শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

বিশ্রুতের পথে উৎসর্গ

বিশ্রুত পথের কাছে আমারও কিছু চাওয়ার আছে একদিন তোমার স্পর্শ গান্ধর্ব মতে গ্রহণ করেছি আমি।  যে  ভাঙা দরজায় টোকা দিলেই খুলে যেতও আলিবাবার রত্নভাণ্ডার। ভূমিকম্প র অনুরণনে আমাদের ছুঁয়ে থাকা ঠোঁটও কেঁপে উঠত। যে নিকোটিনএর ধোঁয়া নিজের দিকে উড়িয়ে  নিয়ে বলতাম  তোমার সুগন্ধ মাখছি। তারপর  প্রায় শেষ হওয়া জ্বলন্ত সিগারেট মুখে 
নিয়ে এক আগুনে পারতাম আমরা ,। বাতাসের ছায়া সেখানে পড়ে না... আলো ও অন্ধকার সেখানে  কাটাকুটি খেলে... শ্রাবণের ভিজে হাওয়া খেলে বেড়ানো সেই দক্ষিণ কোণে কীটের পাখায় ঢেকে দিয়েছে বুকের ভেতর মুখ গুঁজে রাখা ঘুমের চৌকাঠ।

.....নকশা এঁকে মুছে দেওয়ার মতো টুকরো টুকরো ছবিগুলো একদিন হারিয়ে যাবে হয়তো... । পাহাড়ি ঝর্ণায় চুল ভিজিয়ে বাদামি বিকেল লিখবে ভিন রাজ্যের কোনো মেঘ। মাঝরাতে ঝড় উঠবে ফালা ফালা অন্ধকারে। তখন আবার লাল ঝুঁটির হাওয়া-মোরগ দু-টুকরো পাথরে রথের চাকা ঘসে দেবে স্থানীয় বিশ্বাসে। আমাদের নিঃশ্বাসের জন্য যে ঘর কাটা ছিল, সে  কাটা দাগের পাশে ট্রামলাইন আঁকা ছিল... আর একটা কালো ঘোড়া। ও বলেছিল... ট্রামের ধাক্কায় ঘোড়াটা মারা গেছে...আসলে
আমাদের সঙ্গমে কোনো প্রত্যয় এর জন্ম হয়নি কোনো দিন ,

উৎসর্গ :  আমাদের সহবাসে যে প্রত্যয় বসবাস করেছিল দীর্ঘদিন, বেগুনি পলেস্তারা মোড়া দেওয়ালে তার ছবি এঁকে রেখেছিলাম আমি... দীর্ঘ প্রান্তর পায়ে হেঁটে... ডোরাকাটা তাপিকজন্মে। এই লেখাটি শুধু তার জন্য।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন