যেদিন তোমার সাজানো সংসারে প্রবেশ করলাম ...তুড়ি তুমি আমায় একটা সংসার দিলে আমি নিলাম... ভালোবেসে গুছিয়ে রাখবো বলে নিলাম ,
তোমার ছিপছিপে চেহারা ঝাঁকড়া চুল আকাশের মত
বুক ...আশ্রয়ের এক গভীর চোখ ...ভালো লাগতে শুরু করলে তুমি তোমার দেওয়া ঘর ,
তোমার দেওয়া সংসার রোজ গুছিয়ে সাজাই ,
গাছ গুলো বেড়ে ওঠে একটা দুটো ফুল ফল তারপর একদিন তোমায় ওই ফুল ফলের মধ্যে গাছেদের মধ্যে
ব্যাস্ত হতে দেখলাম ভালো লাগতো জানো অবাক হয়ে তোমার রূপের পরে আরও এক রূপ আমায় মুগ্ধ করতো ।
সময় পেরোতে পেরোতে তোমার মন অন্য আলোতে হারাতে থাকলো হারাতে থাকলো মরশুমি পলাশের রঙে ভালোবাসার সংসারে গাছ গুলো বড্ড একঘেয়ে তখন তোমার কাছে আমিও এক ঘেয়ে,
আমাকে তুমি মনের বাইরে একটা ঘর করে দিলে খুব সন্তর্পনে আমি জানলাম কি জানলাম না সেটা জরুরী নয়,
তোমার সংসারে বাচ্চা বিয়োনো রান্না করা তোমার সাশ্রয়এর দিকে নজর রাখতে রাখতে রাতে তোমার পাশে শুতে গেলেই আমার আঁচলে মাছের কিংবা বাটনা বাটার গন্ধে তোমার বিরক্ত ....তুমি অন্য আঁচলে মুগ্ধতা খুঁজতে খুঁজতে দূরে অনেক দূরে আমায় ফেলে এগিয়ে গেলে ...
আমি কিন্তু তোমার ঝাঁকড়া মাথার চুল কমতে দেখেছি দেখেছি ছিপছিপে শরীরে অপ্রয়োজনীয় মেধ ,মুখের
সৌম্যতা ঢেকে গেছে অজস্র রেখায় চোখের গভীরতায় চশমার ব্যারিকেড ...এত্ত কিছু বদল জানো এত্ত কিছু
বদলের পরেও আমি মুগ্ধ হয়ে তোমায় সেই প্রথম দিনের মত ভালবাসতে পারি ,কারণ এই হারানো রূপের পরে আরো একটা রূপ বিছিয়ে মানুষ পরিপূর্ণতা পায় ...
কারণ এই সব বিশেষণ আমার কাছে তোমাকে আরও
সুন্দর গভীর জীবনবোধের স্বরুপ করে তোলে আমি ভালবাসতে পারি রোজ তোমার এই একটু একটু করে আকর্ষণ হারানো তোমার দেহ মনটাকে ।
আসলে আমার কাছে মানুষটা জরুরী তার আত্মা ছুঁয়ে দেখা জরুরী বাইরেটা মাছের গন্ধ হলেও চলবে
চোখে মোটা চশমার ব্যারিকেড হলেও চলবে ,
আমাদের এইটুকুই তফাৎ
এইটুকুই তফাৎ একটা পুরুষ আর নারীর ভালোবাসায়
একটা নারী একটা পুরুষের ভালো মন্দ সব কিছুতে বাস করতে পারে স্রেফ ভালোবেসে , একটা পুরুষ কেবল অজস্র অজুহাতে ঘর বদলে নিতে পারে খুব সহজে।
©সই(নারী পুরুষ)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন