ণমালা উষ্ণ  খোদাই করা সেলফি,,
আমরা হাসব , কাঁদব ,পাগলের মতো  জড়িয়ে প্রতিটা কণা।
থাকবে আমার  তুমি।
তোমার কবিতার প্রতি পাতায়
তোমার ভালোবাসার হৃদয়ে বয়ে যাওয়া উচ্ছল নদী ,
শহরের রাস্তায় কৃষ্ণচূড়া তোমার  কবিতার মত প্রেমের রঙে রাঙানো।

পাগলের মতো তোমাকে আমি আঁকড়ে বাঁচি,
তুমি প্রতিটি চেনা মুখের কথা বল ,আমার তোমাকে
খোঁজার জন্যে তোমাকেও যে দরকার হয় না ।
তুমি অন্তরের আমার সমস্ত নদীর শিরায় শিরায় বয়ে চলেছ।

তোমার বলা কথার চারপাশে আমি  ভনভন করি
অনবরত কারণে অকারণে।
একদিন বুঝবে তোমার প্রেডিক্সন ভুল .. আমার কোনো
নিষ্ফল আক্রোশ ছিল না , ছিল কেবল যত্ন , তোমার
সমস্ত ছুঁয়ে যাওয়া খড়কুটো দের তোমার পর আমি ছুঁতে চেয়েছি কেবল।
বল এটা অনেক বড় চাওয়া আমার ?

বহুদিন চলে যাবে, আমি এমন করেই চাইব তোমায়।
,তুমি মনে করবে এটা আমার দৃষ্টতা। বুঝবে না একটা অপেক্ষা
কতটা নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে এক এক মুহূর্তের ভগ্নাংশে।
জানি তোমার অনেক কবিতায় আমি একমাত্র নদী
আজ।
তোমার হৃদয়ের বিভাজনে  বাস করা সময় এক
নির্বাক পাথরের মত ।
আমি এমন সময়ের পথে আজ কাল রোজ হাঁটি।
ফুঁড়ে ওঠা দীর্ঘশ্বাস ,এই সময় জানে কিনা জানি না বাঁচার মানে ।
কোনো অদ্ভুত সকালে ঘুম ভেঙে  তোমার মনের ঘরে আমি যদি না থাকি
তুমি ছুঁয়ে দেখো তোমার জুতোর ফিতেতে আমার সমস্ত মোহ
আর .... থাক আর নাহয় সব টুকু এই শতাব্দীর অধিকারে
অগ্রিম দেন পাওনা মিটিয়ে নিও ধারবাকির ধারাপাতে।

এই সব আসে না স্বপ্নে ,, তোমার শহরের
ভিখারি ঘুরে বেড়ায় গলায়  অজস্র চিৎকার আর
দারুন তৃষ্ণা।

রাস্তার উপর আমাদের পায়ের ছাপ ,স্বপ্ন।
আখরোট ঠোঁট ,ভিজে বালি ,বালিঘর
সমুদ্র এসে ছুঁয়ে যায় চোখের  পাতায় অজস্র না বলা ইচ্ছা।

কারণ কান্নার রেণুগুলো  আমার চোখের কিনারে  রেখে দিয়েছি।
আর কান্নার শব্দরা তো তোর প্রশ্রয়ে তোমার কবিতার আদর।
এক সকালে তুমি যদি হারিয়ে যাও তবে আমি ঘুমিয়ে পড়বো
তোমার সমস্ত ছুঁয়ে থাকা স্মৃতি কে অস্তিন করে ,
চোখ খুলে দেখবো না আর এক কণাও আলো।
তুমি তো জানো আমি একবার ঘুমিয়ে পড়লে আর
কখনও জাগব না ।

শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৭

চোখের কিনারে

--------–---------------------------------------------

প্রচ্ছদের গায়ে লেগে রইলো চলকে পড়া চায়ের
নিশানা , এক বিরহী ফাল্গুনের সকালে তোমার
হাতে তুলে দেবো আমার সমস্ত পাণ্ডুলিপি,
আর তারপর আমার ভুমিকা শেষ আমি ছুটি নেব
সকল অলীক শোকদের থেকে ,, ঠোঁটের কোনার
হাসিতে থাকবে না একচিলতেও অভিনয়,।
একজোড়া চোখ বুকের দেওয়ালে চেয়ে থাকবে
কোনো কারণ ছাড়াই।
দক্ষিণের জানালাটা বোঝে আর কিছুদিনের পর
আসবে ঝড়ের দিন , আমি কেঁপে উঠব মুঠোর খোঁজে।
আমার যে শীত জ্বর গায়ে লেগে রয়েছে ,,
তাই পাণ্ডুলিপি ছাপাখানায় পৌঁছনোর কাজ বাকি
থেকে গেলো।
বড় ইচ্ছে উৎসর্গের পাতায় তোমার নাম লিখে দেব,
আর বলবো এবার তুমি পড়ে ফেল সমস্ত সমুদ্রের
উপকথা ছুঁয়ে দিও ছোট্ট ছোট্ট আমার অভিমানী কুঁড়িদের।
দেখবে ওরা সবাই ফুল হয়ে ফুটে উঠবে তোমার বাগান জুড়ে।

শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৭

খোঁজ(৩)

বাঁচার খোঁজে পথের পাশে চেনা গঙ্গার
ঘাটে অচেনা নোঙর তোলা ছইয়ের নীচে
তবুও ব্যর্থতা এখন নিয়মিত আমার সকল বাইরে জুড়ে।
তোর কথা ভাবতে ভাবতে উপড়ে আনি
সব অভিমান,, ভাঙা সিঁড়ির আর্তনাদে পায়ে
তলায় মেহেন্দি রঙ , শেষ যখন ফেরার পালা
রেলগাড়ি ভর্তি আলো নিয়ে তুই আসিস।,
দুজনে দুজনের চোখের দিকে তাকিয়ে
পুনর্জীবন প্রাপ্তির আনন্দ ,,
মনে আছে একবার বলেছিলিস তোকে
একটা ঘর দেব তাতে চমৎকার চাঁদের
আলো আসে দেখিস আর গহীন অমাবস্যায়
জোনাকীদের মেলা বসে নিয়মিত ।
আমি মুখ লুকিয়ে কাঁদার জন্য একটা বুক
চেয়েছি তাই ......
এর পর আর কিছু বলার ছিল না আমার।

বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

খোঁজ

----–-------------------

   নিঃসঙ্গতা ফেলে রেখে হারাতে চায় একটা
একলা বিকেল, তাই তোমাকে বয়ে নিয়ে বেড়ায়
গোপন তোরণে।
আজো রাস্তার দুপাশে চোখ বোলাতে বোলাতে
হাঁপিয়ে মনের ওজন চোখের কিনারে।
এভাবে ক্লান্ত একটার পর একটা দিনের বুক চিরে
নিঃশব্দে রাত আসে।
চোখের মাপের আকাশ বর্ষাকে আঁকড়ে বাঁচে,,
ভেজা আগুনে নক্ষত্ররা গলে পরিযায়ী জল
ছুঁয়ে ফেলে ।
কাঁটা তার ছেড়ে যাবার পর স্মৃতিরা জমে যাবে
এপিটাফ এর অক্ষরের বিভাজনে।
ক্রমশ সূর্যর রঙ খয়েরী হচ্ছে ,শুধু জানা হবে না
কোথায় থামতে হবে ...তোমার কিনারে না কোনো অস্তাচলে।

সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৭

একটু উষ্ণতার জন্য

----------------------------------------------+-

সহজ পোষাকে মিশে গিয়েছিল না বলা
মাণিক্য দ্যুতি,,  এত দিন বাদে পালটে গেছে
শহরলিপি।
ঘন রাতে ডুবে থাকা শিরা ধমনী আর ২০৬টা
হাড়ের আবিষ্করণ দুঃসাধ্য কাজ তোমারি সুজন,,
তার সাথে খড়কুটো  আর কিছুটা মাটির স্তুপ।
যে ভাবে বেঁচে আছে ঘাসফড়িঙ, কিংবা যেভাবে
বেচেঁ থাকাটা এ শহরের পোড়োবাড়িগুলো মেনে
নিয়েছে,  সে ভাবে বেচেঁ থাকবে সাদাকালো নিশ্বাস।
হয়তোবা রঙিন ছায়ার মত একটা কোলাজের  উজ্জ্বল
উপস্থিতি দেওয়াল জুড়ে....  এমন কবিতায়
সে এক পাগল হেসে বলেছিল ছায়ার আবার রঙ!
সে দেখেনি ছায়ার রঙ,,  এ চোখ তো দেখে যায় রোজ রোজ...
ছায়ার গায়ে ইচ্ছুক রঙ, অনিচ্ছুক রঙ, অভিমানী
রঙ,  আদুরে রঙ,ঝর্না রঙ,আরো কত রঙ, শীতের
দুপুরবেলা ছাদের কার্নিশ জুড়ে দীঘল ছায়ারা
রদ্দুরের আলাপে আসে নতুন নতুন নামে,,
আবার মিলিয়ে যায়  সেতু বিহীন সমান্তরাল অন্ধকারে।
যখনি তোমার শহরের শব্দরা পথ খুজেঁ পায়,
জানতে ইচ্ছে করে শেষ রাতে তুমি বাড়ি ফেরো কার সাথে।
চেনা চোখের কিনারে গোপোন ইচ্ছারা পোষাকি
কাজলে অপেক্ষা করে বুকপাতা বাড়িটার যেখানে একটু উষ্ণতার জন্য তুমি আমি একেবারে অচেনা পৃথিবী থেকে।

সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

শিল্পী তুমিই আছো

-----------------------------------------

সে যদি সকালের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অতিথি হয়
তবে শিশিরে ঘুমানো  তুলি তে শিল্পীর অপেক্ষা
নতুন বান্ধব রঙ ভরুক তোমার শহরে।
আমি হাওয়ার গতির বিরুদ্ধবাদ হই নি কখনওই
তবু কিছু সাঁকো পেরিয়ে শব্দের ভূমিকাকে সাজিয়েছি
খাতার পাতায়,  খানিকটা জানলার টবে সাজানো বেঁচে
থাকা বলতে পার।
প্রতিটা খাঁজে একটা করা নতুন দরজা লাগাবার কথা
বলা হয়েছে,  বলা হয়েছে সময়কে হার মানাতে শিখতে,
তাই এখন বাতাসও জানে অস্থির হওয়া একেবারেই বারণ।

তবু ধার করা চাউনি একবার রোজ চোখ রাখে মুঠোফোন
এর শরীরে,,  বরফের নিচে অনেক সময় ঘুমিয়ে থাকে
বারুদখানা।
বছর শেষে চড়ুইভাতি করে খুশি থাকবো ভেবে
রেলিঙ জুড়ে মুহুর্ত সেকছি। তোমার ঘরে শীতের
চাদর আর উষ্ণতা দেয় না আজকাল।
গেটের পোষ্ট বক্সে ডাকপিয়ন রাখে গেছে অভিমানী
সংকেত  যা কিনা লুকোনো চিঠিতে মরশুমি ফুল হয়ে
থেকে গেছে ফি বছর।

রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭

ভুলে যাওয়া ---------------------------

---------------------------

ম্রিয়মাণ হচ্ছে যোগাযোগ, হয়তো নিভে যাচ্ছে
আলোর সেতু-- বুকের পাথরে জমা জল আর
পলাশের ওস কে তুমি কেবল শিশির ভেবেই গেলে।

একলা হতে চাইলেই বুঝি একলা হওয়া যায়!
অনেকবার...  অনেকবার চেয়েছি ভীষণ একলা
হতে হারিয়ে গেছি প্রান্তরের শেষ সীমানায়য়---,
পরে দেখেছি ছায়া হয়ে সমস্ত স্মৃতি,  একমুহুর্তও
একা হতে দেয়নি।

জানি চলে যাবে' একদিন, হাতের রেখায় সে পথ
স্পষ্ট।
গ্রহণ লাগা কোনো পূর্ণিমা রাতে চাঁদ খুঁজবো
পুড়ে যাওয়া চালাটার কাছে পোড়া মন নিয়ে।
সে দিন হয়তো তোমারও গা ঘেঁষে একটা পোড়া
বাতাস কিছু বলে যাবে,  তার উপকরণের কিছু
গন্ধ তোমার খুব  একটা অচেনা মনে হবে না,,
সেদিন সুজন পারিজাতে রাখা সমস্ত স্পর্শকে
গন্ধমোছা বৃষ্টি হয়ে ঝরে যেতে দিও এই পৃথিবীর
বুক ঘেঁষে।

অসংহত নিয়ম

--------------------------------------------------
জীবন পড়ে পাওয়া ভগ্নাংশ বাঁচা একথা
অযুতবার বলেছো সুজন।
যাপনীয় সময়ের চুঁইয়ে পড়া শোকেদের নিরুত্তাপ
বরফে তুমি আমি চাপা আছি যুগ যুগ ধরে,
একথা তো সব কবির কলমের নীবের চেনা কান্না।
জানা অসংগতি অথছ সংগত স্বাভাবিক।
স্বপ্ন ঘুম খোলা চোখে অচেনা কারন,,  অনেক নির্ঘুম
রাতে ওরা পথ হেটে ক্লান্ত,, ওদের ঘুমাতে দাও
বুকের নরম ওমের মাঝে,,  বেঁচে থাকাটা খুব জরুরী
পাওয়ার জন্য....  এসব তোমার থেকেই শেখা

মাটির তলায় শুয়ে থাকা ঘুমন্ত বীজের   মন প্রশ্ন করে না,
সে জানে সময়টুকু কাটাতে হবে সুর্যনগরে পৌছাতে গেলে।
যারা  রাতজাগা পাহারাদার তারারা  কেমন করে স্বপ্ন বোনে
জানতে ইচ্ছে হয়।
লুকনো  দরজার পেছনে দুটো আত্মায় একটাই ঘর
ছিল,  সেটা বুঝতে সময় গেছে অনেক পথ..
আজো কি যাচ্ছে না সময় নিজের নিয়ম মেনে?
সামনে জেগে আছে ভোর রাতের শহরে।
নিরুত্তাপ রাতের বুকে ইচ্ছারা গলা শুকিয়ে
ঘুমিয়ে পরে কারন রাত সত্যি এখনো বাকি
স্বপ্ন দেখে মন বার বার অস্থির হয় ভোরের খোঁজে।
অনন্ত শয্যায় শুয়ে নীলকন্ঠ রুপে তুমি আমির কথার
জীবন  ,,  এক পেয়ালা অমৃতর তৃষ্ণা বুকে আর
ইচ্ছার ঘরে অপেক্ষার আলো এই হয়তো
নিয়োজিত বাঁচা।
ঘুম জাগা চোখ মরা স্বপ্নর স্তুপাকার
মাটির তলায় চাপা পরা শোক নটেগাছের
কথা অথচ অসংগত বাঁচায় তুমি আমি হেটে যাই
যুগ যুগ ধরে।

সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭

কিছু কিছু কথা

--------------------------------------------
নেশাগ্রস্তর মত ইচ্ছারা জেহাদি আস্ফালন ছোঁড়ে
বুকের পাঁজরে। হিমেল পাহাড়ের বুকে বরফ
হিমাংকস্থান  ছাড়তে থাকে,,  আত্মিয়দের দরজায়
দুর্বোধ্য চিহ্নগুলো আমায় আর অবাক করে না।
নিয়মের সুত্র আজকাল অনিয়ম আঁকে আমার
দেওয়ালময়, ধারালো আসবাবপত্রের ক্ষতগুলোকে
রঙিন প্রসাধনীতে ঢেকে ফেলায় বেশ পারদর্শিনী
এখন আমি।
সময় পেলে পাতা উল্টিয়ে নিশ্চিন্দিপুরের দিকশুন্য
মাঠটায় হারিয়ে যাই....  বড় লোভ আমার ওই মাঠে
লুটিয়ে পড়া জোতস্নার উপর। মনে মনে ভাবি
অ- সুখ নামে যে শ্বাসকষ্ট  বুকের আধারে আশ্রয়
পেয়েছে তার যেন অধিকারবোধ আর না বাড়ে।
সে বছর খুব শীতে একবার ছুঁয়ে গেছে মারন
অ- সুখ,,  চারদেওয়ালের প্রতিবেশীরা ব্যেস্ত ছিল
অসময়ের বৃষ্টি শব্দের ইতিউতি নিয়ে।
ভেবে দেখেছি আমার হৃত যন্ত্রর মৃদু শব্দের চেয়ে
অনেক বেশি আওয়াজ এরকম অকাল বর্ষণের।
তাই জানা নেই কে কথা রাখার মত!!

শনিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৭

সাঁকো

কখনো চেষ্টা করিনি বিরল আলো থেকে উড়ে
আসা রেণুদের মুঠোয় আনার,,
ফুরফুরে  বৃষ্টিতে উঁকি মেরে দেখেছি জোনাকিরা
স্নান সারে, আর ওদের আলো রেখে আসে নীলচে
খামের বুকে।
ঘুম রাতে যে সব ছবিরা জড়ো করে টুকরো ভীড়
তাদের একটাও চেনা হয় না,,  তিলেতিলে শেষ
হয়ে যাওয়া ইচ্ছাগুলো সাদা কাপড়ে নির্বাক।
পাথর সাজিয়ে কবর আর তার ভেতোর ভেঙে
যাওয়া বেলজিয়াম গ্লাস রেখেছি, কারণ অনেক
যত্ন লেগেছিল ওই নীরব কাঁচের বুক জুড়ে।
তুমি খরচের হিসেব চেয়ে পাঠিয়েছিলে,, সুর্য
ডোবার আগে কিছুটা আলো সরিয়ে রেখেছিলাম
লক্ষীভাঁড়ের আড়ালে সেখান থেকে কামরাঙা
রংটুকু কেবল খরচ হয়েগেছে ঐ বেলজিয়াম গ্লাসটার
গায়ে।
এভাবে সমস্ত সাত্ত্বিক  আর তাত্ত্বিক উপকরণ বন্ধক
রইলো বিদীর্ণ সময়ের স্রোতে...এভাবে ছুঁয়ে
যাক জন্মাবধি অগুনিত স্থবিরতা।
বাসস্টেন্ড এর বেঞ্চে বসে ভেবেছি এমন অকাল
বৃষ্টি  ঠিক কতটা আমাকে ভেজায়!  নাকি মনখারাপের
রঙ এ ছবি আঁকার জন্য সংকেত? বুঝি না ঠিক যেমন
বুঝিনা কালপরুষের ছায়ার পাশে কেন তোমার ঘরের
নিশান!   তোমায় বলা হয় নি আমার হারিয়ে যাওয়া প্রিয় তুলিটা
রিভুদের উঠোনে পেয়েছি, সেদিন তরল জোতস্নায়
ঘন রক্তকরবী তে চোবানো  তুলিটা আমায় আর আমি
তুলিটাকে ঠিক চিনে ফেলেছিলাম।

শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

খয়েরী রঙের কথা


ধোঁয়া ওঠা সমান্তরাল ভোরে বহুবার তুমি আমি
হেঁটে গেছি পারিজাতের আঙিনায়,,
প্রশ্নচিহ্নর আড়ালে আশ্রয়টার কোনো সাঁকো ছিল
না তবু  গলার স্বর শুনে আমায় পড়ে ফেলা এ তোমার
এক অদ্ভুত অহংকার।
অতিদাহ্য ক্ষতগুলো এতো বেশি এক ঘেয়ে হয়েগেছে
তাই আর ওই স্বাদগুলোর বর্ণনা তোমার আর দেওয়া
সম্ভব হয় না।  পাতা ওল্টালেই হারিয়ে যাওয়া শব্দরা
বাঁসা বাঁধে অযাচিত আশ্রয়ে,, । অনুকরণে বেঁচে থাকা
আমার অভ্যাস বলতে পারো।
স্বার্থপরতা শিখতে থাকি রোজ একচুমুক, যাতে
সময়ের রংমিলান্তে মিশতে পারি। অনেক না বলা
কথার মত এটাও বলা হয়নি যে আজকাল মৃত্যু শব্দটা
মনকে গ্রাস করতে পারে না,,  ঘুমে ডুবে যাওয়া রাতে
ঘড়ির কাঁটার শব্দ আমার মাথার ভেতোর
দাপিয়ে বেড়ায়,,  আমি তখন অন্য গ্রহে পালিয়ে যাবার
জন্যে হন্যে হয়ে বুকের ঘরে সিঁধ কাটার চেষ্টা করি।
মুহুর্তে সামনে একটা সিঁড়ি দিয়ে কয়েক পা হাঁটতেই
নিজেকে ভারসাম্যহীন মনে হয়,,  চারপাশে ক্রমশ
ভীড় জমতে থাকে ছায়াপথের।
নিয়নবাতির স্পটে স্বপ্নগুলোর মুখ তখন বিভৎস রূপ
ধারন করে।
এমন সময় জেটিঘাটে জাহাজ মাস্তুল উড়িয়ে
সাইরেন দেয়,,  চোখ মেলে বুঝি আমার মন আজ
বড্ড বেশি খারাপ।
দিনের প্রচ্ছদে লেগে থাকে সেই খয়েরী রঙ,
বেলার মাঝে খবর পাই পাড়ার প্রাণবন্ত  ছেলে
দেবাশিস মল্লিক ভোর বেলা রোড আক্সিডেন্টে নিজেকে
থেঁতলে ছিটকে গেছে গ্রহান্তরে.... মন খারাপের কারন
নিশান খুঁজে পায় মন।

সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৭

তোমার উপন্যাস


কবি প্রেম একটা উপন্যাস তুমি বল বার বার
তবে এতো অশোষিত শব্দঋণ কেন হৃদয়ের
গরাদে বলতে পার?  কেনই বা যাপনের রংতুলির
অসুখী তরঙ্গ গুলোর ছবি তোমার আমার ঘরের
দেওয়ালে হাহাকার ছড়ায়।
সবাই যখন নিজের মত করে রোদ সেকছে তখন
কেন পৃথিবীর দুই মেরুতে সমান্তরাল  দু:ক্ষরা তিরতির
করে ঘন পৌষ ছড়াচ্ছে। 
দেখতো তোমার নগরও এক সুর্যনগর তবুও কেউ
পুড়ছে, কেউ সেকছে, কেউ খোলস  খুঁজছে এক জীবন
ঘুমোবার,
তোমার কবিতায় প্রেম কি এতো তীব্র, তবে কেন
এতো প্রেম হারিয়েছে কেবল তোমার উপন্যাস
থেকে। তোমার কি মনে আছে তোমাকে ছুঁয়ে যে স্পর্শ
প্রথম তোমায় পুরুষ সম্ভাষণ করেছিল!  সে কি প্রেম?
আর তোমার সেই একের পর এক নীল রাত.. সেই নীল
রাত হয়তো আজ একা,, তুমি বল তাহলে প্রেম কি?
আর এক জীবন কি প্রেমের সংজ্ঞার জন্য যথেষ্ট!
আমি অবশ্য এসব কিছু বুঝিনা কবি
আমার পুর্নতায় তোমার লেখা কবিতা পেয়েগেছি,,
আসলে আমার যে
সে ভাবে কিছু করার ছিল না কোনোদিনই।
তাই যখন কেউ নতুন জন্মের স্বাদ আর চলন্তিকার
উপমায় আমায় ঢাকলো আমায় আকাশ সম্পুর্ন হয়ে
গেলো আর কোনো কবিতা কিংবা উপন্যাস আমার
খাতায় জায়গা করবে না কখনো।
কেবল অপেক্ষা কোনো এক অষ্টাদশী বছরকাল
আর আমার একটা জন্ম সফল।

হাওয়ার বদল

--------------------------------

হাওয়ার শব্দ এসে  কিছুটা সময় আমার জানলার পাশে মিথিরিত
হয়ে থেমে যায়,
একটা প্রেম কথা রাখতে পারেনি বুঝতে পারে আজ
অবধি সব বসন্ত।
এক পা দু পা করে দুই-চার মাইল সাথে চলা, আর  পরিচিত
কিছু স্পর্শ মনের প্রান্তর  রৌদ্রময় হয়ে ওঠা।
শব্দবিহীন ঘরের যতক্ষণ  কোনো স্পর্শ ছিলো না
ততক্ষন বুকের উপরে পড়ে থাকতো মূক বধির এক শিলা।
জাম গাছের সাথে শুকসারির ফিসফিসানি  প্রেমরং ছড়ায়
খবর ছিল হাওয়ার বুকেও,,
অন্তঃসারে  এক  বিহঙ্গ  নিয়মের বেড়াজালে নির্জনে কাঁদতে কাঁদতে
ঘুমিয়ে পড়ে প্রতিদিন। কোন এক নগরের গিয়েছে সুজন,,
ছুঁয়ে থাকা কথাদের  দুরত্ব বেড়ে যায় নিভে যায় যোগাযোগ  ;  একটা গান ভাসে রেণুতে ভর করে
" সে যে মানে না মানা....."
অপরাহ্ণে লেগে থাকা হেঁসেলে নেই এখন কোনো
দেনাপাওনা।
। আকাশ মাঝে মাঝে দু:ক্ষবিলাষী হতে চায় এতো কিছু ভেবে...  কবিতার খাতায় মেঘ জমায় সল্প কিস্তিতে,,
;  সুখের চার দেওয়ালে শ্যেওলার বাস
শেষ অবিশ্বাস টিকে যায় জন্মান্তরীণ বোঝাপড়া।
চেয়ে দেখি : পাখি,  ঘাস, ফুল, ট্রামলাইন, শীতরোদে
উষ্ণতা নিচ্ছে। একটা গল্পের উপসংহার কেবল
বাকি রয়েছে একটু উষ্ণতার অপেক্ষায়।

শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭

সেই তারাট---

------------------------------------------------

কেউ জানে না আকাশের মাঝে একটা তারা হঠাত খসে পড়লো।

কেন   যে দিন আর  রাত মাঝে ফারাকটা বুঝতে
ভোর দেখা হয় না একটা তারার,
কেন হাতের ওমে আর একটা হাত থাকে না সেভাবে।
তারাদের বুঝি ভালোবাসতে নেই,,  তবে কেন
পেছন থেকে কেউ বলেনি তুমি ছেড়ে যেও না এই আকাশ।
কেন কেউ একবারমাত্র বলেনি এস এক আকাশ তুমি
আমি ছেড়ে আমাদের হোক।,
কেউ কেন বলেনি ভালো থাকি এক সুখে,,
চোখে অক্ষরে কেউ তো বলেনি ফিরে এসো অপেক্ষায়
রইলাম।।
জন্মাতক হৃদয়ের তারে মল্লার সুর বেজেছে
শুনলো না তো কেউ।পৌষের শীত বুকের গেরস্থালীতে
জমাট বাঁধে কোন অসুখের মত।
খসে পড়া তারাটার কথা কেউ জানবে না কখনো কোনো দু:ক্ষবিলাষী কবিও।
আমিও ঠিক তেমনি করে এক একটা সভ্যতার মাঝে আসবো
আর  বুকে নিঃস্বতা নিয়ে একলা হারিয়ে যাব।
তুমি ভাববে ভীন দেশী কোনো তারা বুঝি পথের ভুলে
তোমার সভ্যতায়।
শুধু খসে পড়া তারাটা আলোক পথে লিখে
গেছে.... আমি  বলতে এসেছিলাম তোমায় ভালোবাসি তাই বার বার ফিরে ফিরে আসি
আকাশের গায়ে তোমায় দেখবো বলে।

সেই তারাট---

------------------------------------------------

কেউ জানে না আকাশের মাঝে একটা তারা হঠাত খসে পড়লো।

কেন   যে দিন আর  রাত মাঝে ফারাকটা বুঝতে
ভোর দেখা হয় না একটা তারার,
কেন হাতের ওমে আর একটা হাত থাকে না সেভাবে।
তারাদের বুঝি ভালোবাসতে নেই,,  তবে কেন
পেছন থেকে কেউ বলেনি তুমি ছেড়ে যেও না এই আকাশ।
কেন কেউ একবারমাত্র বলেনি এস এক আকাশ তুমি
আমি ছেড়ে আমাদের হোক।,
কেউ কেন বলেনি ভালো থাকি এক সুখে,,
চোখে অক্ষরে কেউ তো বলেনি ফিরে এসো অপেক্ষায়
রইলাম।।
জন্মাতক হৃদয়ের তারে মল্লার সুর বেজেছে
শুনলো না তো কেউ।পৌষের শীত বুকের গেরস্থালীতে
জমাট বাঁধে কোন অসুখের মত।
খসে পড়া তারাটার কথা কেউ জানবে না কখনো কোনো দু:ক্ষবিলাষী কবিও।
আমিও ঠিক তেমনি করে এক একটা সভ্যতার মাঝে আসবো
আর  বুকে নিঃস্বতা নিয়ে একলা হারিয়ে যাব।
তুমি ভাববে ভীন দেশী কোনো তারা বুঝি পথের ভুলে
তোমার সভ্যতায়।
শুধু খসে পড়া তারাটা আলোক পথে লিখে
গেছে.... আমি  বলতে এসেছিলাম তোমায় ভালোবাসি তাই বার বার ফিরে ফিরে আসি
আকাশের গায়ে তোমায় দেখবো বলে।

একজন্ম

-----------------

একজন্ম কম পরবে বলে আগলে রাখি খড়কুটো
যেন মনে থাকে সমস্ত স্পর্শ গুলো,
কারন এতো কম পেয়েছি তোমার সমস্ত স্পর্শ
আমার দুক্ষেরা শুষে নিয়েছে বেশির ভাগটাই,
পথ ধরে এগিয়ে গেছি রোজ সকাল থেকে রাত অবধি
ঘাসের শিশিরজল পায়ে মেখে হেটেছি তোমার পথে
দেরি করতে না চেয়েও এত দেরী হয়ে গেল তোমার
ঠিকানায় পৌছাতে, যে সমস্ত বন্ধনে এক শতাব্দি তোমায়
বেধে ফেলেছে তখন কোনো এক গোধূলিতে।
যেহেতু দেরি করে এসেছি আমার সমস্ত অনুভুতির
অনুরণন কে বন্দি রাখতে হবে এজন্মভর, আমার
হৃদয়ের ক্ষরিত আবেগে মেশাতে হবে আজন্মের
আক্ষেপের রঙ,
যেহেতু এতোটা দেরী হল তোমার ঠিকানা পেতে,  আমায়
অপেক্ষা করতে হবে কুঁচকে যাওয়া চামড়ায় আয়ুরেখার
শেষপ্রান্তে,  কিংবা কোনো এফিটাপ এর গাঢ় অক্ষরে।
অথচ আমি চেয়েছিলাম খুব করে চেয়েছিলাম
আমার পায়ের ঘন আলতার দাগ যেন তোমার
দরজার চৌকাঠের দুপাশেই থাকে।
যেহেতু দেরী শব্দটা আমার হাতের রেখায় ভীষণ  স্পষ্ট
তাই নিজাম প্যালেস কিংবা চারমিনারে তোমার
হাতে হাত রাখা হল না এজন্মে,,
সমস্ত ঋতুরা শতাব্দীরর বন্ধনে বেঁধেছে তোমাকে আমার থেকে দূরে রাখতে,,
যেহেতু  দেরী টা কেবল আমারই হয়েছে তাই
একলা থাকার সমস্ত উপকরণ নিয়ে আমার
এই জন্মটা....,,
শুধু বলতে পারি একটা জন্ম কম পরবে আমার তোমার
অপেক্ষা করতে,  আমার দু:ক্ষ এমন অপেক্ষার
জন্য কেবল একটা জন্মই আমি পেয়েছি।

রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭

বেঁচে থাকার নেশায়

--------------------------------

বুকের খাঁজে আটকে আছে কিচিরমিচির হাজার
কচকচানি ।
ছোট ছোট খোপে  বন্ধ আকাশ টুকরো টুকরো,,
খুঁজে চলে ক্ষত ডানায় স্বপ্ন  বয়ে আকাশ ছোঁয়ার
আলোকরশ্মি ।

এই কবিতা কখনো  রামধনু হবে নয়, হতে নেই এমন অনেক কিছুর
ফিরিস্তি জীবনের রোজনামচায়।
মানুষের স্বপ্ন বিক্রি করে বাঁচতে চাওয়া যেন প্রহসন।
শুধু এক একটা দীর্ঘশ্বাস  কুড়িয়ে একগাদা ভাবনার
স্তুপ বয়ে শেষ রাতে ফিরে চলে বাসস্থানে, বাসস্থান কি সেটা
বুঝতে পারে না মানুষ , শামুকের খোলোসে ঘুমোতে যায়,,
ঘুম সেও যেন ধুঁকতে থাকা লুকোচুরি জীবন  ।
খাপ ছাড়া ঘুমগুলো বড়ো যন্ত্রণার  জানি, তবুও
অনিয়মে বুকে আবার সকাল আসে নিয়ম করে,,
ছড়িয়ে থাকা খড়কুটো কুড়োতে থাকা মৃত স্বপ্নকে
নিজে তবুও মৃত ঘষিত করতে পারি না।
বোবা খামে বন্দি থাকে সব স্বপ্নের চিঠিরা
দরিদ্র ইচ্ছারা আরো দরিদ্র হয়েও শহরে ফুলকি ঝরতে থাকে '
মৃত স্বপ্ন বীজ আবার সকালের শিশিরে।
চোখ মেলে  চায়, কারন বাঁচতে চাওয়া যেন নেশা।
চলতে থাকে নিরন্তর কোনো  পরিক্রমণ এর মত।
              

বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৭

এ কেমন কান্না

-----------------------------
যাপন যেন মৃত্যু ছোঁয়ার থেকেও যন্ত্রণার,,
রোজ রোজ মরার চেয়ে এক চুমুক বীষ---
আর মুক্তির নীল আকাশ।
শীরদাঁড়া বেয়ে বীষফোনার আগুন প্রতিনিয়ত,
কখনো  যন্ত্রণারর রংএও প্রচণ্ড দাবানল,  তাই ঈশ্বরত্ব
ভুলে যাওয়াই। ঈশ্বরের অভ্যাস... অভ্যাস প্রতি
মুহুর্তে নির্বাক নদীর নিজস্ব কথা বুকের তলায় হারিয়ে যাওয়া।
মৃত সভ্যতা আগলে ঘরকন্নার নাম।
তবু বেঁচে থাকার পথে  রোজ যতিচিহ্নদের
মিছিলের শব্দ ভিড় করে আমার শহরে,,
ঘুম কাড়া রাত প্রহর জুড়ে বটের  ঝুড়ির জট
ছাড়ানো চেষ্টা বেঁচে থাকার নাম,   স্বপ্নগুলো
কোথাও যেন ঝলসে যায়  ডালে ভাতে নুন ঝাল
কম বেশিরর ঘ্যানঘেনে মাছি বসা জীবনে।
কলমের নীবে উনুনের কালো ধোঁয়া জমে এভাবে
রোজ রোজ বর্নরা বিষাদ রঙা হয়ে কবিতার
বুকে আশ্রয়ী হতে চায়....  বড় একলা ওরা তখন।
ভালোথাকার সমস্ত শব্দরা সাঁকো বাঁধে অবুঝ শোকের
বুকে,, পৃথিবীর সমস্ত গোলাপি রংপেন্সিলে ঘুন ধরছে
একটি একটু করে।