সময়ের মাঠে নিজের বাইরে ভেতরের যুদ্ধে মার্জিত অস্ত্র ফুরিয়ে যায় একদিন ।
আমি কিংবা আমারই মত দেখতে দুজন মুখোমুখি
পাথরের গায়ে নোনা চিঠি লিখে রাখি ,
অথচ মানতে চাই না যে এসব চিঠি কখনও কোনো ঠিকানায় পৌঁছবে না, কারণ বুদ্বুদ
ও ফেনার অক্ষর ডাকবাক্স নেবে না কখনো ।
দু আঁজলা জল দরকার ছিল যুদ্ধ শেষ এই হাহাকারের দিনে ......,
অথচ ভালো করে দেখলে দেখতে পাবে এ শহরে জ্যামিতিক চিহ্নের মত জলের পাইপ শরীর সেঁধিয়ে দিয়েছে প্রতিটা প্রথম, দ্বিতীয়, কিংবা তৃতীয় ব্রাকেডে ....তবু তৃষ্ণা নিবারণ করতে মানুষের মত দেখতে কিছু মুখোশ মানুষ ...জল চেয়ে বেড়ায় গরিব ব্রাহ্মণ সেজে ।
আজ চশমার কাঁচ জুড়ে নিঃশব্দ আর ছায়া ....যত দূর চোখ যায় ততদূর আমার শহর , আমার শহর আজকাল ভীষণ রকম ভালোবাসা হীন মৃত্যু অসুখে ভুগছে .....সিদ্ধার্থ তুমি চলে গেলে এমন ভালোভাষা হীন মৃত্যু অসুখে ..., অথচ তুমিই বলতে যুদ্ধ জয়ের কথা বাঁচার কথা ...তোমার ঠোঁটের কোনে হাসিতে ছিল জীবনের জয়গান ,,
আমরা কেউ সে জীবনের গান আর বাঁচার কথা মনে করে দিতে শুক্লা র পাশে দাঁড়াতে পারলাম কই ,, ওই যে কোনো কবি যেন দু কলম সত্তি লিখে রেখেছিল .....সাথে থাকা আর পাশে থাকা মোটেই একই কথা নয় , যা মুখে বলতে পারি ভালোবাসার মরসুমে তা করে দেখতে পারি কজন হাহাকারের দিনে ।
হারতে হারতে শুধু তুনির ছাড়া কিছুই তো সম্বল রইলো না ,, তোমার ছিন্ন ভিন্ন শরীরে যে সব অন্তর্ঘাত জমেছিল ...আমরা কেউ তা জানতে পারলাম না ,
অদৃশ্য ফাঁসের আড়ালে তুমি শোক প্রস্তাব রেখে সে দিন চলে গেলে .....শুধু চুপ ঘরে রাখা থাকলো যুদ্ধ শেষের অগ্রন্থিত কান্না ।
জানি না আমাদের আর ভালো থাকা হবে কিনা, শুক্লা আর কথা বলবে কিনা , রত্নার বাজার থেকে ঘরে ফেরার পথে তোমার মত কেউ সামনে দাঁড়িয়ে বলবে কিনা ......চল আমি পৌঁছে দিই ,,
কারণ সময়ের মাঠে নিজের বাইরে ভেতরের যুদ্ধে মার্জিত অস্ত্র ফুরিয়ে গেছে আমাদের ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন