শব্দেরা ঘুমিয়ে পড়লে বুকের ব্যারিকেড ভেঙে উত্তরে শীত হাওয়া প্রশ্রয় পায়,
ইচ্ছাবাড়ির দেহাতি স্বপ্নেরা তখন হয়তোবা লাগামহীন, তারা বোঝে না সুনীল বাবু তিস্তার বুকে ভাসতে ভাসতে লিখে গেছে আসলে কারন ছাড়া কেউ স্রেফ কথা রাখার জন্যে সারা জীবন পাশে থাকে না।
আসলে সবার উঠোনে সাঁঝবাতি জ্বলবে এমনটা নয়,
কিংবা সব শীত সকালে চটকানো সূর্য টা উত্তাপ দেবে এমনটা নাই বা হোতে পারে।
তবু চলতি কা নাম গাড়ি যেহেতু সেহেতু সে গাড়ির একটা ছই থাকে কখনো সখনো,
আর কখনো সখনো সে ছই বড় শান্তির সে ছই এর বুকে মুখ গুঁজে আর কোন দুনিয়াদারী কেনাবেচা দরকার হয় না।
বুকের মাঝে আকুতি থেমে যায়... ভায়োলিন এর সুর যেন সব পেয়েছির সিম্ফনীতে পরিপূর্ণতা পায়
...করণীয় ভাবনারা শূন্যে অবস্থান করে মুহুর্তে,,
বেঁচে থাকায় ছায়ার মত লেগে থাকা অপেক্ষাগুলো মুক্তির আকাশে আনন্দ উতসবে হারিয়ে যায়।
গল্পের উপসংহারে একটা শান্ত তৃপ্তি সমস্ত স্বার্থ, চালাকি, একাকিত্ব, পাওয়া না পাওয়ার যতি মুছে দেয় শেষ মেষ
প্রশ্নেরা চিহ্ন হারায়, শব্দেরা ধ্যানমগ্ন হয়,
আর সে মুহুর্তের নাম মহেন্দ্রক্ষন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন