মধুদি সময়ের ঘর গড়তে গড়তে এক একটা ইঁটের ফাঁকে অমরত্বের কয়েক মুহুর্ত গুঁজে দিচ্ছে,
সারাদিন প্রহর মেপে যত্ন করে প্রতিটা গন্তব্যে ঘনিষ্ট একটা করে খোলস রেখে আসা শিখে এখন পোক্ত মধুদি,
বিকেলের আলোকে তোয়াক্কা না করেই অন্ধকারে খবর ক্যমিস্ট্রি গুলে নেয় জীবনের পেয়ালায়।
মধুদির বুকের পাঁজরে একটা গোপন মৃত্যু-কথা ভাঁজ করে রাখা খানিকটা ফসিলের মতন , মুখের হাসি ভিষণ রকম নির্লজ্জ তবুও।,
সম্পর্ক চলে যাওয়ার শব্দ শব্দদূষণ এর মত এ শহর মেনে নিয়েছে, তা মধুদি জানে।
অথচ মধুদির বারান্দার মাধবীলতার ঝোপে আজো এক জোড়া ময়না সংসার বুনছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনেও।
অন্য একটা নিয়মে মধুদি ইঁটের গাঁথনি গাঁথে সারাক্ষণ, বালি আর সিমেন্টের সাথে নষ্ট দিন, মিথ্যে, আর অপ্রেম মিশিয়ে নেয়, আর দফন করে অমরত্বের কয়েক মুহুর্ত, নাম তার 'পারিজাত'।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন