পিছনের দিনগুলো মাথার নিউরোন থেকে হঠাৎ ভ্যানিস হয়ে গেছে আমার আগামীতে কেবল চলমান মুহুর্ত ছাড়া আর কিছু দৃশ্যত নেই ,
নেই কোন পাললিক পচন ।
আঙুলের ধারাপাতে কেবল দিন শেষে একটা রুটির তৃপ্তি মাখা খিদেই আঁকড়ে থাকে ,
সারাটা দিন তপ্ত রোদের আগুনে দগ্ধ কিছু বেঁচে থাকা লাশ আর হিম ঘরে লুকিয়ে রাখা খিদের আনাজ কিছুতেই মুখোমুখি হতে পারে না ....প্রতিদিন যুদ্ধ করেও ।
আমার ডাইরির পাতায় না খেতে পাওয়া পোয়াতি মায়ের দের মৃত্যু সংখ্যা রোজ বেড়ে যায় দু চারটে,
,
আমি তখন আমার বিলাসী দুঃখদের ফানুসে উড়িয়ে খুব সহজে শূন্যতায় বেঁচে উঠি ...আর মনে মনে ঈশ্বর শব্দটার আবিস্কারক কে জুতো মেরে গরু দান করি ।
এ কবিতা কোনো কাব্যিক সোহাগ মাখো মাখো কবির সময় যাপনের বৃষ্টি নয় ,
এ কবিতায় বন্দি দশায় দেহের ফালিতে খানিকটা নুন লংকা ঘষে দেওয়া জ্বালা ...
এ কবিতা আকাশে বৃষ্টিতে কেবল রক্ত ক্ষরণ ...
এ কবিতা আমাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝতে শেখায় দুধের শিশুর কান্নার ভাষা , খিদে শব্দটার তাৎপর্য এমন গভীরে আগে কখনো বুঝিনি ,
... জীবন আত্মকেন্দ্রিক দুঃখ দের নিয়ে বিলাস বেশনে কাটিয়ে দেওয়ার নষ্ট সময় নয় ।
আমার আর কিছু ভাবতে ভালো লাগে না , শুধু ইচ্ছা হয় সামাজিক পচনের মাঝ বরাবর আমি
প্রতিটা মুহূর্ত মাখছি আমার ভেতর বাইরে ...
আর শূন্যতায় ভাসছি ।
আসলে আমি আপোষ করে নিয়েছি কেঁচোর মত মাটির সাথে শুধু ,
আমার আগে আমার পেছনে কোনো মূহুর্ত কখনো ছিল না আসবেও না ,আমার এই চলা টুকুই ভীষণ সত্যি । বাকি পাশা খেলার দুনিয়াদারী।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন