মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৬

ও চাঁদ

------------------------
নদীর জলে তোমার মুখ কাঁটা তারের
এপারেও স্পষ্ট ,,  কাঁধে সময়ের
ফরমান, তোমার সময় বার বার ফিরে
আসে, স্তব্ধতা ..কোন যুদ্ধর দোড়গোড়ায়
শেষ  শান্তিটুকু চোখে সেঁধিয়ে তোমার অস্তিত্ব
মনে রাখে,,  নদীর বুকে ভর করে তুমি কাঁটাতার
পেরিয়ে রক্তধারায় মিশে গেছ চাঁদ, তোমার
বয়ে চলার খুব কাছ ঘেঁষে কান্নারা যুগ যুগান্তর
বয়ে গেছে, আর সময়ের উষ্ণতায় শুখিয়েছে
বারংবার, চাঁদ তুমি তখন কোন এক বারান্দায়
রবিঠাকুর এর গানের লিরিকে আবেশিত,,
তুমি দেখনি অন্য কোনো চারদেওয়ালের
ভেতোর অমনিশা কতোটা গাঢ়.....
তবুও জীবন ভালোবাসে আলো,
যে মেয়েটা রোজ রাতে বাড়ি ফেরে
শরীরে রক্তক্ষরণ নিয়ে তার মুখে
তোমার আলোর কলঙ্ক বেশি কি কম
বোঝা যায়,  জানা নেই, তবু সে তোমার আলোয়
পবিত্র হতে চায় ভোর রাতে,,
এমনি বেজন্মা ছেলেটা রোজ রাতে তোমায়
সাক্ষি রেখে জন্মটাকে নষ্ট করে আজন্মতক,,
আর তুমি একের পর এক কাঁটা তারের বাঁধ
পেরিয়ে সময়ের বুক চিরে এগিয়ে চলেছ,,
এতো কিছু বোঝ বলে হয়তো বা তুমিও
পক্ষকাল কাঁদো ঘন কালো আঁচলে মুখ
ঢেকে, আর শত আলোর মাঝেও তোমার কলঙ্ক
ভীষণ স্পষ্ট

মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৬

অফুরান কিছু কথা

--------------------------------
ধু ধু প্রান্তরের মাঝে স্মৃতিরর হাতে
হাত রেখে অবিন্যস্ত ভাবনার দোলাচল,
মুঠোফোন এর স্ক্রিনটা বার বার চোখ টানে
আজকাল... এক পুরোনো অভ্যেস
সময়কে লোভ দেখায়,
হিসেবি সামাজিক জীব হয়ে বেঁচে থাকা রোজ,,
প্রচন্ড ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ে...... শীতল
শরীর জুড়ে ঠান্ডা খুব ঠাণ্ডা নদী
ধীর গতিতে ভালোবাসার শহর হেঁটে দেখে,
খুঁজে ফেরে কোন এক অভিমানী সকাল
সন্ধ্যে কখনো রাত চাদরে মাখা কিছু না
বলা গল্প,,
যাপন যখন জীবন ছাপিয়ে তখন
হিসেবি সুখের আনাগোনা অভ্যেস হয়ে দাঁড়ায়।।
রুপকথার শুকশারি রোজ আর আসে না
ঘুমের উঠোনে, সময় পেরিয়ে নতুন
সূর্য দূর শহরে ভালোবাসার ঘরের জানালায়
হলুদ খামে শুভেচ্ছা পাঠায়.....
ভালোথাকা সম্পুর্নতা পেয়ে গেছে খবরে শোনা
যায়,
চলন্তিকার পথ এগিয়ে যায়  ফুরিয়ে যাওয়া
অন্ধকারের শেষ সীমান্তে।।
ভালো থেক সেই সব মুহুর্তরা যারা
বেসুরে বাজা তারটাকে সুরে বাজতে
শিখিয়েছ  একদিন।।

সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৬

মধুরেণসমাপয়েৎ

--------
অনেক কিছু জমিয়ে ফেলেছি
তোমার সঙগে যে পথ হেটেছি,
মনের অলিগলি তে নানান গল্পের
খুনসুটিদের ভিড়, তোমার আমার
হাসিতে তুবড়ি ঝরা আলোর খোঁজ,
আর আমি তোমার দু হাতের মাঝে
এক রাজকন্যার প্রতিফলিত রুপ,
আমার আমিকে তোমার চোখে চিনতে
পারা, হয়তো বা অস্তিত্বর নিশ্বাস নিতে
পারা,
আমি শত বসন্তের পলাশরং হয়ে বেঁচে
থাকবো কয়েকশো জীবন,
পেরেছি অনেক না পারাকে তোমার মতো
করে হিসেবি হতে শেখাতে,
আজকাল দুক্ষদের বলি আমাকে
ঘুড়ি করে ওড়াস না বীষ তোর আঙুল
বেয়ে রক্তে মিশে যাবে,
কোনো এক ধু ধু প্রান্তরে আমি একাই আজ
উৎসব হয়ে কাশফুল কিংবা শুউলি হয়ে
ফুটি,,
ভালোবাসলে সবসময় আকাশ হতে নেই
তাতে অহংকারী হতে হয়........ কখনো
তুমি বলেছিলে আজ আমি ভালোবেসে
গাছ হয়েছি আর তোমার দেওয়া মাটিকে
আষ্টেপৃষ্ঠে আঁকড়েছি,, আমার শাখায়
চিরবসন্তের ফুল ফলের আনাগোনা,
তোমাকে দেওয়া জীয়ন মন্ত্রে আমি
আমারই মতো ভালো থাকি,
পথ চলি কোন এক মধুরেণসমাপয়েৎ এর
শেষ দিকে।