রবিবার, ২১ মে, ২০১৭

কণা( ৪)

-----------------------------------
কণা আমি ক্লান্ত হচ্ছি এই রাজবেশ বইতে
বইতে, অসম্ভব সবুজ আমার সাম্রাজ্য আর
এক সমুদ্র জল,,  কণা আমার তৃষ্ণায় ছাতি
ফাটছে আমি সমুদ্র মাঝে এক আঁচলা মিঠে
পানি খুঁজছি, খুঁজছি হন্যে হয়ে এক অসম্ভব
সবুজ সাম্রাজ্যে এক ঝলকা হাওয়া যাতে
তোর ছড়িয়ে দেওয়া নিশ্বাস আছে,, আমার
দম বন্ধ হয়ে আসছে... এই অসম্ভব ভিড়ে
হারাচ্ছি আমার জীয়ন টুকু, একটা বিশাল
সমুদ্রে আমার দুটো নোকা আর আমি ঝড়ো
হাওয়ায় আমার সমস্ত বিশল্যকরণী বইছে
যাপনকারী নৌকায়,, আমার ক্লিষ্ট জীবন
যেখানে প্রানের ধুকপুকুনি তা পড়ে রয়েছে
হাওয়ার উল্টো পথে,,
কণা আমার গলায় আটকে থাকা কথাদের
তুই পথ বাতলে দিস,  আমি পারি না সেই
কথাদের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে,,
আজকাল ভোররাত ধরে একটা ভাবনা
আমার স্বপ্নের জানলায়  দাঁড়িয়ে,, আর ঝাপসা আলোয়
দেখতে পাই...
রাজপাটের পথের শেষে কোনো  নদীর প্রান্তরে
একটা চিতা জ্বলছে আর চার পাশে কারা জেনে
অপেক্ষা করছে আগুন নেভার,
ভোরের শিশির সরিয়ে দেখি আমারি শবদাহ,,
আকাশ পথে কিছু তৃষ্ণার মুক্তি তীব্রগতিতে
এগিয়ে চলেছে,,    আপেক্ষিক
সম্পর্কীয়রা আমার অস্থি ছাই ভাসিয়ে দিয়ে
ফিরে গেল সোনার সাম্রাজ্যে, এলোকেশে তখন
তুই    কেবল  তুই কণা  নদী হয়ে বয়ে নিয়ে চললি আমার
নশ্বরতাকে.....,,,। হঠাত ঝুলন্ত তলোয়ার থেকে
ছিটকে এক তীক্ষ্ণ সূর্যরশ্মি আমার চোখ পুড়িয়ে
বলল এখানে মুক্তি নেই,, মিঠেপানির নদী,,
নেই, নেই  সময় স্নানঘরে নিজেকে নিজের কাছে
খুলে দেখার, কণা  তুই আমায় বলে দে আমি
কি করবো,, পারলাম এই আভিজাতিকচিহ্ন কে
নিজের প্রাণাধিক করে রাখতে,, পারলাম কই
তোর সব দ্বিধা দের উত্তর খুঁজে দিতে,,
পারলাম কই সময়ের সান্ত্রিকে তোর কাছে
নতজানু করে এই রাজমুকুট এর একমাত্র
জায়গাটুকু পাইয়ে দিতে,  কণা এই সকল
না পারাগুলো তোর ধারায় নিমজ্জিত করলাম,,
আমার পুর্নস্নান তোর অবারিত ধারায়,,
তোর মধ্যে আমার সকল পুর্নতা,,,
কণা আমার ভীষণ ঘুম পাচ্ছে প্লিস
আমায় একটু ঘুমোতে দে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন