আনআইডেন্টিফায়েট পরিচয় নিয়ে পড়ে আছি গত কয়েক মরশুম, যারা এসেছিল তারা ভিক্ষার পাত্রে কৃপণতা রেখে চলে গেছে , আমি ও গাছটা এক রকম নাছোড়বান্দা এই ঘু ঘু চরা ভিটে মাটি একমাত্র আশ্রয় যেন বেওয়ারিশ লাশ আগলে পড়ে থাকা ।
অবাক মলাটে নিখুঁত অন্তর্বাস লিখে দিয়ে কবিরা
অন্ধ ও বধির হয়ে গেছে বহুকাল আগেই ....আমার মত কিছু অপদার্থ ঘড়ির তিনটে কাঁটা কে স্পর্শ করিয়ে জাহাজ ঘটে তেচোখো মাছটার অপেক্ষায় বসে থাকে ভোর থেকে সূর্যাস্ত দেখবে বলে । একটা সন্ধ্যের নামকরণের জন্য প্রলয়হীন এখন সমস্ত শহর প্রেমিকের হাত গোটানো শার্টের বোতাম বিকৃতির হিত অহিত ছায়া আটকে আছে। ।
গোপন সংলাপ কলম ছাড়া কেউ শুনতে পাইনি আজও ,, তাই আমি কিংবা কবি কেউ কান্না ছাড়া এক গ্রাস ভাত কখনো মুখে তুলতে পারিনি ।
কি ভাবছেন এসব মিথ্যে কথা না হে মিথ্যে নয়
এসব সত্যি সত্যি সত্যি ....ভেবে দেখবেন আপনার ভেতরে একটা অন্য লোক মাঝে মাঝেই দরজায় কড়া নাড়ে কিনা ,, হতেই পারে আপনার সামাজিক স্ট্যাটাস এর শোরগোল সেই করাঘাতকে অস্পষ্ট করে ফিকে আরো ফিকে করতে সমর্থ হয় ,
একদিন স্নান ঘরে দু দন্ড চোখ বুজে দেখুন না মশাই ভেতরের হু হু করে কেমন একলা চৈত্রের লু বইছে ...অথচ আপনি মশাই উলংগ হয়ে ঠান্ডা শাওয়ারের তলায় দাঁড়িয়ে আছেন ।
আসলে যন্ত্রনা সকলের ভেতরের ক্ষত গুলোর ইউর নুন ছিটানোর মত জ্বালায় , কেউ খস খস করে কলম চালিয়ে ড্রেসিং করে ব্যান্ডেজ বেঁধে রাখে কারো না রক্ত পুঁজ এসব গড়ালেও আহা বলার সময় বা ইচ্ছা কোনোটাই নেই ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন