ভেবেছিলাম হঠাৎ তুই এই শহরে
আমার চলা রাস্তা রুখে
জাপটে ধরে বলবি, ‘আমায়
যাচ্ছিস কোথায় একলা ফেলে,,
আকাশ ভেঙে বৃষ্টি তখন ডাঙা মনের মোড়ে জল থই থই,
গাল গড়িয়ে নামবে তখন ছায়ার মত বাসি কাজল,
জানিস না তুই, পাখিরা রােজ ওড়ে
আমার হয়ে ওই শহরে ক্লান্ত হয়ে
ডানার ভাঁজে মুখ ঘষে, বেশ কাউকে
বোধহয় ভালবেসে ।
, ওড়না যখন শেষ রাতের আলো মাখে
এক মুহূর্ত থমকে কলকাতা ঠিক আমার মত
কেউ মনে হয় পথের ভুলে এসেছিল সংগ দিতে,
আমি বরং সন্ধ্যা তারার অস্ত
রাগে একলা তখন কার যেন খুব বুকের কাছে,
বৃষ্টি থামে এই শহরে দুজন ঠিক খুব চেনা
মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বলে ....
‘ছিলি কোথায়? আমায় ছেড়ে!
আজকে একটা হেস্তনেস্ত বুকের পাঁজরে গুঁজে রাখার,
ঠোটের গায়ে ঠোটের গরম আমার
শহর প্রেমিক তখন
বৃষ্টি ভেজা মনের
পারে রামধনু রং আমায় দিল,
মন কখনও দেখতে পারে
মনের যে কি বায়না হয় যখনতখন
সে থাকে মনের মাঝে, শহর ভরা সব লোকগুলো আজ অবিকল ঠিক তোর মত,
আসাইলামে ঘুমোতে যাই সকাল হলে সেলাই করি প্রিয় শহর প্রিয় মানুষ এফোঁড় ওফোঁড়, পারি
নি একটাও নকশী তুলতে ঠিক ওদের মতন,
চেনা যারা অচেনা আজ
অচেনারা ফুলের তোড়ায়, নষ্ট নয় কিছুই
হারায় না কিছুই, দেশ আছে দশ আছে শব্দ আছে লেখক আছে পাঠক আছে...... আমি কেবল অবান্তর।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন