আমি নিয়মের মুখোস আটকে বাচিনি তাই ,
আমার কথা ভাবার জন্য কারো কাছে সময়ের দরবারী ইচ্ছাও রাখিনি ।
চাইনি কোনো পরিচয় চাইনি আমার সুখে দুঃখে কাঁধে হাত রাখার কেউ থাক।
.
শুধু চেয়েছি কোনো বৃষ্টি দিনে আমার কবিতার খাতায় যেনো কান্না লিখতে না হয় । চেয়েছিলাম নোনা জল এর বিপরীতে একটা শক্তপোক্ত বাঁধ।
.
আমি সমাজের সাজানো নিয়মিত ঘরকন্নায় বিশ্বাসী নই কোনো কালেই ,
বরং চেয়েছি চিরকাল আমার পাশে এক বাউল এর অস্তিত্ব, চেয়েছি আমার সাথে সেই বাউল বৃষ্টি ছুঁয়ে বৃষ্টি ভিজুক বৃষ্টি মাখুক মন্দবেশে।
আমি কোন সংবিধান রাখিনি হৃদয়ের টেবিলে ,
চেয়েছি এই শহরটা একটা বিশ্বাসের কথা বলতে শিখুক আর একটা বিশ্বাসের কাছে ।
চেয়েছি সেই বিশ্বাসে হাসতে
কাঁদতে
কথা বলতে,
আমি নিয়মমাফিক ভালোবাসায় বিশ্বাসী নই বলেই
মন্দবাসির একটা গোটা উপন্যাস লিখতে শুরু করেছিলাম ,একটা আকাশ যেখানে বেঁচে থাকার জন্যে মিঠে বাতাস আছে সেই উপন্যাস লিখতে চেয়েছি।
.
আমি কোনো নিয়ম হতে চাই নি
চেয়েছি একটা ছই যেখানে মাথা রেখে আমি বলতে পারি এটা আমার
আমি মিথ্যে আকাশ চাইনি
স্পর্ধাও চাইনি
খাঁচা কিংবা মুক্তি কোনোটাই চাইনি
হয়তো একটা গাছ চেয়েছি যার বুকে থাকবে নন্দিনী আর কিশোরের মত কিছু মুহূর্ত গোপন যার ঝুলন্ত দেহে আমার মুক্তিগুলো পাথরে বেঁধে শূন্যে রেখে দিতে পারতাম হয়তো ।
অথচ
এই সমাজে হাজারো মুখোশের মাঝে পরিচয়ের মুখোশ ছাড়া কিছুই পাওয়া হলো কি জানি না ।
কিছু সাদর সম্ভাসন, কিছু অধিকার, কিছু নিয়ম
এগুলো বড় ঠুনকো আমার কাছে
বিছানা বালিশ, সংবিধান , বাদেও জীবন বাঁচে বাঁচার তাগিদে ধিক ধিক করে জ্বলে যাওয়া আগুনে পুড়ে ,
আমরা যারা সেই আগুনে পুড়ে বাঁচি কিংবা বাঁচার জন্যে আগুন জ্বালিয়ে রাখি তাদের ঘরে চিরকালই
হয়তো একটা অভাব লেগে থাকে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন