বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০১৬

জমা থাক কিছু শব্দ

শব্দগুলো থাক জমা হয়ে বুকের গোপোন ভাঁজে,
তোর আনর্গল সৃষ্টি শব্দেরা যখন সময়ের ক্যনভাসে
রুপরেখা আঁকে
তখন আচ্ছন্ন ময় সৃষ্টিকর্তা বলে জন্ম হোক নতুন
অধ্যায়ের স্পর্শ  শিহরন এর সঙ্গমে
আদিমতাকে সময়ের তরঙ্গ আলোকবর্ষ দুরত্ত
কমে যায়,
ভাবনারা আহত হয় তোর অবহেলায় আমায়
নিয়ে খেলা অখেলায়,

ব্যস্তবাগীশ  ইচ্ছাগুলো বিকেলের আলসেমিতে
ভিজিয়ে খাওয়ার সময়ে অসময় গোধুলি আসে রোজ।
ভোর তো জ্বলন্ত সূর্যর মুখে এক আঁজলা জল ছেটানো,
আর রাত্রি সে তো আলোর অপেক্ষায় আশার বুকে রঙ
তুলির ইচ্ছা আঁকিবুঁকি,,
যে সকালে পথে ফিরে  আসা মানুষের বেঁচেথাকার যন্ত্রণারা
সময়ের সাথে সময়ের রং রোজনামচা লেখে
ঘামে গড়িয়ে নামা উপলব্ধিরা বয়সের ওজন বাড়ায়,
এক বিসন্ন  ক্যানভাসে প্রতিনিয়ত কিছু
সৃষ্টি,  আমি বেঁচে ছিলাম আগামি কে
চিৎকার ছুড়ে বলে যাওয়া,

শব্দগুলো  জমা থাক বয়ে যাওয়া সময়ের বুকে,
শিহরণ এর তুলির গভীরতায় ফুটে কোনো পাহাড়ি ফুল
সত্যির মত সুন্দর কিছু গোপোন মুহুর্তরা
আর নিয়মের বাইরে চাওয়া পাওয়ারা পাক
পূর্ণতা,
অনিচ্ছারা ইচ্ছার ছায়ায় ঢেকে যাক
  আশ্রয় এর আরেক নাম ছুঁয়ে থাকা,,

বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১৬

মোহো

----------------
দূরত্ব সেটা ঠিক কি?
কিছুটা সময়ের মোহো  থাকে গভীর
অবচেতনায়,
যেখান থেকে নিয়ম কিছু থাকে না
কিছু মুহূর্ত থাকে ,আরো গভীরে
অনেকটা স্পর্শ জপটে বাঁচা,

এইভাবে ব্যস্ত মুহুর্তের আনাগোনার সাথে সহবাস
আয়ুরেখা বরাবর এই অবুঝ সফরে কিছু
উপলব্ধি  পুঁজির ঝুলিতে আশ্রয় পায়,
স্মৃতি নয় হয়তো বয়ে যাওয়া সময়ের
অনুরণন  থাকে,  আমার এই একলা অবেলায়,
কিছু মোহের গিট রাখা থাকে চেতনার রেশমি
রুমালে, সময়কে ভালোবেসে যাতনাকে আঁকড়াই,

সময় কাকে বলে জানি না সঠিক উত্তর!
ইচ্ছার বিপরীতে বসবাস,পরের ঘরে থাকা ,
প্রশ্ন আমি কি জীবিত না পরাশ্রয়ী?
আসলে নিজের সাথে অভিনয়
জীবিতের মতন... মৃত নই কাকে জানাচ্ছি?
শরীরে রক্তের গন্ধ ,,নিস্তব্ধতায় বইছে
শিরা উপশিরায়,
দূরত্ব কিছু থাকে না
কিছুটা মোহো জুড়ে অনেকটা
আকাশ ,আর একফালি ইচ্ছাবাঁচা,
কেউ আসে কখনো কারনে নিশান
শুধু জানা নিজের কাছে,
অবচেতনায় বাঁচার এক নেশা
মোহের গিটকে শক্ত করে দেয় বারংবার,

কি বা দিতে পারি

-------------***-----------
সময়ের ভগ্নাংশ থেকে কিছুটা ঈশানী
মেঘলা মন আর এলোমেলো ঝড়ের
কোলাহল,বুকের আর্তনাদে সামঞ্জস্যহীন
বেসুর যা কিনা সমসাময়িক নয়,
হ্যঁা আমার বলতে এটুকুই...
এক বুক শীতল জলে দাঁড়িয়ে আমি
কালপুরুষের পথে চুঁইয়ে পড়া ফোটা
ফোটা চাঁদের আলো দিতে পারি,এই
আমার সুখ... খালি পায়ে শুখনোপাতার
সাথে মাখামাখি সুখ আর সুখ,
আমার বুকে মোচড়ান যন্ত্রণারা আমার
অহংকার.... তোর মুখের রুপরেখার
রদবদল সময় আমায় চিনিয়ে দেয়,,
ঠিক রোজকার আমার চেনা রুটে যাওয়া
আসা রাস্তা গলি আঁক বাঁক,
সাজসজ্জা শেখা হয়নি বলে হয়তো পোষাকি
দুনিয়াদারিতে এখনো চুক্তিগুলো সাক্ষরিত
করা হয়নি।
এক বুক আর্তনাদকে আমি সাদা রজনী
গন্ধায় সাজাতে পারিনি...... বাজারি দরে
আমি হয়তো অচল...... তবুও যন্ত্রণার
বুকে আমি এক চিনচিনে প্রেম,,
কি বা দিতে পারি আমি এটুকুই আমার
সম্বল,,

স্পর্ধা

---------------------
সময়ের বুকে পা রেখে একটা
পৃথিবী চার দেওয়ালের মাঝে,,
নিয়মগুলো বেমালুম বোতাম
খোলা জামার ফাঁকদিয়ে বেহিসেবি
খরচ  হয়ে যায়,, এক মুহুর্ত কম পড়ে
পড়ে পাওয়া চোদ্দয়ানা দেওয়া নেওয়া,
বাঞ্জারা জমির বুকে একলা চাঁদ স্নিন্ধ
যন্ত্রণার চাদর ঢেকেছে,, তবুও
অভিমানী চাহনি দুরত্ত্বকে এফোঁড়ওফোঁড়
করে ফেলে, সব জানা তত্ত্বকথা অজানার
ঘরে নজরবন্দি হয়,কেন.... কেন এমনটা
জানানেই, বেঁচে থাকার সব অধ্যায় থেকে
জানা প্রশ্ন সময়ের সাথে আসবে না....
এক উচাটনে চোখের জল লুকোতে
যন্ত্রণার চোখে চোখ রাখা গেলো না,
ভিড়ের মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলি
আর প্রিয় ইচ্ছামৃতুর গলায় পরাই
নিয়মের মালা,, ব্যস্ত আমি সবুজসংসারে
আমি মৃত আমার কাছে এসো না অনিয়মের
বেঁচে থাকা....
সময়ের বুকে চুপি চুপি পা ফেলে
আবার জন্ম নেবো তোমার বুকে
কোনো এক প্রহরান্তে, বেহিসাবি
ভালোবাসায় প্রশ্রিত হবে আকাশ
আর নদীর যন্ত্রণা,,

স্পর্শ ------------------

তোমাকে ছুঁয়ে থাকার বাহানায়
নিশ্বাসের সখ্যতা মেনে নিয়েছি
তোমাকে জানবার বাহানায় নিজেকে
বার বার অজানার দোড়গোড়ায় দাড়করিয়েছি,
জরুরি ছিল না এতো আলোর...... মৃতুর
সাথে সমঝোতা সাক্ষরিত ছিল,,
আমার ২০৬টা হাড় দিয়ে একটা বেঁচে থাকা
সময়এর অবয়ব রুপরেখা......!
আশ্চর্য হওয়ার পালা শুরু হয়েছিল
এক অজানা বিকেলের বিচ্ছুরণ রস্মির
মোহ থেকে,
নিয়মের বাইরে রাতের বুকেও জোতস্না
আলো ছড়ায়..... অথচ রাত সে অন্ধকার
আলোর সখ্যতার বিরুদ্ধে,
তোমাকে মাখার বাহানায় নিজে ঘন রাত
হয়ে ঘুমাই ইচ্ছা মৃতুর বুকে,
তুমি গাছের মত স্থির থাক আমি খড়কুটোর
আশ্রয় বানিয়ে নেবো, তোমার সবুজত্ত্ব
যতবার আমায় ছোঁয় আমি জিবিত
বুঝি। নদীগর্ভে চোরা পথে এখনো মিঠা
পানি জানান দেয় দিনান্তে এক আঁজলা
জল আর আমার বেঁচে থাকা,
তোমার সবটুকু বিচ্ছুরিত আলোয়
স্নান সারার বাহানায় নিজেকে আকন্ঠ
নিমজ্জিত করেছি সমের হাতে,
যন্ত্রণা ঘুমাক গভির ঘন কালের বুকে,
আর ছুঁয়ে থাকার বাহানায় মুহুর্তগুচ্ছের
মাঝে স্পর্শ  জড়ো.....
এই আকাশ কেবলি খন্ডিত ভগ্নাংশ
সবুজ সংসারের জানালায়,,

শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৬

গধুলির একটু আগে

--------------------------------

গধুলির ঠিক একটু আগে শহরে  পথে
তুই রিনরিনে নুপুরের সুরে নিয়মের
রোজনামচা চলে যাস,, কখনোকখনো
ইচ্ছেডানায় ভর করে তোর বুকের
খুব কাছে স্পর্ধা হই বৃষ্টির অজুহাতে,
তোর নোনা ঘামে আমি মিঠাপানির
বাহানায় ছুঁই, নাভির ভিতর এক
অনুরণিত প্রেম পুর্নতা পায় কখনকখন,
তোর জ্যোতস্না মাখা শ্রীতনু দখিনের
খোলা জানালায় শীতল বাতাসের বাহানায়
কতোবার হাতছানি দেয়, তোর শহরের
গাছ গাছালিরা বড্ড সৌভাগ্যে বাঁচে
তোর গন্ধ মেখে ওদের সবুজ ছায়ারা
চীরসবুজ আজন্মকাল,
এক হাহাকার ফ্যাকাসে চোখ তোকে
ছুঁতে চায় একটু সবুজে গা মুছতে চায়,
এজন্মের ভাগাভাগি টুকু অনেক আগে
ভোরের আলো ছিনিয়েছে.... পরজন্ম
একবুক আশা যেমনটা 'আশায় বাঁচে চাষা'
বাসি কিছু বেল ফুলদের থেকে তোর চুলের
গন্ধ চিনে রাখি রোজ,
শুকিয়ে যাওয়া বেলফুলের মুখে সব পেয়েছির
স্মিত হাসি যখন বিদ্রুপ করে আমি এক
জন্মে শতবার মৃতু পথযাত্রি হই,
তবুও রোজ গধুলির একটু আগে
পৃথিবীটার প্রেমে আমি মশগুল হই,
হৃদয়ে এক নতুন জলসাঘর বেলোয়ারী
সাজে সাজাই আর জ্যোতস্না নিশীর
অপেক্ষায় দখিনা বাতাস খুঁজি,,

শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০১৬

মানচিত্র

------------------
নিয়মের মানচিত্রের বাইরে আবিষ্কৃত
আলোকবর্ষ  থেকে দূরে সভ্যতায় বেমানান
বেআব্রু রুপরেখা, একটা নদীর ভরসা
কুলে আশ্রয়ী দেশ..... তোর বুকে,
সেই বুকের পাটাতনে হারিয়ে যাওয়া
কিংবা ঘুমিয়ে পড়া রাজনগর এর ধুক
পুকুনি কান পাতলে স্পষ্ট হয়, এক পা
ফেলে আর এক পা মাপা একফালি জমি
পেয়ে যাওয়া  বরাদ্দতার ভাগ্যে গুপ্তধন,
মুহুর্তের স্তব্ধতা ছিঁড়ে প্রান ভ্রমরার ঝটপটানি..
আর ডানায় সভ্যতার জাল বেছানো,
চটকান সূর্যর আলো রোজ সময়ের
নদীকে  গর্ভবতি করে
ভালোবেসে...,,, ভরসার বুকে আশ্রয়
আর আশ্রয়ের বুকে প্রশ্রয়, নিয়মের বাইরে
এক অক্ষরেখায় গাঁথা মুহুর্তগুচ্ছ মালা
তৈরী করে সম্পুর্নতা, সময়ের খাতায়
সময়ের আঁকা এক মানচিত্র, আবার
সময়ের বুকে হারাবে কোনো এক দিনান্তে।
এভাবে এক আলোকবর্ষ থেকে আর এক
আলোকবর্ষ  পেরিয়ে আবিষ্কৃত প্রেমের
পুনর্জন্ম।

ভালো থাকা

------------------------

চলমান হৃতপিন্ডর বন্ধ দরজাটা
দুরন্ত বেঁচে থাকার ঝড়ে হাট খোলা
দেদার নিশ্বাসএর আসাযাওয়া,
স্বপ্নের বীজ আজ কাল সবুজ
অংকুরির, এক চকচকে আলো গাল
চুঁইয়ে হাসি ঝরায়,
নীল আসমানি বুকে ভেসে বেড়ানো
পাখিরা নতুন ঘর বাধাঁ্র ইচ্ছা জাগায়,
শরীরের মাচায় আগামির কুঁড়িদের
মুখে ভোরের আলোর ওম, আলো ছায়ার
আলপনা হলুদ বসন্তঋতু হাসছে,
বেস আবীর মাখা মখমলি স্পর্ধারা
হৃতপিন্ড আগলে রক্তের নোনা স্বাদ
নিচ্ছে, আর আলজীভে আধপোড়া
নিকোটিন এর গভির আদোর,
ভালো থাকা শব্দটার আশপাশে নিবিড়
কাঁটাগাছের বেড়া দেওয়া, তবুও
আজ কাল বীজের বুকভরা ফুলফোটা
স্বপ্নরা ভালো থাকে......ভালো আছি
বলে একগাল হেসে,,

মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০১৬

অবসর

আজ কবির অবসরজীবন শুরু
কবিতাদের কাছ থেকে চীর বিদায়
এক দিনান্তের শেষ কবিসভায় আজ
বিদায়ি সম্ভাষণ জানাছে সব কবিতারা,
এক শিশু কবিতা শেষ উপহারে রামগরুড়
এর ছানা কে হাসতে বলল,
শৈশবসঙ্গী কবিতারা দলবেঁধে এলো
কবিকে এক বান্ডিল রঙিন ঘুড়িতে
দুরন্ত হাসি উপহার দিল,
যৌবন কবিতারা শৈশবাবস্থা থেকে
মেঘবালিকা সহস্র বর্ষা পার করে এক
আঁচল বৃষ্টিজল ভিজতে দিল বিদায়ী
কবিকে, দুক্ষের কবিতা বলল কবি
আমি তোমায় দিলাম অন্তহীন বয়ে
চলা এক উদাসী এলোকেশ নদী,
কবি ভাবছেন সুখে কবিতারা বুঝি
অভিমানী হয়ে আজ শেষ সময়ে থাকলো
না পাশে....তখনি ফাগুন রাঙানো পলাশরা
এলো দলে দলে বলল কবি তুমি কবিতায়
অবসর নিলেও বসন্ত আসবে ফিরে বার বার,
এই যেন কবির অবাক হওয়ার শেষ নেই...
একের পর এক স্মৃতিরা চোখের সামনে
দিয়ে ক্রমানুসারে কখনওবা এলোমেলো
আসা যাওয়া চলছে, সমুদ্রের বেলাভূমিতে
একা আর সামনে অজস্র ঢেউএর অনবরত
আছড়ে পড়া....
কবি চোখ নোনাপানি চুঁইছে আজ উথালপাতাল
হচ্ছে মনের দরজাজানালা, তবুও কবিকে
যেতে হবে সব আত্মজদের উত্তরসূরির
দায়িত্ব দিয়ে.....
আসা ছিল তাই যাওয়াটাও খুব জরুরী,

বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ, ২০১৬

মিশে যাই যন্ত্রণাকে ভালোবেসে -----


----------------------------------------------
সন্ধ্যা মেখে পাড়ি দেবো তারাদের দেশে
ভোরের বুকে আমাদের ওমে সূর্য
আগুন খুঁজে পাবে
চামড়ার আঁকিবুকিতে নতুন দেশের
মানচিত্র আঁকবো তোর বুকে আমি
আর আমার বুকে তুই, সময়ের খেলায়
ক্লান্ত হলে আমার বুকে ঝর্না জমা মিঠা জলে
ভালবাসার রুয়াবজা মিশিয়ে তৃষ্ণা মেটাস,
তারপর মোহোনায় মিলে যাব এক সমুদ্র
প্রেমের ঠিকানায় আলাদা করা কঠিন
হবে দু হৃদয়ের এক সত্ত্বাকে, হেরে যাবে
এই সভ্য পৃথিবী ছোট্ট একটা ঘন শব্দের কাছে,
এমন করে সময় কাটে বরাদ্দতায় পাওয়া
মুহুর্তদের, নূপুরের কোলাহলে অজস্র প্রশ্ন
তাই তুই আকাশ দেখিস উত্তরের খোঁজে,
আর আমি সেই মেঘ বালিকা আজ
বৃষ্টি হয়ে তোকে ভেজাচ্ছি অঝোর বর্ষনে,

মঙ্গলবার, ৮ মার্চ, ২০১৬

আধেক আলো --------------------------

-------------------------

বুকে চাবুকের দাগ আর হৃদয়ে
রক্তক্ষরণ এক চুম্বকীয় আকর্ষণ
যন্ত্রণার সাথে বেঁচে থাকার স্বাদ
জীভের স্বাদকোরক দের স্মৃতিভ্রম,
আর কাজল ছাড়া অন্ধকার চোখে
ডিপ্রেশন এর মুঠো মুঠো স্লিপিংপিল
শহরকে ঘুম পাড়াতে পারে না,
এক অসহায় সকাল ব্যস্তবাগীশ হয়ে
রাতজাগা চোখ কচলাতে কচলাতে
মুহুর্তে ছেড়ে যাওয়া গাড়িটার পেছনের
চাকায় এই গেলো গেলো..... নাহ এ যাত্রায়
বেঁচে গেলো, আচ্ছা বেঁচে যাওয়া  মানে কি
আর এক বার জীবন ডিটারজেন্ট পাউডারে
ধুয়ে মুছে এক ছাদ রোদে টান টান করে
শুকিয়ে নেয়া, এতে পুরোনো কাদামাটি
পচা পাঁক সব স্মৃতি ভুলে যায়
শহরটার পথ টা, নাকি নতুন এক পথ
পুরনোর বুক চিরে, সই কখনো ভেবেছিস
চাবুকের দাগে মানচিত্র কেমন দেশ
আঁকে.... আমি শহরের বুকে মিশে যাই
তোর ক্লান্তি মেখে,  যন্ত্রণার বেড়া
গাছ লাগিয়ে তোর জন্যে শান্তির রজনিগন্ধা
ফোটাই শহরের মিশে যাওয়া  বুকে, তোর
বেঁচে থাকার ছইয়ের নিচে আমার
আমিকে বার বার খুঁজতে চাই,

রবিবার, ৬ মার্চ, ২০১৬

কেমন হবে

------------------------
কেমন হবে যদি সময়ের ধুলি ঝড়ে
হারিয়ে যাই তোর থেকে আলোকবর্ষ
দূরে, বেশ থাকবি নিজের মধ্যে
একটা বোঝাপড়া করে নিয়ে, তুই বলবি
সময়ের ভগ্নাংশে বাঁচতে হয়,তাই দুপুরের
মুঠোফোনটা খুব আমার ক্লোজ কানের
কাছে ভেষে আসা গলাটা দিনটাকে আবীর
মাখা নেশাতুর করে দেয়.....এ শুধু আমার
বরাদ্দকৃত কিছু মুহুর্ত, তোর কাছে রাশি রাশি
পলাশেরা বসন্ত মেখে মন রাঙায়....,
কেমন হবে সুজন কোনো এক নিষ্ঠুর
ধুলিঝড়ে হারিয়ে যায় তোর সই এর
চোখ, শুকিয়ে যাওয়া নদীর ঘাটে তোর
নামের নৌকা থাকবে সময় পেলে ছুঁয়ে
দেখিস আমার ওম নৌকার পাটাতনে,
তোর বুকের মাঝে আমি সবসময় খুঁজি
একটা আশ্রয়...... পাইনা রে আমি যে
চিরদিন বরাদ্দতায়,
সত্যি যদি হারিয়ে ফেলিস আমায় কখনো
এই ভেবে তোর বুক কাঁপে কিনা
জানলে তোর মাঝে আমার অস্তিত্ব খুঁজে
পাই, তোর ক্যলকুলেটিং লাইফ সবটা জানা
তাই সাবধানী...... অথচ এক অসাবধানি
মুহুর্তে আমি তোর কিংবা তুই আমার
সবটুকু চুরি করেছি লুকোনো যন্ত্রণা থেকে,
যখন থাকবো না তোর ব্যস্তসমস্ত কাজের
ফাঁকেফাঁকে এক আলোকরশ্মি হয়ে তোর
অজস্র কবিতার খাতার দু এক পাতায়
রাখিস সুজন,

সভ্য হয়ে বাঁচা


সভ্য হয়ে বাঁচা মানে নিজেকে সুন্দর
খোলোসে বন্দি করা, জানি না
ফ্যকাসে দুপুরে রিংটোন ছুড়ে কিটিপার্টির
আয়োজন  বিষণ্ণতা ঢাকতে রঙিন চোখ
থেকে ঠোট কতটা পারে, পোড়া নিকোটিনের
ছাইয়ে ভালো থেক বলা সহজ নয় কারন
পাঁজর জ্বলে ধিক ধিক তুষের আগুনে,
আকাশের বুকে রাতজাগা সখ্যতা...
আমি আছি তোমার খুব কাছে কথার
ভিড়ে আড়াল হচ্ছি খোলসে লুকাইনি,
সভ্যতায় থেকে যায় ঘন লাল শক্ত
সমুদ্র সিঞ্চিতা প্রবালের অন্তস্তলে, অথচ  হৃদয়ে
এখন রক্ত আসা যাওয়া করে নিয়ম মেনে
সেও তো এক আটকা দেওয়ালের মাঝে
তাই তুমি আমি আর সভ্যতা আসলে
কেমন দেখতে জানি না, শিল্পীর
রংতুলির টানে নিত্য নতুন সাজে ক্যনভাস
সাজে যেমন সাজায় সামাজিক তাগিদ,

শনিবার, ৫ মার্চ, ২০১৬

অন্তর্বর্তী

দেয়ালে  সাথে টিকটিকির সমিকরন
সারা বছর মেলে না তবুও সভ্যতা
মেনে বেশ কিছু আশ্রয়ী টিকটিকির
দল, ছেড়ে যায়নি কখনো ফিরে না আসার
দলছুট ছিটকে যাওয়া মানচিত্রের টুকরোয়,
ভালোথাকার সাতকাহন জানা আছে
সদ্যজাত থেকে,
রঙ চটা কি প্লাস্টিক পেন্ট তোমার দেওয়াল
কিংবা ঘুনধরা যায় আসে না চারপায়ের
মখমলি থাবায় সিলিংটা বেশ আকাশপথ
আর দেওয়াল জুড়ে নেই যানজট
এক নিশ্চিত সোহাগি জীবন, ঘরের ভেতোর
ঘর তোমারটা আমার অলিখিত সাক্ষরিত
চুক্তিনামা, কোথাও কোনো অন্তর্বর্তী শুন্যতার
হিসেবে গড়মিল নেই,
আলোর নিচে নেই অন্ধকার শিকড়ের
জালবেছানো, শীতঘুম ভাঙলে একটা
চারদেওয়াল ছিঁড়ে ফেলে সময়ের অন্তর
দন্ধ, সিঁড়িভাঙ্গা অংক কষা শিখে নিয়েছে
ওই বুকে হেঁটেই, অনেক কিছুই রয়ে গেলো
তোমার বুকের আর কংক্রিট দেওয়ালের
নিবিড়তায় আর অন্তরবর্তি আকর্ষণ,

বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ, ২০১৬

শুনছি আমি


-----------------------
কিছুটা সময় চাইলাম মুহুর্ত জড়ো করতে,
সবজ কর্মযোগ সময়ের থেকে দুরন্ত
হলে তোমায় পাওয়া যাবে,
এভাবে সকাল থেকে এক ছুট ছুট্টে জীবন
গাড়ি ধরে কর্তব্যের স্টেশন তার পর
দিন কাল মাস পেরোয়  সময়ের পরিমাপ
ভুলে যাই , যান্ত্রিক গোলযোগ এর জন্য
এক মুহুর্ত একটা আর্জি দিতে গিয়ে
মুঠোফোন এর রিং টোন'ও আকাশ ও পলাশ
রাশি রাশি একটু সবুজে চোখ মুছিয়ে দে'
শেষ হয়ে যায় ,
এলোমেলো ত্রস্ত ব্যস্তসমস্ত  আটপৌরে
রোজনামচা,  আমি সময়ের বাইরে
'টাইম আপ' ঘড়ির কাটা বিদ্রুপ করে
কেজো মেসিন আর আমি দৌড়াই
খুশির ঘরকন্না পরিপাট্ট করতে,
হাসি হাপিয়ে কিসের এক তৃষ্ণা,  বেঁচে
থাকা তুমি নিশ্বাস ধার দাও আমার
দম বন্ধ হচ্ছে, তোমার সাধ একদিন
অন্তত আমি স্থির তোমার সত্ত্বার খুব
কাছেপিঠে, আমি একটু সময়ের কাছে
মুহুর্ত ধার নেব..... শুনছ সময় আমি
শুনছি টাইম আপ ঘন্টা বাজছে,

মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১৬

আমি ছুটছি

------------------------------------

দিনান্ত পাপক্ষয় জীবন্ ঘাম মাখা শরীর
আর কাঠ ফাটা গলায় তৃষ্ণা
রাস্তার ধারে শুখনো গাছটায় কাকটা জানান
দিচ্ছে আমার ভেতোরে ক্লোরোফিল আরোকিছু
বাকি,
সদ্য ফোটা ফুলের গায়ে রক্ত লেগে থাকে আজ
কাল, বুঝি সময় বদলে যাচ্ছে  দ্রুত গতিতে
ষ্টেশনএর পর ষ্টেশন  হুস করে পেরিয়ে যাচ্ছে
সময় বলছে আমার দাঁড়ানো কোনো কালেই
মানানসই ছিল না, আমি ছুটছি সকাল থেকে
রাত পর্যন্ত মিস করছি রোজ সময়ের গাড়ি,
হাপা ধরা বুকে এক আর্তনাদ ঘর বাধছে
তোমার ঘরে বসত করে কয় জনা মন
জান কি?
আমি কাঠ ফাটা রৌদ্রে সেই সম্বিতে আনা
কাকটাকে খুঁজি, খুব একা লাগে
হাপাতে গিয়ে ভয় পাই আমি কি মৃতুর খুব
কাছে, নাকে এক অদ্ভুত পোড়া গন্ধ
জানান দেয় আমার পাঁজর পুড়ছে
আকাশ মুখি ধোঁয়া এ জন্মের না পাওয়া
স্বপ্নগুলোকে ধাওয়া করছে,
একবার আকাশের সামিয়ানায় ইচ্ছের
নক্সাকাটা রেসমি মেঘ দেখেছিলাম,
পরজন্মের তৃষ্ণা জমেছে মিঠাপানির,
দিন শেষ হতে আর কতটা পথ
সেই মাইলস্টোন খুঁজছি আর খুঁজছি
কপালের ঘাম আর হোঁচটের রক্ত
মাখছি ছুটছি আমি ছুটছি এই রোকো
পৃথিবির গাড়িটা থামাও, আমার দেরী
হয়ে গেছে অনেক,