তোমাকে ছুঁয়ে থাকার বাহানায়
নিশ্বাসের সখ্যতা মেনে নিয়েছি
তোমাকে জানবার বাহানায় নিজেকে
বার বার অজানার দোড়গোড়ায় দাড়করিয়েছি,
জরুরি ছিল না এতো আলোর...... মৃতুর
সাথে সমঝোতা সাক্ষরিত ছিল,,
আমার ২০৬টা হাড় দিয়ে একটা বেঁচে থাকা
সময়এর অবয়ব রুপরেখা......!
আশ্চর্য হওয়ার পালা শুরু হয়েছিল
এক অজানা বিকেলের বিচ্ছুরণ রস্মির
মোহ থেকে,
নিয়মের বাইরে রাতের বুকেও জোতস্না
আলো ছড়ায়..... অথচ রাত সে অন্ধকার
আলোর সখ্যতার বিরুদ্ধে,
তোমাকে মাখার বাহানায় নিজে ঘন রাত
হয়ে ঘুমাই ইচ্ছা মৃতুর বুকে,
তুমি গাছের মত স্থির থাক আমি খড়কুটোর
আশ্রয় বানিয়ে নেবো, তোমার সবুজত্ত্ব
যতবার আমায় ছোঁয় আমি জিবিত
বুঝি। নদীগর্ভে চোরা পথে এখনো মিঠা
পানি জানান দেয় দিনান্তে এক আঁজলা
জল আর আমার বেঁচে থাকা,
তোমার সবটুকু বিচ্ছুরিত আলোয়
স্নান সারার বাহানায় নিজেকে আকন্ঠ
নিমজ্জিত করেছি সমের হাতে,
যন্ত্রণা ঘুমাক গভির ঘন কালের বুকে,
আর ছুঁয়ে থাকার বাহানায় মুহুর্তগুচ্ছের
মাঝে স্পর্শ জড়ো.....
এই আকাশ কেবলি খন্ডিত ভগ্নাংশ
সবুজ সংসারের জানালায়,,
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১৬
স্পর্শ ------------------
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন