একটা যন্ত্রনাকে গলায় রেখে ছিলাম....
মাঝরাতে বুকের মাঝে গড়িয়ে নামলো,
সেই গরলে দধিচির মতো পাঁজর পুড়িয়ে
মারণাস্ত্র বানিয়ে ফেলে....কেন রাত আসে
প্রশ্ন করি সময়কে, নিরুত্তর সময় বেদনায়
ধারালো করে অস্ত্র .... ফালাফালা হয়ে যায়
সময় কাল প্রবাহমান মুহুর্ত,
আমি ভালো আছি বলে আয়নার সামনে
চিৎকার করে একটা সত্তি প্রমাান করি...
প্রতিফলিত শব্দেরা ফিরে আসার আগে
শত টুকরো করে দেয় সত্তিকে, প্রতিটা
টুকরোতে এক অন্য মুখ কোনোটাই
চেনা নয়.... অদ্ভুত রঙ মাখা মুখগুলো
আমার অস্তিত্ব কে কুঁকড়ে দেয়....
যন্ত্রণাকে বলি তোর অন্তরে আমার
বসবাস পাকাপাকি কর, বীষ মাখি পাঁজর
পোড়াই... সারি সারি অস্ত্রেরা অট্টহাসে ফেটে
পড়ে আমি বধিরত্ব পেতে চাই, কোনো
আর্তনাদ.. অট্টহাস আমার অনুভুতিতে
প্রবেশ না করে এভাবেই নীল বীষে পোড়াতে
চাই সবকটা পাঁজর একমুঠো অবশেষে
আমার নীল আকাশে মুক্ত হোক,
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৫
নীল বীষ-------
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন