পায়ের শব্দ যেখানে শেষ আমি মাটি খুঁজি একটা ঘর বানানোর জন্য , একটি বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে চায় মাথা উঁচু করে সেখানে...,,
বৃষ্টির সাথে যাদের মিল ছিল তাদের আমি বিসর্জন দিতে পেরেছি অজয়ের বুকে উড়ন্ত স্মৃতির নুড়ি কাঁকরেরা নাব্যতার ভাষা এবার শিখে ফেলুক তারা .. তন্ত্রীয় শিকল খুলছি নিজ হাতের .....ভালো মানুষের ছায়া কাঁপে শয়তান এর জন্ম দিতে গিয়ে ... দু-চোখে সন্ধ্যা মুছে নিয়েছি আজ বহুদিন হল। জন্মবোধি এই ভেবে ভেবে জানলার সারসি তে চোখ রেখে মাথার চুলে মিডলাইফ ক্রাইসিস ছুঁয়ে ফেললো , আচ্ছে দিন অভিভি দিখি নেহি , ....
আর কত বাস্তব বাকি জানা নেই ....তবু আয়নার সামনে দাঁড়ালে আজকাল নিজেকে মিথ্যে বলে।মনে হয় ....অসহ্য লাগে নিজের দেহজ বর্ননাকে, ইচ্ছে হয় আয়নায় ছদ্মবেশী রঙ লিখে রাখি ।
রাত ভোর ঘুমের দেশের দরজার ফাঁক থেকে সোহাগী নক্ষত্রদের সংগম দেখি আর নিজেকে পুড়িয়ে ছাই করি...... তারা আজও সে কথা জানে না , আমিও নিজেরই ছায়াকে সত্য বলেনি বলিনি কখনো ,. কারণ আমি আলো দেখিনি কখনো ... গুঁড়ো গুঁড়ো যন্ত্রনায় বারংবার সময় আমাকে মিথ্যে সূর্য কথা শুনিয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন