তোমাকে লিখতে লিখতে ফুরিয়ে যাচ্ছি টের পাই ,
ক্ষয়ে যাচ্ছে অজস্র কলমের নিব ক্ষয়ে যাচ্ছি আমি,
দেখতে তো পাচ্ছি এই ফুরিয়ে যাওয়া এই ক্ষয়
এই পাড়ের ভাঙন ...তবুও তোমাকে লেখা থেকে থামছি কই!
তোমার প্রতি আমার সমস্তটুকু কেবল তীব্র ...তীব্র ভালোবাসায় আচ্ছন ,যন্ত্রণার পুঁজ রক্ত ,ছেলেবেলার বোকামো, তীব্র ক্ষিদে ,তীব্র দস্যুতা, তীব্র অসুখে জ্বর...অথচ এই তীব্রতা নিয়ে তোমার দিকের জানলা দরজা ঘুলঘুলি বন্ধ করতে পারছি কই?
কেমন অসহায় হয়ে কেবল তোমাকেই লিখতে লিখতে ফুরিয়ে
যাচ্ছে সাধের জন্মটা ,
শীত গ্রীষ্ম বর্ষা আকাশের শরৎ হেমন্ত আসে যায়
আমি এসব কিছুই টের পাই না ...
চোঁখে দৃষ্টি শুকিয়ে যাচ্ছে ... চামড়ায় অজস্র অচেনা
সভ্যতার লিপি ...দেহ মন জুড়ে অনন্ত ঘুম আসছে
তোমাকে লেখা থামাতে পারছি না।
ভেতর বাইরে বিশ্ব যুদ্ধ, জন্ম মৃত্যুর সফর, বিশ্বাস ভাঙচুর,
উৎসব বিসর্জন ...এতকিছু তোমাকে লিখতে লিখতে পেরিয়ে
যাচ্ছে আমার স্পর্শ না করে ,
কে জানে হয়তো আমিই চাইছি না তোমার থেকে নিস্তার পেতে...
কে জানে হয়তো তুমি আমার সব জন্মের একমাত্র অভিশাপ ...,
হয়তো তোমায় লিখতে লিখতে আমি এতটাই অসাড় হয়ে গেছি যে টের পাই না বেচেঁ থাকা ,টের পাই না মৃত্যু,
টের পাই না নিজের ফুরিয়ে যাওয়াটা,,
তোমাকে লিখতে লিখতে ....
তোমাকে লিখতে লিখতে .....
©সই। (তোমাকে লিখতে)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন