রাত দুটো সাতচল্লিশ উত্তরের বারান্দায়
দুরন্ত বলি ঝড় আছড়ে পড়লো ,
আমার হাড় পাঁজরে ইঁটের থেকে ঝুরঝুর করে
মাটি ঝরে পড়লো একটা ভয়ানক হাহাকারে ,
বাড়ির নীচে এলামন্ড গাছটা কেঁপে কেঁপে উঠলো ।
খসে পড়লো শালিকের বাসা ,
আমার উপন্যাসের মলাট দুমড়ে মুচড়ে আলো আঁধারে দিশাহীন হচ্ছিলো ,
চোখের পাশ দিয়ে ঘন রক্ত দাগ তারসাথে তুমুল জলস্রোত ,
এমনি রাত বিরেতে অতর্কিতে নিঃসময় ধুলো ঝড়
আমার বারান্দা ওলটপালট করে দেয় ,
আমার যে বাসস্থান বলে অতঃপর অবশিষ্ট কিছুই থাকে না,
রাত তিনটে বাহান্ন গলায় সোনার বুট দিয়ে চেপে ধরা হল নিঃশ্বাস ,
আমি চিৎকার করলাম না ,
আমার গলার নলি দিয়ে অর্বুদ বুদ্বুদ রক্ত ঘাম তখন ,
রাতের দু একটা তারা তখন ধুলো ঝড় ঝেড়ে আকাশের জানলায় উঁকি দিলেও আমায় কেউ দেখতে পেলো না ,
আসলে আমার উত্তরে বারান্দা আমি আর আমার যন্ত্রনা দুজন ভীষন একলা .....মাঝে মাঝে ধুলো ঝড় আমাদেরকে আরও একলা করে দেয় ,
সময়ের সিগারেটে পুড়তে থাকা ক্ষত গুলো বারংবার ফিরে ফিরে আসে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন