যে ক্ষত গুলোর কোনো শুশ্রূষা নেই সেই ক্ষত গুলোর উপশম অপেক্ষায় ভিখারী মন বেঁচে থাকে ।
হাসপাতালে বেডে আমার বুকের পাঁজর আর মাটি আলাদা করে দেখে নেওয়া হচ্ছে আরো কিছু দিন ক্ষতদের উল্লাস বহন করতে পারবো কিনা , সার্জিক্যাল ছুরির ডগায় আমার ভবিষ্যত লেখা হবে , এই মূহুর্ত থেকে আগামীর ,
আমারই মত যাদের চিবুকে পুরোনো অক্ষর লেগে আছে তাদের কোনো আত্মীয় নেই এই হাসপাতালে , অসাড় হয়ে থাকা মন ও শরীর ব্রাত্যের চিহ্ন রোজ রোজ বাড়তে থাকে ইনফেকশন হয়ে ।
আমার আস্ত দলিলে এখন ক্ষয় রোগের সারি সারি মিছিল , বুকের ভেতর চাপা পড়া নোঙরের নীচে সেই কবেকার হলদেটে বাঁচার ইচ্ছা ,
কাঁচি ছুরি হাতে সাদা কোট পরা ঈশ্বর ঈশ্বরী আমার কলজেটাকে কিছুদিন ডুবিয়ে রাখতে চায় দিকশূন্য অন্ধকার শূন্যতায় ,
উপশম হীন ক্ষতগুলো ফিসফিসিয়ে বলছে আরো কিছুদিন ভেসে থাকার কথা ।
খুব ভালোবাসি বলে যারা দাবি করতো একদিন তারা সকলে এখন সময়ের ঘরে নিশ্চিন্তে বালিশে মাথা রেখে ঘুমায় ,
আমি আমার অসুখ নিয়ে তাদের দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি......."কেউ কথা রাখেনি তেত্রিশ বছরে" কেউ কথা রাখে না আসলে ...।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন