স্পষ্টত বৈকল্য বাসা বেঁধেছে মনের ভেতর সন্ন্যাসী
হিসেব করে ঈশ্বর আর তার মধ্যে একটি চাতুর্যর জন্ম সিঁধ তৈরী হচ্ছে আজকাল....
সেখানে স্যাঁতসেঁতে ভেজা শরীর নিয়ে প্রতি মুহূর্তে পুনরজন্ম নেয় অবহেলিত শৈশব....;যৌবন ,,
সে চিরকালীন নিপাট তাই তার সাথেই বিভেদের এক অদ্ভুত বোঝাপড়া শেষে হয়ে গেছে কালের নিয়মে
শব্দহীন হিয়ে শলাকায় মুখাগ্নি করে সে বিবেকের ভেতর
তারপর সংকোচেহীন হিয়ে হত্যার দায় ভুলে গিয়ে নতুন ভোরের আলোর দিকে দৌঁড়তে থাকে আগামীর দিকে
এমন করে যতবার মহামারী জন্ম নেয়... পৃথিবী পরম মমতায় তার কোল পেতে দেয় মৃত সন্তান, আত্মীয়, শাঁখা সিঁদুর, প্রেমে ,
অথচ বিবেকের মৃত্যুর চাইতে বড় মহামারী শুনিনি কোনদিন..
অথচ, কি নিদারুণ নিরাগ্রহ আজকের এই সুখী মানুষের মন
ঠিক যেন গল্পের শেষ অংশের তৃপ্তি মন থেকে শরীর বেয়ে নামছে
আর সেই তৃপ্তিতে মানুষের জীবনের জন্ম ও মৃত্যুর মাঝে হাজারো বঞ্চনা বাতাসের গায়ে মেখে থাকে।
নির্বোধের সমাধি ফলক নিয়ে সমাজে মাতামাতি
বোধের জন্য পঞ্চভূতের কোনটাই জোটে না এ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রাণীদের
উদার চরিত্র খুঁজতে চেয়ে অহেতুক বিব্রতকর জীবনের সময় অপচয় ছাড়া কিছুই নয়
কারন আমরা যারা মানুষ বলি নিজেদের তারা কেবল উপহাস উৎযাপন করি সময়ে সময়ে...।।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন