বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩

শব্দের আওয়াজ


সব শব্দের আওয়াজে  চমকে  ওটা হয় না 
বুকের দরজায় পিঠ ঠেকিয়ে  বসে থাকলেও
শব্দেরা কখনো কখনো  মাঝ পথে ডুবে  যায়। 
ভাবনার রঙে  ভাঁজ করা তুমি  নামক যাকিছু  আসলেই 
সত্যি নয়... 
তাই সময়ের চিতাকাঠে পুড়ে যাওয়া 
ছাইয়ে অবয়বহীন  ছবিটুকুই সম্বল
নিকোটিন পোড়ানো  ঠোঁটের ব্যাথারা সহজেই হৃদয়ে 
পথ চিনে নেয়... 
উত্তরের বারান্দায় মেঘের বুক ভাংচুর হওয়ায়  শব্দে
সমস্ত শুন্যস্থান  দখল হয় 
সময়ের দেরাজ খুলে দেখি ভেতরের প্রতিটা তাকে
রাখা আমাদের স্পর্শগুলো  তুমি নিয়ে গেছো কোনো
সমন ছাড়াই ..., 
 সমস্ত  শূন্যস্থান  জুড়ে তবু অদ্ভুত  যানজটের শব্দ...। 






মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩

মন্দবাসা



.
বিছিয়ে থাকা পথটার শেষে কি আছে কে বলতে
পারে! 
সময়ের দাঁড়িপাল্লায়  যোগবিয়োগ এর ফলাফল, 
চোখের  কোনে হারানো অনুভব জ্বালা ধরায়
চোখ  মুছে আজ ভালো  আছি বলে দিনটাকে জানান দিতে হয় সব ঠিক  আছে সব ভালো থাকা  জুড়ে আছে। 

ক্যালেন্ডারের তারিখে কিছু  শব্দেরা মোহের গিঁট হয়ে 
মরে যাওয়া  সময়ে ধুকপুক করার চেষ্টা করলেই 
বাসি রজনীগন্ধার দীর্ঘ পচা গন্ধে  দম বন্ধ হয়ে আসে। 
মন্দবাসায়  মুড়ে রাখা ভালবাসা তখন  কেবল কিছু তারিখের  বুকে পুঁতে  রাখা পেরেকের মত.... উপড়ানো যায়না 
যায়না রাখা, 
আসলে ক্যালেন্ডারের  তারিখেরাও একদিন নিজেদের জায়গা
ছেড়ে  দেয় মন্দবাসার ভালো তে বাস করতে চেয়ে, 
আসলে সত্যি ভালবাসি শব্দটা  বলতে নেই....।


সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩

ছবি

একটু তাজা নিশ্বাসের দরকার ছিলো
দরকার ছিলো পুরোনো  ছবিটার ধুলো মুছে 
 সবুজ বাতাসের পরশ, 
সেই আটপৌরে বেলার ছবি 
দৈন্যতা অজত্নে পড়ে থাকা মুহুর্ত আঁকা সে ছবি, 
আমার কোনো   নিজস্ব ঘর কিংবা দেওয়াল ছিলো
না  কোনোকালেই  তাই ছবিটাকে আশ্রয়  দেওয়া হয়ে  
ওঠেনি... অথচ রংহীন  ফ্যাকাসে ছবিটা নিজের বুকে 
নিজের  আশ্রয় হয়ে আজো হাসিটুকু অমলিন  রেখে দিয়েছে, 
আমার সে দিনেও ছবিটা রাখার নিজস্ব কোনো  ঘরের দেওয়াল ছিলো  না, আজো আমি বুকের ভেতর কেবল  একটা  খোলা  আকাশ  আর সে আকাশে রোদ্দুর , মেঘ বৃষ্টি , আবরনহীন অমানিশা ও চাঁদ তারার আলো নিয়েই আছি, 
শুধুমাত্র সময়ের ধুলো  ঝেড়ে   তাই ছবিটাকে শুধু  তাজা নিশ্বাসটুকু দিলাম... দিলাম সবুজ বাতাস। 



বৃষ্টি তুই

বাইরে যখন বৃষ্টি খুব আমার ভেতর অথই তুই 
বাইরে যখন অঝোর ধারা আমার ভেতর তোর কলতান,
বাইরে যখন বৃষ্টি ঝাপসা  তোর নুপুরে কবিতার বোল, 
বাইরে যখন বৃষ্টি হাওয়ায় আমায় জুড়ে  এলোমেলো তুই,
বাইরে এখন  ক্লান্ত বৃষ্টি  আমার ভেতর তুই জড়ানো ঘুম কাহিনি, 
বাইরে যখন  মন খারাপের মেঘলা বিকেল আমার ভেতর
ডানা মেলে তুই খুঁজিস কাকে  ওই আকাশে! 
বাইরে বুঝি বৃষ্টি  রাত আমার ভেতর দেওয়াল ঘেঁষে  অপেক্ষাতে তোর অভিসার, 
বাইরে কেবল বৃষ্টি  লেখে এক ঘেয়ে সব গল্পগুলো 
ভেতর জুড়ে  তুই আমাতে  রামধনু রঙ দিস্তাতে। 

রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩

মন বাউল



 যে বৃষ্টি   ফিরতে দেয় না ঘরে  তার সাথে ভিজতে ভিজতে শোক ও সুখ দুইই ধুঁয়ে নেয় মানুষ
 দারুন ভাবে।   মেঘের পাপছায়ায় হারিয়ে যায়  ফুঁসমন্তর ম্যাজিকে।
 এভাবেই মেঘ নেমে আসা শহরের মন একলা হতে ভালোবাসে বারংবার ।
 জানলা খুলে চোখ দেখে নেয় ফেলা আসা আত্মিক সুখ লেগে থাকা মোড়ের শেষে  দাঁড়িয়ে থাকা মোহের নেশা হাতে লোকটা এতটুকুও ভেজেনি আজ এই থই জলে।
জীবনের নেশায় চুর হয়ে   দাঁড়িয়ে আছে শহরের আস্তাবল গুলো ...  ,


যে পথ কখনো জীবনের চেয়েও প্রিয় ছিল সে পথ
 বৃষ্টির কবিতার খাতায় নিজেই পথ হারিয়ে ফেলে।
আসলে এক একটা  গল্পের কাছে কখনো কখনো মানুষ  ঋণী হয়ে থাকে সারাটা জীবন; একটা মোহের কাছে নিজেকে কাঙাল হতে দেখতে ভালোবাসে শেষতক।
কিছু কিছু গল্পে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার তীব্র লোভের গোড়ায় জল ও সার দেয় মানুষ তার মন উঠোনে, 
সে গল্পে থেকে যাওয়ার জন্যে রোজ বোধিবৃক্ষ পরিক্রমা করে মন । 
 একটা পাগল-মন আদ্য প্রান্ত ভিখিরি হয়ে ঘুরে বেড়ায়  পথে পথে। 
অথচএকটা পথ সে চিরকাল হারিয়ে ফেলে নিজেকে ঠকায় ...সে যে অন্ধ হৃদয়ের কাছে পাগলের প্রলাপ কাঁদে ...
বোধহীনতার কাছে বোধি ভিক্ষা পাবার চেষ্টায় ব্যর্থতা বুনে চলে আজীবন।


ভুলতে হয় কখনো কখনো

ভুলতে হয় কখনও কখনো

*********
তুমি দাঁড়িয়ে আছ সেই কবে থেকে একই বৃত্তের ভেতর ,যে সময় কে তুমি গালাগালি দাও সে সময় তোমাকে ছেড়ে কোন দূরপাল্লার  ট্রেনে হুইসেল বাজিয়ে চলে গেছে , অথচ হুইসেল সে আওয়াজে আজও ফালা ফালা হয় তোমার মাথার এক একটা শিরা ,
বাসি খবরকে  বরফ কুচি দিয়ে জীবিত রাখা অভ্যাস যে বদলে ফেলা দরকার তোমায় কেউ 
শেখায়নি
 , তাই তোমার অভিমানের ছায়ার মাপ ক্রমশ তোমার দৈর্ঘের চেয়ে আজ লম্বা ।
যে কবর খানা খুঁড়ে তুমি প্রতিদিন তোমার  জন্ম শব্দ তুলে আনো আর নিজের বেঁচে থাকা কে ব্রাত্য করে তুলছো  তাতে যে কারোই কিচ্ছুটি আসে যায় না , এই পৃথিবীতে কেউ কারো জন্য দু দণ্ড দাঁড়ায় না তুমি তো জানো , তবু তোমার ক্যানভাস জুড়ে অজস্র ধারায় গড়িয়ে নামে বান্ধব রঙ আর সেই রঙের একটাও ছবি তুমি সম্পূর্ণ করতে চাওনি
কখনো ,
তোমার যুদ্ধ পরবর্তী পৃথিবীতে দেখ কে আছে একান্ত তোমার অপেক্ষায় ? দেখতো সেই সুখ দুঃখের ফেরিওয়ালা কে কি তুমি স্টেশন চত্বরে পাও কিনা যেখান থেকেও খানিক ভালো থাকা কিনে নিতে পারো , 
রোজ রোজ হারিয়ে যাচ্ছ অভিমানী ভিড়ে 
যেন নেশার পাত্রে এলিয়ে পড়া সুরজ কি রোশনি ,
যেন প্রত্নতাত্ত্বিক সময়ের গা দিয়ে গড়িয়ে পড়া বয়স , যেন মৃত্যু নগরীর ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ন্ত কবুতর ,  এই তুমিটা চিনতে গেলে আবিষ্কার হয় সম্পূর্ণ বিপরীত অচেনা এক মানুষ ,
শুধু জানতে ইচ্ছা করে তুমি কি এভাবে ভাল আছো দীর্ঘ কাল  ! প্লিস অভিমানী ছায়াকে নিজের থেকে দীর্ঘ করে বাড়তে দিও না ।

শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০২৩

বাটোয়ারা

বাটোয়ারা 



 প্রত্যেকেই পাঁজরের ফাঁকে লুকিয়ে রাখতে 

চায় কয়েকটি  নিজস্ব  চিরকুট, 

সে চিরকুটে একলা কান্না থাকে, থাকে 

গোপন যন্ত্রনা , থাকে একলা নদীতে বয়ে 

যাওয়া অপরাধ  কিংবা  সুখের বানভাসি  মুহুর্ত। 

প্রত্যেকের  নিজস্ব  আয়নায় একটা  নিজের মত ছবি

থাকে   যে ছবি  কখনো  সেলাম ঠুকে  সম্মান  জানায়

কখনো  চোখ নামিয়ে নতজানু , 

সময়ের বাক্সে এমন ঘোর লাগা মুহুর্তে কাছে মানুষ 

গোলাম মাত্র।

প্রত্যেকের ভেতর ছাদের ঘরের সেই গোপনীয় 

চিলেকোঠার  ঘরে একলা শব্দেরা আবরণহীন, 

সুখ গুলো  বোহেমিয়ান, দুঃখগুলো আলুথালু,

ভুল গুলো শাস্তি বিহীন , মিথ্যে  গুলো  দাঁত বার করে  হাসে দ্বিধা ছাড়াই, 

হয়তো  বা এ গোপন চিলেকোঠায়  দুঃখসুখের গল্পগুলো সব একঘেয়ে।   


আমি আছি তুমি আছির সত্যি গুলো  সে বিস্তীর্ণ  চড়াই-উতরাই  ছুঁয়ে  দেখতে পারে না কখনো, ওরা 

সাথে থেকেও  একটা মানুষকে  দুটো  অস্তিত্বে বাটোয়ারা  করে খুব সন্তপর্ণে। 


বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩

যদি



.আগামীর  দরজায়  সবটুকুই  হয়তো বিস্ময়, 

ঘড়ির কাঁটায় কিছু না কিছু অপেক্ষা যেমন, 

সফর জুড়ে  ক্রমাগত  নতুন মাইল ফলকে ছুঁয়ে  ফেলা যেমন,

...যেমন শেষ  দরজা  সকল আগন্তুকের কথা জানে, 

আকাশ, মাটি, গাছেরা উত্তর  জেনেও চুপ থাকায় বিশ্বাস করে যেমনটা,  

তবু কবিতায় শব্দ জব্দ খেলে কবি। 

যতিচিহ্ন বদলে দেয় অনুভূতির মুখ, 

বাড়ি ফেরা পাখিরা রুপকথার আকাশে  ডানা মেলে কিনা জানা হয়নি।

 শুধু  জানা আছে তাদের আশ্রয় অপেক্ষার সকাল বুনতে থাকে সময়ের সুতোয়। 

পাখিদের জন্ম মৃত্যুর  মাঝে শুধুই সবুজ আকাশ। 

আর সে আকাশে নেই মান, নেই বেইবান, নেই প্রশ্নের মত চিহ্ন, 

আছে মুগ্ধতা, আছে বিশালে মিশে যাওয়ার পরম মুক্তি স্বাদ, আছে অবাক, আছে অজানায় নিজেকে হারিয়ে এক নতুন জানা কে প্রশ্রয়  দেওয়া । 

পাখিদের  কাছে সময়ের দরজাটা  ঠিক কেমন  জানি না! 

পাখিদের কাছে যতিচিহ্ন গুলো  কতটা মাত্রা পায় জানি না! 

পাখিদের  কবিতা ঠিক কেমন  হয় জানি না!

আমি ছাদের আকাশে প্রতি বিকেলে  এক গুচ্ছ এমন অজানা 

নিয়ে ওদের বাড়ি ফেরা ডানা গুলোর দিকে অবাক হয়ে দেখি...  মনে  সাধ হয় এক জন্ম পাখি  হতেম যদি....।


শনিবার, ১১ মার্চ, ২০২৩

ভালো আছে শহর

ভালো আছে শহর 


.

বেশিরভাগ সময়ই এ শহর  মিথ্যে হাসিতে  বোঝাতে চায়

ভালো আছে, 

  আসলে  সময়ের ভিড়ে নিজেকে মিশিয়ে শোক গুলো মিথ্যে  সুখে বদলে ফেলা শিখে নিতেই হয় কখনো কখনো।  

 সময়ের  স্মারককে এক সময়    অবহেলায় বুঝিয়ে দিতেই হয় প্রবাহেই বেঁচে থাকা  প্রবাহেই ভালো  থাকা সম্ভব। 


আসলে এ শহরব পারে  , এ শহরের  তুমি আমির মত অজস্র   মন পারে হৃদয়ে  বিবেককে রাখতে,  

অসংখ্য বিষের পেয়ালার সামনে কিংবা  পেয়ালা হাতে নিয়ে   খুব সহজে বলতে চিয়ার্স ,

সত্যি হলো মানুষের  পোশাক যার আড়ালে   জীবনের পলেস্তারা ছেড়ে যাওয়া  নোনা ধরে যাওয়া  কাঠামো আড়াল করা খুব সহজ।   

সময়কে পরিবেশিত হয়  সামাজিকতায় আর 

আর নিজস্ব মৃত্যুর গেলাসে ঠোঁট রেখে তখন  বলতেই হয় চিয়ার্স । 

চোখের জল আড়াল করে গোপনীয়তা গুলোকে  সময়ের এপিটাফে একটা  নিয়মিত  নিয়ম লিখে রাখে এ শহর, 

এ শহর মন্দ থাকায় বাস করলেও  মুখের হাসিতে বোঝাতে চায় ভালো থাকা যায়  গতিময় সভ্যতায় আগুনে পুড়তে থাকা 

মন্দ থাকা গুলোকে অবহেলা করেও।

এ শহর  মন্দবাসায় বাস করলেও ভালোবাসার গানের কলারটিউনে বুঝিয়ে দেয় ভালোবাসা জড়িয়ে আছে ঘুম ভাঙা থেকে ঘুম আসা প্রহর জুড়ে। 


রবিবার, ৫ মার্চ, ২০২৩

যাওয়া আসা

যাওয়া আসার দিনের শেষের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা গোধুলীর আলো মাখা বাতাস... 

কখনো  নেশা কখনো  অভ্যেস বদলে নেওয়া।

শব্দের ঘরে চিরকাল  দোসরের সংসার অথচ

ভালবাসা  নিজের মত বুক খুঁজে  নেয় বারংবার । 

সব চলে যাওয়ার  ফেরা থাকে না, হয়তোবা 

বেশিরভাগই  ফেরা হয়ে ওঠে না আর কারন

সময় দরজায় খিল দেয় নিজের প্রহরায়।

আকাশ বদলে যায়  বদলে যায়  রাজা রানী ঘোড়া 

কিংবা নৌকার চলমান   নিয়ম। 

চোখের  আলোয় বাইরে সকল হারা  যতটা  অন্তরের অন্ধকারে  কানায় কানায় পুর্ন সকল অভিসারি মুহুর্ত । 


মানচিত্রে  সভ্যতা  বদল হয়  বদল হয় ঠোঁটের  ওপর ঠোঁট 

রাখা মীরজাফরি কথারা। 

গলির মোড়ে বুড়ো বট পথিকের  যাওয়া আসা 

পাখিদের উড়ে যাওয়ার সাক্ষী  একলা... তবু

একলা হওয়া  হয় না... সমস্ত একলা বেলা জড়িয়ে 

একটা অদ্ভুত আশ্চর্য অজানা অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা হয়

দৃশ্যর জন্যে দর্শক হয়ে।



বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০২৩

ঋষভ মুহুর্তে

ঋষভ মুহূর্তে  মন ভালো হয়ে যায়, 
 যখনই সময়ের আয়নায় দাঁড়িয়ে নিজেকে  দেখি। 

মঞ্চের খেলায় প্রজাপতির মেলা তার পাখায় আঁকা 
সংসারের পাঁচালী, 
মুখোমুখি হৃদয় বিনিময়ে গল্পেরা সবুজ হয়, আবার
পাতা ঝরায়। 
এ বসন্তে দীন হাঁড়িতে ভালবাসা উপচে থাকে তবুও,
বিকেলের সাঁঝ বাতির আলোয়  ঘরে ফেরার মত বিশ্বাস অপেক্ষা করে এখনো ।


মন ভালো হয়ে যায় আজকাল যখন  দেখি  গাছেদের সাথে রঙমিলান্তে কচি সবুজের উৎসব গড়িয়ে এ ধুসর শহরেকেও স্নিগ্ধ করে তোলে। 
মন ভালো  হয়ে যায় যখন  দেখি এ শহরে 
 গৃহস্থালীতে ছেটানো যিশুখ্রিষ্টের শোকগুলো মেঘের সাথে ভেসে কোনো এক আনন্দধারার আয়োজনে মেতে ওঠে । 

মন ভালো হয়ে যায় 
সময়ের আয়নায় দাঁড়িয়ে নিজেকে  যখনই ভাবি
আমিও আজানা অদেখা কারো ইচ্ছার স্রোতে,  ভালো মন্দ উৎসব ও শোকে সামিল,
 মন ভালো  হয়ে যায়  এ বিস্ময় রচনায় আমার ভুমিকাও সামিল.... সত্যি মন ভালো  হয়ে যায়। 

অন্তর মহল

শব্দগুলো নিজেদের গড়ে আবার নিজেদের ভাংচুর 
করে নতুনের অপেক্ষায়, 
প্রাপ্তির সফরে হারানোও একধরনের পুঁজি 
অথচ মন মানতে চায় অন্য কিছু, 
দরজার পেছনে অপেক্ষার নাম শুন্যতাও হতে পারে,,
 আসলে বাড়ি  ফেরা  শুধুমাত্র ইঁটের দেওয়ালে নয় বাড়ি ফেরা আসলে অন্তরমহলে ঘুরে আসার নাম।  

শব্দের ভাংচুরে শব্দই জিতে যায় 
খানিকটা জিগস অফ পাজল এর মত মৃত্যুহীন ওদের খেলা,
 পুড়ছে অথচ ছাই হচ্ছে না, বিবাদ থাকলেও বিচ্ছেদ নেই, আপোষে আফসোস এর ছায়া নেই,  বুদ্ধ আর বোধ একই, 
প্রেম আর ত্যাগ আলাদা নয়, 
বিনি সুতোর  বাঁধনে বাঁধা  দাহ্য দহনের গল্প।


.
ফিরে আসা পুনঃশ্চে  জীবন জিরিয়ে নেয়
প্রেম আসে বারংবার আশ্রয় বদলে নিয়ে  
সম্পর্কের গায়ে ভাবনার স্বাক্ষর কাঁপে 
... কারন হৃদয় কেনা বেচা বোঝে না, 
 কারন বিবেক কারন খুঁজে  মরে শেষতক, 
আসলে দুই এর মাঝে মাটি ফুঁড়ে সৈন্যরা ভিড় করে 
আসলে দুই এর মাঝে হার ও জিত শব্দটা একজনই বয়ে চলে।