ধোঁয়া ওঠা সমান্তরাল ভোরে বহুবার তুমি আমি
হেঁটে গেছি পারিজাতের আঙিনায়,,
প্রশ্নচিহ্নর আড়ালে আশ্রয়টার কোনো সাঁকো ছিল
না তবু গলার স্বর শুনে আমায় পড়ে ফেলা এ তোমার
এক অদ্ভুত অহংকার।
অতিদাহ্য ক্ষতগুলো এতো বেশি এক ঘেয়ে হয়েগেছে
তাই আর ওই স্বাদগুলোর বর্ণনা তোমার আর দেওয়া
সম্ভব হয় না। পাতা ওল্টালেই হারিয়ে যাওয়া শব্দরা
বাঁসা বাঁধে অযাচিত আশ্রয়ে,, । অনুকরণে বেঁচে থাকা
আমার অভ্যাস বলতে পারো।
স্বার্থপরতা শিখতে থাকি রোজ একচুমুক, যাতে
সময়ের রংমিলান্তে মিশতে পারি। অনেক না বলা
কথার মত এটাও বলা হয়নি যে আজকাল মৃত্যু শব্দটা
মনকে গ্রাস করতে পারে না,, ঘুমে ডুবে যাওয়া রাতে
ঘড়ির কাঁটার শব্দ আমার মাথার ভেতোর
দাপিয়ে বেড়ায়,, আমি তখন অন্য গ্রহে পালিয়ে যাবার
জন্যে হন্যে হয়ে বুকের ঘরে সিঁধ কাটার চেষ্টা করি।
মুহুর্তে সামনে একটা সিঁড়ি দিয়ে কয়েক পা হাঁটতেই
নিজেকে ভারসাম্যহীন মনে হয়,, চারপাশে ক্রমশ
ভীড় জমতে থাকে ছায়াপথের।
নিয়নবাতির স্পটে স্বপ্নগুলোর মুখ তখন বিভৎস রূপ
ধারন করে।
এমন সময় জেটিঘাটে জাহাজ মাস্তুল উড়িয়ে
সাইরেন দেয়,, চোখ মেলে বুঝি আমার মন আজ
বড্ড বেশি খারাপ।
দিনের প্রচ্ছদে লেগে থাকে সেই খয়েরী রঙ,
বেলার মাঝে খবর পাই পাড়ার প্রাণবন্ত ছেলে
দেবাশিস মল্লিক ভোর বেলা রোড আক্সিডেন্টে নিজেকে
থেঁতলে ছিটকে গেছে গ্রহান্তরে.... মন খারাপের কারন
নিশান খুঁজে পায় মন।
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৭
খয়েরী রঙের কথা
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন