বাটোয়ারা
প্রত্যেকেই পাঁজরের ফাঁকে লুকিয়ে রাখতে
চায় কয়েকটি নিজস্ব চিরকুট,
সে চিরকুটে একলা কান্না থাকে, থাকে
গোপন যন্ত্রনা , থাকে একলা নদীতে বয়ে
যাওয়া অপরাধ কিংবা সুখের বানভাসি মুহুর্ত।
প্রত্যেকের নিজস্ব আয়নায় একটা নিজের মত ছবি
থাকে যে ছবি কখনো সেলাম ঠুকে সম্মান জানায়
কখনো চোখ নামিয়ে নতজানু ,
সময়ের বাক্সে এমন ঘোর লাগা মুহুর্তে কাছে মানুষ
গোলাম মাত্র।
প্রত্যেকের ভেতর ছাদের ঘরের সেই গোপনীয়
চিলেকোঠার ঘরে একলা শব্দেরা আবরণহীন,
সুখ গুলো বোহেমিয়ান, দুঃখগুলো আলুথালু,
ভুল গুলো শাস্তি বিহীন , মিথ্যে গুলো দাঁত বার করে হাসে দ্বিধা ছাড়াই,
হয়তো বা এ গোপন চিলেকোঠায় দুঃখসুখের গল্পগুলো সব একঘেয়ে।
আমি আছি তুমি আছির সত্যি গুলো সে বিস্তীর্ণ চড়াই-উতরাই ছুঁয়ে দেখতে পারে না কখনো, ওরা
সাথে থেকেও একটা মানুষকে দুটো অস্তিত্বে বাটোয়ারা করে খুব সন্তপর্ণে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন