শনিবার, ২০ মে, ২০১৭

কনা ৩

---------------------------
আজ ভোরে ফিনফিনে নীল কুয়াশায়
চোখের খুব কাছ ঘেঁষে এক প্রেয়সীর আলিঙ্গনে
তুই ছিলিস কণা ,,,  শুনেছি চোখের ভিতর দিয়ে
মানুষের অন্দরমহল দেখা যায়,  তবে কি তুই
আমাকে ভিতর বাইরে মেলাতে চলেছিস!
রোজ রাতে  আমার ঘরে চোখের
পরে যেন  মৃদু  বাতাসে ঝাড়লন্ঠনের কাচ হয়ে  দুলতে থাকিস কণা,,
আমার মাথার কাছে গাছের পাতার মত তোর
আঁচল বালিশের ফাঁকে শুয়ে থাকা না বলা
কথা দের শুষে নিতে থাকে।
ঠিক তখন আমার চার পাশে কেবল ইথার আর ক্লোরোফর্মের
গন্ধ ভেসে বেড়ায়,,
কণা  বাতাসে তোর উত্তাপ কাঁপে  আর
আমার ভেতোর এক সমুদ্র আলোড়ন...,, সেই
আলোড়ন আমি নারকেলের ছোট্ট খোলে বন্দি
করি,, যেমন করে আমার এই পরাশ্রয়ী বিয়াল্লিশ ছাতির
ভেতোর একটুকরো জমিতে তোর মালিকানা।
কণা  কেন এমন অজেয় আশ্রয়ের খোঁজ বলতে
পারিস? বলতে পারিস আমি কেন রোজ স্বপ্নের
দেওয়াল ভাঙি তোর ভেতোর? 
আর তুই শেষ রাতে চিঠি বয়ে আনা ডাকপিয়ন
হয়ে আমাতে কিছু অসংপৃক্ত বার্তা দিয়ে যাস,,,,
কণা আমার ঝলমলে পোশাকের নিচে ঘুমিয়ে আছে
স্যাঁতসেঁতে শ্যাওলা পড়া একটা যাপনকারী
মানুষ,,  তুই জানিস আমি রোজ সেই যাপন
নিঃশব্দে পেরিয়ে ভাসতে ভাসতে ডুবে যাই
তোর ভেতোর..... তারপর কয়েকমুঠো
আলো তোর বুক থেকে নিয়ে ছুঁড়ে দিই আমার এই সাম্রাজ্যর
আকাশে। পার হতে চাই বাকি থেকে যাওয়া
উপন্যাসিক পথ, পরিশ্রুত হতে চাই নিয়ম
মাফিক পরিচয় থেকে,, কণা  তুই সেই ভোরের জন্যে আলোয় আলো হয়ে থকিস
আমার সমস্ত জুড়ে। আমি আমার ক্লিষ্ট দেহ
রাখতে চাই তোর ছায়ায়।।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন