খনার বচন
----------------------
চোখের চাহনি ভাঙা তোমার ডাক আমি বুঝি। পাতা-ঝরা শীত তোমাকেও মন খারাপের প্রহরে দাঁড় করিয়ে কাঁদায়।
কলমের নিবে গড়িয়ে নামে একান্ত বিষাদকলোনি দারিদ্রতা খুঁটিনাটি।
এত বেশি রাজকীয় হতে চেয়েছিলো তোমার নামগানচরিত ...তাতে চেনা মুখের আদল গেছে বদলে।
বাতাসের ভাষা পড়তে শিখেছিলাম বলেই
শেষ চিঠি বৃষ্টির আগে ডাকবাক্সে রেখে এসে ছিলাম। তুমি মানতে চাওনি সেদিন সে কথা ...,
তোমার এলোমেলো পা ফেলায় আমি সম্মতি দিতে পারিনি ,
তোমার বলা সংযত ভাব আমি মেনে নিতে পারিনি ।
বুকে ট্রেন-চলে-যাওয়া বিদায়ের ক্ষত নিয়ে আমি চলে গেলাম তোমার আড়ালে ।
মুখে হাসি- উপহারে নীল পাঞ্জাবির পোট্রেট সহজ ছিলো না ।
এসেছিলে একদিন দূর কোনও ঠিকানা ছাড়িয়ে
মুক্তি ভালোবেসে ...অথচ ভালোবাসলে মাছেরও গলায় কাঁটা ফুটে যায় বোঝোনি ।
জানি আসা যাওয়ার প্রান্থ শালায়
দেখা হবে আরো একবার .... ।
সে মনে আজও চোখের বাড়ি বিরহের আবদার..
সারারাত স্মৃতি জাগায় , ফ্ল্যাসব্যাকে , একা।
তবু ভালো আছি বলবো চিরকাল।
হারিয়ে ভালই হলো পলকের ফাঁকে...তোমার জন্মদিন গুলোয় আমার এক একটা মৃত্যু দিন খোদিত থাকলো, ,,
মুখোশের পৃথিবীতে মানাতো না আমাদের ভালবাসা ....তাই এ বিচ্ছেদ ছিলো বড্ড পুণ্যের।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন