শ্রুত বিশ্রুতর প্যারামিটার আদোও হয় কিনা জানা নেই,
তবে এটুকু দেখি এ শহরে একটা রুটির শোক বহু মানুষের পেটের কাপড়ে বেঁধে রাখতে হয় এখনো।
সময় যাদের বেঁচে থাকার খুঁটে উপোষ কোনো আয়োজন ছাড়াই বেঁধে দিয়েছে তাদের ঘরে অন্ধ ঈশ্বরের বাস চিরকাল ।
ছাদহীন ক্ষোভ গুলো ছায়ার মত উপোষী মানুষগুলোর পেছনে হেঁটে বেড়ায় দিন প্রতিদিন ,
নির্ঘুম সময় বদলায় না রাজা বদলে যায় বারংবার , ঈশ্বর যেন নষ্ট পুরুষের ভুমিকায় চিরন্তন।
দশ ফুট বাই দশ ফুট যাপনে বিছিয়ে রাখা বেআব্রু অগুনতি খিদে, আর না পাওয়া আবর্জনায় ভারতবর্ষ শুয়ে,
সরকারের দরজায় দাঁড়িয়ে এই মানুষগুলো নিজেদের ছায়া
খুঁজে কিছু ভাতা পেয়ে ভোঁতা চন্দ্রবিন্দু হয়ে কেবল বিমুর্ত,।
আসলে এই মানুষগুলোর জন্মদ্বার থেকেই একদিন সমাজের কিছু 'অ' এর জন্ম হবে, সময়ের রাজনীতি ফুঁড়ে সেই না খাওয়া পেটে বেঁধে রাখা কাপড়ে আবারও কোনো নতুন পতাকা সেলাই হবে।
আর জনৈকরা খুঁজে পায় শ্রুত -বিশ্রুতর প্যারামিটার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন