আমি চিৎকার করেছি যত বার সমাজ কোনো ক্ষতর ওপর চোখ রাখেনি ... কিছুই হবে না ভেবে যারা ফিরে গেছে অনাত্মীয় হয়ে তাদের একদিন আত্মীয় করেছি ঘর কন্না বাজি রেখে... যখন চোখের রক্ত আতশবাজির রাতে ছিটকে এ সমাজ দূরে সরে যায় নদী প্রবাহের মত ,
তুমিও অপরাধবোধে শার্সিজানালার কুয়াশা সরিয়ে দেখেছো ... তোমার ঠিকানা ডাকবাক্সে রয়ে গেছে চেনা আলস্যে হাজারো জরুরী কারণগুলো । মধুবন্তী রাগ... একটা মানুষের ভিতরমহল কতটা নিঃস্ব করে ... প্রিয় সঙ্গও বোঝে না যখন, ভাসমান পানা পচা অবিশ্বাস ও কাচলব্ধ মৃত্যু বেবহে থাকার মাঝে বাসা বাঁধে । মন ভালো এক অদ্ভুত অসুখ ... । গুমঘরের ভাঙা চেয়ারটায় বসে আজও... বিন্দু বিন্দু শূন্যতাবোধে অ্যালজাইমার্স কিশোর দের যৌনতা উপভোগ করছি, অনেক রাতে দৃশ্য শেষ হলে আংজাইটি পিল খেয়ে মাথার শব্দ চলাচল থামাই ....
শববাহী যান অপেক্ষা করে একতারা ও চৌকো মুখশ্রীর ভেতর আমি দেহ ছেড়ে উঠে দেখি আমার আসবাবপত্রর মায়া কাটাতে আরো কিছু দিন ওই শব হীন যানটাকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন