----------------------------
ক্ষতগুলো ঘুন পোকার মত বাড়তে
থাকে, পায়ের নখে ঘর বাঁধা শুরু
ক্রমশ মেরুদণ্ড বরাবর কলোনির পর
কলোনি.... এজেন ভীনদেশী দেশ ছাড়া
হয়ে এখন শরীর জুড়ে অধিকার,
হৃদয়, মস্তিষ্ক সমস্তই কেমন খটখটে
প্রান যায় মুহুর্তে এসে ঠেকেছে,,
উৎসব আলোর স্রোতে শহর তবু
চোখ আলো ছুঁয়ে যায় না... অমনিশা
ভেতোর ভেতোর বোবা টানেলে সেধিয়ে
চলেছে, সুবর্ণা হাঁপিয়ে উঠেছি ভীষন,
সুইসাইড পয়েন্টে দাঁড়িয়ে......
আত্মজ বলে উঠলো এখনো তোমার
মুক্তি নেই, অনেক কাজ বাকি... আমার
আলোর দরকার তুমি জ্বলে ওঠো আমি
পথ চলবো তুমি সওয়ারী হও, ফিরে এলাম
আমার সামনে জন্ম কাঁদছে, মৃত্যু হাসছে
জীবন খেলছে পাশার দান, পড়ছি
ভাংচুর হচ্ছি, নিজেকে জড়ো করছি মুঠোয়,
ফুরোতে ফুরোতে ক্ষতরা আমাতে বাড়তে
থাকছে, ভাবছি আমি বিশাল না ক্ষত বিশাল,
সুবর্ণা আমায় একচিলতে মরনকুপের জল
এনে দেবে.... এ আমার বহুকাঙ্ক্ষিত
শেষের চাওয়া, ভালবাসার নামে
সুগন্ধি রুমাল নয়, নয় নীল পদ্ম,
কেবল এক গন্ডুস মৃতু আমায় দাও।
সুবর্ণা ( প্রিয় মরনেসমাপয়েৎ)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন