লোকটা আসা যাওয়ার পথে চিৎ হয়ে ঘুমিয়ে আছে , লোকটা কি বেঁচে আছে নাকি .....!
মাছি ভ্যান ভ্যান শরীরটায় কোনো ঠিকানা লেখা নেই , নেই বুকের ছেড়া পকেটে নাগরিকতা।
কিছু পিঁপড়ে লাইন দিয়ে কিছুটা অস্তিত্ব নিয়ে সুড়ঙ্গে পথে নামাতে নামাতে ভাবছে এ শহরে মানুষ খুব সস্তা এখন, মানুষের বাজার দর আগের মত আর নেই , ,
একটা লোক আসা যাওয়ার পথে চিৎ হয়ে পড়ে আছে পাশ কাটিয়ে কিছু বিরক্ত ভুরু, কিছু ব্যস্ত জুতো , শাড়ির কোচ সামলিয়ে রাখা সামাজিক চোখ দেখছে আবার দেখছে না ... ,
শুকনো ঝরা পাতা যেন লক্ষ্য বার দেখা রোজকার দৃশ্য ,
তিলোত্তমার রাস্তায় এমন কি কিছু বিস্ময় ঘটে যা দেখে থমকে দাঁড়ানো যায় নিয়মিত ব্যস্ততা থেকে কয়েক মিনিট ভ্যানিস করে দেওয়া যায় কোনো অচেনার জন্য ।
আসলে এ শহরে কারণ ছাড়া মানুষ গুলো এক পা ফেলতে পারে না কারণ ছাড়া দুটো মিনিট কোথাও খরচ করতে পারে না , এ শহর এর চৌখুপির বিছানায় জোৎসনা মাখা সন্ধ্যায় কেউ অকারণে রবি ঠাকুরের গান শোনা না , এ শহর কারণ খুঁজে নেয় জন্ম মৃত্যুর , এ শহর কারণে মিলে যায় কারণ ফুরালে বিচ্ছেদ নাম দেয় ,
এ শহরে ওই চিৎ হয়ে মৃত্যু ঘুমের লোকটা আসলে কারণের দায়রায় পরে না যে শহরে ওই লোকটার মত কিছু অকারণ কেবল নষ্ট সময় বলেই পরিচয় পায় ।
এ শহর বলে অকারণ গুলো যাওয়া আসার পথে
ওভাবে ফেলে রাখতে নেই ,।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন