বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২২

বাজিকর তোমায়

১)ক্যানভাসে দাঁড়ানো দুটো রং তারা সংখ্যা লিখতে চায় সময়ের বুকে একজন বাজিকর আর একজন হৃদয় ....,

২)গুঁড়ো গুঁড়ো ছলনা ভাসে হওয়ায়,  অক্ষরের জাগলিং শিখে নেয় স্বয়ং রক্ষায়, 
বাজিকর কবি-রত্ন হয়ে ঘোড়া দৌড়ে মাঠের পর মাঠ পরিক্রমন করে,

৩)একদিন ইঁদুর নিজের ধুনে চলতে চলতে বেড়ালের ডাকবাক্সে নিজের ঠিকানা রেখে আসে ,
ইঁদুর ভাবে বান্ধব আতর চরিত্র হনন করলেও করতে পারে !

৪)নিজের ফাটল আড়াল করতে বাজিকর শব্দের বুননে গিলি গিলি আক্কা ছড়িয়ে দেয় সভার শুরুতেই ।

৫)দূরে ক্যানভাসে দাঁড়িয়ে থাকা রং দুটো আসলে অগুনিত ভাঙা গড়া গুপ্ত হত্যার ধারাপাতের খসড়া, .........তুমি ভাবলে কেবল সংখ্যা মাত্র।


কেমোফ্লেজ

 পরিচয়গুলো  হওয়ায় অভিসন্ধি শুধুমাত্র ,,
এ শহরে সময়ের তালে তালে শিখে নিয়েছে সম্পর্কের কেমোফ্লেজ কিভাবে করে নিতে হয় প্রয়োজনে।
 দেওয়া নেওয়ার অন্তমিলে  কেবল শব্দের গুপ্ত করাত সাজানো।

হাসির ভেতরে এ এক অন্য অভিসন্ধির স্তোত্রপাঠ, স্তুতির আড়ালে যেনো ঘাতকের মুখ বিজ্ঞাপনে লুকোনোর চেষ্টা।
 মোহঅন্ধ স্বজন নিজের উঠোনেই বাঘবন্ধী খেলায় কখন যেনো গুম হয়ে যায়, ,
  আগুন  নিবিড়তায় কেবল পুড়ে যায় কিছু কাহিনী অথচ .......যে জন নিশানা মুছে ফেলতে চিতায় আগুন দিয়েছিলো ... শহর জুড়ে সেজন বিলিয়ে বেড়ায়  হারানো নিষিদ্ধলিপি ।


শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২২

মাটির ওপর(২)

মাটির ওপর(2)
*********

চক্রের মত ঘুরছে মহাকাল , জমির স্বভাব পাল্টাচ্ছে  সিঁদুরে  ধুলোর মত ছড়িয়ে আছে সবুজের সাথে ,খয়েরি , লাল, নীল,  সুক্ষ গুড়ো গুঁড়ো সময়,

আমি মেঝেতে নিস্পন্দ শরীরটা বিছিয়ে  তার রঙ দেখছি অদ্ভুত বিস্ময়ে ,

মাঝে মাঝে সেই রঙের ওপর ছায়া পড়ে ... মানুষ নামে কারা যেন  অন্যমনস্ক হয়ে পা ফেলে চলে যাচ্ছে পথ ভেবে, 

আমি তার সধবা বিধবা  দুই রুপকেই এক সাথে চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি যেনো অর্ধনারীশ্বর ,,

টিনের চালের ওপর  যে শিশির বিন্দু গুলো একা একা অধিবাস সেরে নিচ্ছে , কথা ছিল ওদের সাথে আমারাও মুখোমুখি বসবো  নিয়মিত ... 

অথচ দেখ আমরা আজ অচল নৌকায় বসে সমস্ত পাটাতন খুলে ফেলেছি,

 দায়িত্বের সাথে  বার বার ছিঁড়ে কুঁড়ে নিজেদের সমস্ত বুননকে  নষ্ট করে উপহাসের থালায় সাজিয়েছি...।

কে বলতে পারে কতটা ক্ষতি না অথবা কতটা লাভের ঘরে এক দোক্কা গুঁটি এগিয়ে গেলো !!

 দেখো ......দেখো .....হঠাৎ কেমন মঞ্চের পুতুলগুলো জেগে উঠে হাসতে হাসতে আমাদের সুতোয় বেঁধে নাটকের শেষ অংকে দাঁড় করিয়ে মনস্কাম পূরণে স্বার্থক ওরা ।

 আসলে আঁকড়ে থাকা শেকড়ে ঝুরঝুরে মাঠি একলা কখনো কথা রাখতে পারে না  কোনোমতেই।

বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২

সময় আর আয়না

"সময়ের ষড়যন্ত্র আমরা বন্দী কেউ হাসে কেউ চোখ মুছে পথ তৈরি করে নতুন ভাবে ....আমরা মানুষ বার বার ঠকে গিয়েও বিশ্বাস করি কিছু শব্দের ম্যাজিশিয়ান দের ...এতটাই বিশ্বাস করি যে ঐ শো চলা মুহূর্ত কে সত্যি মেনে নিই ..অথচ জীবন তো অন্য মলাটে রাখা কোনো উপন্যাস"


কেবল ষড়যন্ত্রের শিকার আজ  সময়ের কাছে ...
অথচ দলের মীরজাফর কে কেউ দেখতে পেলো না , আসলে সময়ের ধুলো জমা চশমায় স্বচ্ছতা বলে কিছু হয় না ।
বন্ধুর বেশে দাঁড়িয়ে থাকা সময়ের মুখ থেকে মুখোশ খুলে দেখতে চাইলে না  কেউ ..
কত সহজে বদলে যায় সময়ের নিরিখ ...আবার কত সহজে সময় চোখের সামনে একটা আয়না ধরে নতুন করে নিজেকে নবিশ  হিসেবে আবিস্কার করে ।
কে জানতো সময়ের দরজার পেছনে গোপন সোপান সংবাদ লুকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে !
কে জানতো বিশ্বাস শব্দটা কেবল ঘুন ধরা কাঠামোয় এত গুলো দিন দাঁড়িয়ে ছিল !
কেই বা বলতে পারত হাতের রেখা কখনও মিথ্যে হয় না ,
কিছু কথা কখনো মিথ্যে হয় না .....
যেমন তোমার কপালের ভাঁজে আমার একখানা ঠিকানা  গুঁজে রাখা  মিথ্যে নয় ,,
তোমার হাতের রেখার আমার গুপ্ত হত্যা মিথ্যে নয়।

কিছু কথা কখনো সত্যি হয় না ...অথচ অবিকল  সত্যির  মত দেখতে হয় ,, আসলে ক্ষনিকের আলোর দ্যুতি বড় উজ্জ্বল , তার ছটায় চোখ ধাঁধিয়ে যায় ....অন্ধ হতে হয় ,, তবু সে সত্যি নয় সে
চিরন্তন নয় ।
হয়তো আমরা কেউ চিরন্তন নয় ...তবু কিছু সম্পর্ক সময়ের বুকে একটা শক্তপোক্ত খুঁটি গেড়ে রাখে .... ঝড় আসে ....আসে বারংবার মুখোশের আড়ালে হাজারো মীরজাফর  , ষড়যন্ত্র নাড়িয়ে দিয়ে যায় শক্ত খুঁটিটাকে তবু পারে কই উপড়ে ফেলতে .........................
 মিথ্যের সমষ্টির নীচে সত্যি চুপ করে বেঁচে থাকে ....অপেক্ষা করে সকালের প্রথম আলোর

মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২২

সই(৫৭)

যেভাবে রোদ্দুর মরে সন্ধ্যার কিনারায় .....
যেভাবে রাত মরে সকালের দুয়ারে ....
সেভাবে  রোজ আমিও মরে যাই  নতুন কোনো গল্পের ভূমিকার চৌকাঠে .....,,
আমার জন্ম মৃত্যু রোজ লেখা হয় শহরের উপাখ্যানে ,,
...........সই

সই(৫৬)

হৃদয় !!  এই হৃদয় নামক বস্তুটির নাকি আবার মান সম্মান !!
যে হৃদয় কিনা আজ একজন কাল, আর একজন, ...পরশু আরো একজন ....তারপর আরো ....আরো অগুনিত শরীর কে নিয়ে ব্যাস্ত সেই হৃদয় যদি নাইবা থাকে তাতে এ পৃথিবীতে তেমন কোনই ক্ষতির সম্ভাবনা হয় না বরং এই পৃথিবী সুস্থ থাকে ,
.........সই

সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২

স্রেফ নিজের নিলামী দেখছি

আমার শরীরে কোথায় তিল আছে , আমি ঠিক উপহারে কি কি দিয়েছিলাম ,কিংবা শহরের কোন রাস্তায় কোথায় কখন দেখা করেছি  আমার সো কল বিশ্বাসী প্রেমিক এর সাথে , 
মাইলস্টোন পেরিয়ে কি ভাবে ভালোবাসার প্রতি নিষ্ঠা রেখেছি দিনের পর দিন,
আরো খুঁটিনাটি যা কিছু আমাদের ছাড়া এই গ্রহে কোনো প্রাণীর জানার কথাই নয় যাকিছু মুহূর্তের সাক্ষী কেবল এক চালাক আর এক হদ্দ বোকার মধ্যে ঘটেছিল দিন মাস কাল বছর মিলে .....,
কতই না সহজ মূল্যে আপাদমস্তক বাজারে উলংগ করে নিলাম করা হয়েছে ,
অথচ একজন ক্রমাগত বিশ্বাস করে গেছে আর একজন প্রথম দিন থেকে কেবল বিশ্বাস ঘাতক এর খেলা খেলে গেছে ।
আজ যখন  ভালোবাসার উপহার গুলো আমাকে সোনাগাছি আখ্যান দেয় , যখন আমার গোপন যত্নের ভালোবাসা মুহূর্তর পেনড্রাইভ , বাজারে অচেনা রা নিয়ে যেমন ইচ্ছা রেসিপি বানিয়ে বিকৃত স্বাদ নিচ্ছে , 
আমি  তখন হাসছি কেবল হাসছি  ,,,

আসলে আমি কখনো সামনে কাউকে আঙ্গুল তুলে দোষ দিতে শিখিনি , তাই নিজেই নিজের বোকা বনে যাওয়া গল্পে হাততালি দিই  ,, 
আর সময়কে বিশ্বাস করি চিরকাল , 
অপেক্ষা অনেক উত্তর দেয় .....ভাবতে শুধুমাত্র অবাক লাগে আমি কি করে "'বোকা-চোদা'" সাজলাম  !!! এই সেদিনও।
একটা অভিনয় ধরে ফেলতে এতো গুলো ক্যালেন্ডারের তারিখ ,বছর স্রেফ নষ্ট করে ফেললাম ,
হায়রে শতাব্দীর ভালোবাসা নামক আশ্রয় 
স্রেফ একটা গালাগালি হয়ে গেঁথে রইলো বিশ্বাসের সংসারে ।

সই(৫৫)

শহরের প্রতিটা রাস্তায় এক দিন বুক ভর্তি "তোমাকে চাই" বিজ্ঞাপন নিয়ে ঘুরে বেড়াতো যে , তার বুক জুড়ে  এখন সে বিজ্ঞাপন  শুধুমাত্র নিষিদ্ধ বিলবোর্ড  মাত্র........সেখানে চরম ঘৃনা আর থুতুকার ...ছি:  ।
    ........সই

'A boomerang returns to the person who throws"

যতই পাপ ঢাকার চেষ্টা করো হে মান্যবর
গন্ধ ছড়ানো শুরু হয়ে গেছে .....
সময়ের শমন ওই যে তাসের ঘর সাজিয়েছো
দুর্গন্ধের  বাতাস এরকম পঞ্চাশ কেনো একশোর  বেশি ঘর নিমেষে ছারখার করে তোমায় নপুংশ করে দেবে...
এযাবৎ ভেবেছো সারা পৃথিবীকে তুমি নাচাচ্ছ ....
এবার তুমি নাচবে আর সময় হাততালি দেবে 
.......হে মান্যবর দেখো তো ঠিক  কতগুলো দরজা জানালা তুমি বন্ধ করতে পারো  যা কিনা ওই পাপ ছড়ানো দুর্গন্ধ তোমায় আর তোমার মিথ্যে বাহাদুরি কে  ল্যাংটো করতে পারা থেকে দূরে থাকতে পারো? ,, 
"মন" কে  ল্যাংটো করেছো তোমার পৃথিবীতে  এবার  ওই তোমার নামক পৃথিবীতে  তোমারই ল্যাংটো হওয়ার সময় এসেছে বোধ হয়।
 " The boomerang returns to the person who throws"

রবিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২২

ঘুটে পুড়বে গোবর হাসবে ....আবার ..

পালুই এর ফাঁকে গুঁজে রাখা অজস্র তুলোর শরীর গুলো হাঁটু মুড়ে  মাথা নিচু করে থাকে।
সত্যি সত্যি  আকাশ মিথ্যে  হয়ে যায় পিঁপড়েদের শীত ঘুম এলে ,
সিন্ধু যুগের অসংখ্য ক্যানভাসে তোমার ন্যুড তেল রং ছবি , 
যারা কখনো প্রেমিকার বুক ছুঁয়ে একটিও মিথ্যে বলতে পারেনি ,
একটা নিঃশব্দের মিহি আওয়াজ ভারী কিছুর মত ধাক্কা মারে ঘাড়ের কাছে , 
যেদিন যন্ত্রণার পাশে একটা বিকেল এসে বসে আমার কাছ ঘেঁষে মনে হয়....
পূর্বপুরুষ এর পাপ আগলে  বেড়াচ্ছি যক্ষের মত ,,

হাতের তালুতে দাগ মুছে মিহি শব্দটাকে বদলাতে চাই ,। 
যতদূর সম্ভব দৌড়ে যাই পূর্ব পশ্চিম বাস্তু মেনে ,

 তবুও আকাশটা মিথ্যে হয়ে যায় একদিন তারপর মিহি শব্দটা তীব্র ঝটকায়   ধাক্কা মারে বুকের বাঁ দিকে ঘেঁষে। 
মনে হয় শরীরের শিরায় শিরায় ছড়িয়ে পড়ছে বাবলার কাঁটার শেষ শর শয্যা ।

তারই  হাতের রেখায় আমার হত্যা লেখা ছিল সে একমাত্র আমিই জানতাম ।
শহর যাকে প্রেমিক বলে চিনতো তাকে আমিই একমাত্র হত্যা করি বলে জেনেও নিজেকে সমর্পণ করে ছিলাম , প্রশ্রয় দিয়েছি বলেই হৃদয় ক্ষত বিক্ষত করার সাহস পেয়েছে ....
দিন বদলাবে সময় উত্তর চাইবে .....সেদিন এই নিষ্ট প্রেম কে চোখের রক্ত ধারার বিনিময় আফসোস আর উত্তর দুটোই আয়না ফেরৎ দেবে ,
 সময় কে ঈশ্বর রূপে বিশ্বাস করি কাল তোমার দিন ছিলো একদিন আমার দিন আসবে পৃথিবীর সমস্ত প্রেমিকার দিন আসবে .... 

শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০২২

সই(৫৪)

একটা মৃত্যু ঘটলো ...আর একটা জন্ম কে মৃত্যু দিতে হবে .... এভাবেই রোজ ঈশ্বরের ভূমিকায়
দিন শেষ হয় ...শেষ হয় রাত ....।
          ..........সই

সই(৫৩)

এই দুঃখটাই আসলে আমার চাই  ....এটাই আমার নিজস্ব  সম্পদ  যা দিয়ে আমার শব্দের  নকশী বুননে অগুনিত সুক্ষ কাটের হীরে একত্রিত করতে পারি  এক সামিয়ানায় ,
.......আজীবন এই দুঃখ টুকু জড়িয়ে বেঁচে থাকতে চাই পরম সুখে,

........#সই

শব্দেরা বড্ড চিৎকার করছে

এই দুনিয়ায় শব্দ গুলো বড্ড চিৎকার করছে 
কানে লাগছে মনে হচ্ছে আমি নতুন গ্রহে এসে দাঁড়িয়ে আছি , 
ইচ্ছে গুলোর অর্থ কি লোভ ? আমি অনেক দিন অফিস যাই না , আমি কোনো বন্ধুদের সাথে কথা বলিনা , আমি বাজার যাই না , জামা কিংবা বই কিনি না , 
আমি কবিতার আসর কিংবা বই মেলা যাই না ।
এই তিনতলার  ঘরটা  ছাড়া বাকি সমস্ত পৃথিবীর সাথে আমাকে আমি মেলাতে পারি না ....আজকাল এই পৃথিবীর সমস্ত শব্দগুলোয় আমি সাংঘাতিক বিরক্ত হই ..... নিঃশব্দের অহংকারের ডুবে যেতে যেতে আমি মগ্ন হতে থাকছি ,
এই মহাশূন্যে পৃথিবী ভেসে বেড়াচ্ছে কিভাবে ভাবতে ভাবতে রোজ রোজ আমি  এই শব্দ দের থেকে দূর থেকে দূরে চলে যাই।
এই দুনিয়ায় শব্দগুলো বড্ড চিৎকার করছে ...কানে লাগছে মনে হচ্ছে আমি অন্য গ্রহে এসে দাঁড়িয়েছি......!!

নষ্ট গৃহ (ক)

আলাদা আলাদা গৃহকোনে মাল্টিপ্লাই সংখ্যায় জন্ম নিচ্ছে ঘাতক ষড়যন্ত্র , সেসব কিছু আড়াল করে রাখছে মিথ্যে সলমাচুমকির হাসি দিয়ে ,
শব্দের বলি  পড়ে  যত্নের আট বছরের সন্তান এর হাসিখুশি শৈশবের দিনগুলো ....বাবার ঘন ঘন পরকীয়া জাগে ,
মা কাঁদে দিনের বুকে মুখ লুকিয়ে , হেঁসেলের খালি কৌটোতে লুকিয়ে রাখে কান্না আর দীর্ঘশ্বাস ,
  আট বছরের ছেলেটা দাঁড়িয়ে নিয়তির তরোয়ালের ঠিক নীচে ,
বাবার হাতে রেখায় সন্তান এর মৃত শব ......মা মুক্তি খুঁজতে খুঁজতে ডালে ভাতে পুজোর নতুন জামাকাপড় আগলে ভালোবাসার ঘরে বারংবার খসে পড়া পলেস্তারা লেপে যায় ,.........তবু পাখি উড়ে যাবেই ,, বাবা আর মা এর থেকেও হয়তো কারো কারো কাছে নিজের ভেতরে "ট্রোল" টাকে 
বেশি প্রয়োজন মেনে নেয়।

ছেলেটা বাবা আর মা দুজনকে আঁকড়ে ঘুমের  ঘোরে  কেঁদে ওঠে বলে "I WANT MY BOTH PARENT" ,
অন্য শহরে কেউ একজন ভবিতব্য দেখে শিউরে ওঠে ....
এমন জন্ম কেনো আসে এ পৃথিবীতে ....মা আর বাবা নামক সামাজিক যাঁতাকলে পেশাই হয়ে শুধুমাত্র যন্ত্রনা হয়েই বেড়ে ওঠে ...

....(উৎসর্গ শৈশব)  ধারাবাহিকটি প্রকাশিত হলো "রেডিও অবহ" লাইভে , 

ফরমাননামা

কোনো একদিন শব্দ কিংবা বর্ন তে আমিই শ্রেষ্ঠ প্রেমিকা ছিলাম,
আজকাল কলম সে বোধের ফল স্বরূপ কেবল ঘৃনা প্রসব করে কিনা জানি না ,
......শুধু জানি একটা  অস্ফুট চিৎকার  আমাকে দিন রাত ভোর ফালাফালা করে ,
 যন্ত্রণা-আরো যন্ত্রনা পেতে ইচ্ছে করে নিজেকে দহন করার জন্যে ,
সময়ের কান্না আমায় রোজ স্নান করিয়ে দিয়ে যায় যে শহরের আকাশ ,

শব্দের বুননে  রোজ লি‌খে রা‌খি অসম্ভব  ঘেন্না,,

ক্ষয়ে যাওয়া  স্বর‌লি‌পি যেনো সুর তাল লয় আমার প্রিয় গীটারের তারে লাঞ্ছনা মুছে দিচ্ছে শেষবারের মত।
মুহুর্মুহু উঁকি দিতে থাকে পুরোনো কালো স্রোতের রেখে যাওয়া ঘ্রাণ।

ভালোবাসার নাম ক‌রে প্রেম ফে‌রি করতো যারা  তাঁদের প্রশ্রয় দিয়েছে একদিন এই সাদামাটা মন,
আজ  তাই স্রেফ ইচ্ছা মৃত্যু লিখে রাখার দিন কিছু ক্ষিদের, কিছু ছাতি ফাটা গনগনে দুপুরের তৃষ্ণাও   লেখা থাকুক এই নিজস্ব ফরমানের বয়ামে।
...রোদ লাগুক ,শুকিয়ে যাক সমস্ত নির্যাস, জানি দাগ টুকু তুমি চিতা পর্যন্ত কথা রাখবেই ...চাই বা না চাই।


 আমি কোনোদিনই  কবিদের মত মনোহরা ক‌বিতা লিখ‌তে পা‌রিনি ,কিংবা বিকোতে পারিনি কবিতার ভেতর নিজের চরিত্র 
তবু ক‌বিতায় বাঁ‌চি রোজ  হয়তোবা ক‌বিতায় ম‌রিও রোজ  ......তবু বিকোতে পারি না এই বাজারে কবিতার নামে নিজেকে ।
বদলে ফেলতে পারলে হয়তো ওদের মত ঈশ্বর হয়ে উঠতে পারতাম এ গ্রহে।

বুধবার, ৬ এপ্রিল, ২০২২

সই(৫২)

অপেক্ষার প্রহরে চুপিসারে ভালোবাসাও  ঘাতক হয়ে এসে ভরসা আর বিশ্বাস কে ক্ষত বিক্ষত করতেই পারে ,

....সময় ঢেলে সে ঘা শুকোতে গিয়ে .....শিখে নিতে হয়  কিভাবে হৃদয় .....মন খুলে রেখে  ভালোবাসার গল্পে পথ হাঁটতে হয় ..
    ........সই

বিষ প্রহর


আকণ্ঠ পান ক‌রেছিলাম  তুমি ময় সমস্ত নীল বিষ
 অমৃতর মতই ভালোবাসায়,,,
তু‌মি মন ছুঁলে শরীর ঘাটলে ....মনে হল হয়তো সত্যি চটি জামা খুলে শুধুমাত্র তুমিটুকু আমাতে মেশালে ,
পুরোনো অভ্যাস সবাই বদলাতে পারে না বলেই
ছুঁয়ে দেখা প্রহরে   বিষ ঢাললো সময়,

পাঁজরে   আগুন  ফুঁসে ওঠে ক্যান্সার এর মত তীব্র দহনে।
 ফেলে আসা সময়ে ডু‌বে  শি‌খে নিতে হল নিজেকে কিভাবে ঘৃণা করতে হয় নিজের একান্ত অহংকারে পাপ লেপে দিয়ে ।
 কলহহীন দাম্পত্য আমরা শব্দটার শব্দহীন বিচ্ছেদ কেউ দেখতে পায়নি যেদিন .....সেদিও আমি টের পেয়েছি শক্তিসেলের শব্দহীন আঘাত।
 নি‌ষিদ্ধ এখন আসা যাওয়ার হওয়াদেরও ,

তৃষ্ণায়  বু‌কে- আমি আরো কিছুটা চৈত্রের সর্বনেশে দুপুর ঢেলে দিতে চাই ,দিতে চাই আরো নোনা ঘ্রাণ,

সব যন্ত্রনা  ডু‌বে যাক ওই চেনা সূর্যাস্তের সাথে
আমার পূর্ণ  মুছে গেছে  ছলনার আলোতে বহু আগেই  ,


তুমুল শিৎকা‌রে টে‌নে আমি কোনো তসলিমা হতে পরিনি...... প্রচণ্ড সর্বনা‌শে মুহূর্তের দৃশ্যের সাক্ষী হয়েও।
 হা‌তের মু‌ঠোয়  আয়‌ুফল  বাবদ অবিশ্বাস ভরা একটা শেষযাত্রার মুচিনাম  আর আফসোস ,
যে ভুল ভ্রমে এতটা সময় ক্যালেন্ডার এর পাতা থেকে কি অনায়াসে নষ্ট করে ফেলেছি ....অথচ জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান যে শুধুমাত্র "সময়" শব্দটাই।

রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২

সই(৫১)

অনেক সময় যুদ্ধটা সারা দুনিয়ার সাথে আর থাকে না ....যুদ্ধটা নিজের সাথেই শুরু করতে হয় , নিজেকে মারতে হয় ,....মরতেও হয় ,
হারতেও হয় আর হারাতেও হয় ,  
আর সেই যুদ্ধটার জন্যে নিজেকে শুভকামনা জানাতেও হয়,.... ধিক্কার  জানাতেও হয় ....
..........#সই

শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২

সই(৫০)

মেয়েটার আজও অভাবের ঘর অনটন তার হেঁসেল এর কৌটো  একই রকম খালি.....,
অথচ ছেলেটার জন্যে আর সে মেয়েটার কান্না পায় না এখন  .....,
উত্তরণ নাকি হৃদয় খুলে রেখে রাস্তা হাঁটতে শেখা ,
হয়তো এবার সত্যি মুখ ফিরিয়ে নেয়ার বেলা ....
আর কোনোদিন এপথ ... ওপথের দিকে বাঁক নেবে না ,
..........সই

শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২

সই(৪৯)

বুক পকেটে রাখা যত্নের স্মৃতি রা কখন যেন পাশ কাটিয়ে ব্যাক পকেটে আর তারপর ....কোনো এক দিন অপ্রয়োজনীয় কাগুজে হয়ে আবর্জনার গাড়িতে হারিয়ে যায় ....
#সই(৪৯)

সই(৪৮)

এ শহরে খুব বৃষ্টি নামে যখন তখন ....ভিড়ে প্রতিটা মন একলা ভেজে যখন তখন  ....বাকি সব তো ভালো  ।
যে স্বপ্নগুলো দেখলে ভালো লাগে,  সে স্বপ্ন গুলোই
প্রতিদিন আমার জানলায় একটা নতুন ভোর আনে,
স্বপ্নের বাইরে প্রিয় দৃশ্যগুলো কখনো ছুঁয়ে দেখতে নেই .......ভাঙা কাঁচের টুকরোর ক্ষত মন মেনে নাও নিতে পারে ।

....সই

সই(৪৭)

একদিন তুমি জুড়ে থাকা প্রহর আমার স্নায়ুকে শান্ত রাখতো .......
একদিন তুমিবিহীন প্রহরগুলো আমার স্নায়ুকে শান্ত রাখতো ......
মাঝ খানে শুধুমাত্র স্বচ্ছতার পালাবদল হয়েছে মাত্র...
এখন  প্রচ্ছদে লেখা গল্প গুলোর দিকে ফিরে তাকালেই  .....মনে হয় ছেলেমানুষি মনটা সত্যি প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছে ,
......#সই