*
নিশ্বাসে তখনও অগুনতি লাঞ্চিত হতাশা আর নিপিড়ন লেগে রয়েছে,
...মথিত দলিত বিছানা থেকে বাসি যন্ত্রনা যে মুছে নিতেই হয় এখানে নিপাট ভাঁজের আড়ালে।
এইমাত্র জীবন বুঝি মুক্তি পেলো জন্ম-যন্ত্রনার থেকে, চিলেকোঠার জানলার পাল্লা দুটো সে মুক্তির খবর দিতেই বাতাসে নিজেদের দোলা দিয়ে জানান দিচ্ছে।
মুখোশ পরা সভ্যতা বিছিয়ে রাখা এ তিলোত্তমায়,
রাস্তার দুপাশের ঠিকানা গুলোর ভেতোরে রঙ মাখা মুখ আর মাটির খেলনা গড়া সংসার ।
যারা বাস করে তাদের অনেকেরই আঁতুড়ঘর এই ইঁটের ইমারত নয়,
সমাজের কলুষতা কদর্যতা আর লাঞ্চনা মেখেই কিছু যন্ত্রনা বেঁচে থাকার নাম মাত্র এ শহরে।
মানুষ গুলো যেন কিভাবে মিথ্যের গল্পে হারিয়ে যায়! , আর নিয়মমাফিক নিয়মের বাইরে সূর্যের আলোয় রাত কিনে নেয় ,... রাতের আলোয় শরীর জুড়ে উৎসবের খেলায় মেতে ওঠে ওরা।
বড্ড অদ্ভুত গল্প হলেও খোলা জানলার পর্দা সরিয়ে সময় মুখ বাড়িয়ে দেখতে চাইছে যন্ত্রনা আর মুক্তির সন্ধিক্ষণকে আরও এক সাক্ষী সময়কে।
বিহারের শাশারামপুরে প্রেমিকের হাতে স্বপ্ন সঁপে দিয়েছিলো
সে,
পিশে যাওয়া মেহেন্দির রং অবহেলা করে ঘর ছেড়েছিল ভালবাসার বিশ্বাস দিয়ে ঘর কিনতে চেয়ে ,
সারাটা পথ প্রেমের হাতে হাত রেখে মনে মনে নিজেকে সাত পাকে বন্দিও করলো।
,
জুলেখা মাসির ইমারতে প্রেমিক বিশ্বাস হত্যা করে এই তিলোত্তমা শহরে অদৃশ্য হয়ে গেলো, ভালবাসার ইঁটে নোনা লেগে ঝুরঝুরে কবরের মাটি...
অবহেলিত মেহেন্দির রঙ যেন অভিশাপ বেঁধে দিয়েছিলো তার খুটে , তাই নস্ট-আতরে গায়ের গন্ধে অন্য গল্প বুনে দিয়েছে সভ্যতার জামা খুলে রাখা এ শহরের মানুষ।
আধাখানা ভোরের আলোয় এইমাত্র জীবন মুক্তি পেলো জন্ম-যন্ত্রনার থেকে, চিলেকোঠার জানলার পাল্লা দুটো সে মুক্তির খবর দিতেই বাতাসে নিজেদের দোলা দিয়ে জানান দিচ্ছে , জানান দিচ্ছে তিলোত্তমা তোমার বাতাসে যন্ত্রনা ও মুক্তি দুইই সামিল, তুমি জন্ম ও মৃত্যুর রঙ দিয়ে নিজের ক্যানভাসে ছবি আঁকো চিরকাল অথচ তুমি ভালবাসার শহর।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন