বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

নীরার কান্না

 নীরার কান্না
*****
 


     কতটা রক্তক্ষরণে প্রাপ্ত  যোগ্যতা
           অপাংক্তেয়- যাকিছু হয় মাটির দর?

 হাহাকারেই একদিন  শরণ নিয়েছিল  যাপন জীবনের খোঁজে 
        ঝঞ্ঝাহীন নিষিদ্ধ বাতাস হয়ে ,
এঁদোডোবার গুল্মসিরিজ হয়ে উঠেছিল 
          বৌদ্ধ শ্বাস... 

এসব ইতিহাস গোপন রেখে গেছ সুকৌশলে,
যাতে কোনো মৃত্যুর দায় না বইতে হয়, 

সাম্রাজ্যের  পর সাম্রাজ্য জয় করে গেছ প্রায় অর্ধ শত  বিধান থেকে নিদান দিয়েছো ঈশ্বর তুমি,

          দগ্ধবুকে রেখে গেছে আঙুলের  নিশান।
তারপর অট্টহাসিতে খুলে পড়েছে ভালোবাসার চুন সুরকি।

,
      আগুনে পোড়ানো ইঁটের জন্ম কার জন্য হয়! নাম লেখা থাকে না তবু কারো না কারো নামের ফলক লেখা হয় একদিন সে ইঁটে
           ইমারতে ইমারত গড়ি আমার শব্দটা,

নাভিকুণ্ডে মাটির কলস–সে-নয় জাত্যাভিমানী শ্লেষ তবু  মাঘ ফাগুন আসে ....চরাচর জুড়ে 
না পাওয়া  ঠার!
      তবু  জাত হীন হয়  মুছে দিযে সংবিধান–,,
 তবু নীরবেই কাঁদছে দ্যাখো  উনপঞ্চাশ অবধি 
সমস্ত সংখ্যা গুলো,

কতগুলি শতাব্দী  পেরোলো পায়ের দলা পাতার মর্মর।
তার খবরাখবর কখনো খাতায় লেখে না কেউ ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন